নোমান মাহফুজ: একজন ফরিদ আহমদের বঙ্গবন্ধু প্রেম সত্যি মুগ্ধকর। যিনি এলাকায় মন্টু নামেই পরিচিত। জাতির পিতার প্রেম মনে ধারণ করে যার কলম চর্চা চলছে অবিরত।

১৯৬৫ সালে গোলাপগঞ্জ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের স্বরসতি গ্রামে জন্মগ্রহন করেন ফরিদ আহমেদ। তার পিতার নাম মরহুম ইরশাদ আলী। পারিবারিক জীবনে ফরিদ আহমদ ২ ভাই ১ বোনের মধ্যে সবার বড়। বিবাহিত জীবনে ২ সন্তানের জনক।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা তার প্রতিটি গান যেমন শ্রদ্ধার নিদর্শন তেমনি মনের আবেগের ভালোলাগা ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ। প্রতিটি গানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে লেখে যাওয়া ব্যাক্তির সংখ্যা সত্যিই ত’লনামূলক কম। অনেকে ‘বঙ্গবন্ধুপাগল’ বলে তাকে বেশি চেনে। মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ১০০ টিরও বেশি গান লিখেছেন। গানগুলোর সুর ও কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি নিজেই। তাঁর একটাই চাওয়া-গানগুলো দেশের মানুষকে শোনানো।

সোমবার সন্ধ্যায় গোলাপগঞ্জের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জিবি বার্তা ডটকম’র অফিসে এসেছিলেন ফরিদ আহমদ। হাতে একটি ব্যাগ, বের করলেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা গানের একটি সিডি ক্যাসেট ও পান্ডুলিপি। সেখানে ৪০/৫০টি গান লেখা রয়েছে। এসময় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা গানও গেয়ে শোনান ফরিদ আহমদ।

ফরিদ আহমদ প্রতিবেদককে বলেন, ‘১৯৯৫ সাল থেকে নিয়মিত গান লিখে যাচ্ছি, গানগুলো আমি গেয়েই চলছি। আমার এই গানগুলো দেশের মানুষকে শোনাতে চাই। কিন্তু গানগুলো সিডি আকারে বের করতে অনেক টাকা দরকার। এই টাকা আমি কই পাব। কেউ সহয়তা করলে আমার মনের আশা পূরণ হতো।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তার লেখা গান:
নিষ্ঠুর অত্যাচার নির্যাতন করলো যেভাবে, মুজিব খুনিদের ফাঁসি দিতেই হবে।
কে কোথাও পালিয়ে আছে আমরা জানি না, কেমনে আনবেন ফাঁসি দিবেন বলতে পারবো না/
মুজিব মানে স্বাধীনতা, মুজিব মোদের প্রিয় নেতা। হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খৃষ্টান শ্রদ্ধা জানায়
মুজিব ভালবাসি তোমায়/
তোমার জন্ম হয়েছিল স্বাধীনতা নিয়ে আসবে, তুমি পারবে মুজিব তুমিই পারবে/
চোখে জলে বুক ভাসে আজ বারে বারে বার, ভালবাসার প্রিয় মুজিব ফিরবে না আর/
আজো কাঁদে বাংলার ঘরে ঘরে রে, শুধু মুজিব মুজিব করে/
চলো টুঙ্গীপাড়া চলো, ১৫ ই আগস্টে। ঝাকে ঝাকে যায় বাঙ্গালী ফুল দিতে মুজিব কবরে/।।।

ফরিদ আহমদের গান লেখার শুরুর কথা জানতে চাইলে বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন খুন হন, তখন আমার বাবা ঢাকায় ছিলেন। তিনি বাড়িতে আসলে সে সব কাহিনী আমাদেরকে শুনান। আমরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ি। তখন থেকেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি আমার আলাদা প্রেম ভালবাাসা জন্মে, আর সেই থেকে নিয়মিত লিখে যাচ্ছি।

শেয়ার করুনঃ

Leave a comment

Your email address will not be published.