স্টাফ রিপোর্টারঃ গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনের আর মাত্র ৩ দিন বাকি। কিছুদিন আগেও ভোটারদের নিরব ভূমিকা দেখা গেলেও শেষ সময়ে বেশ জমে উঠেছে নির্বাচনী রেশ।

এবারের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মাঠে থাকলেও নির্বাচন বর্জন করায় নেই ধানের শীষের বিরোধী দলীয় প্রার্থী। এ জায়গায় নৌকা প্রতীকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন সাপ্তাহিক গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার সংবাদ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এড. মাওলানা রশিদ আহমদ। তিনি আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। অপরদিকে ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত জাহির উদ্দিন মিনার প্রতীক নিয়ে মাঠে থাকলেও অনেক এলাকায় এখনো তিনি ভোটারদের কাছে অপরিচিত।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, ১৮ তারিখ ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ঘটলে নৌকা এবং আনারসের মধ্যে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক লড়াই হবে।

এদিকে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মাঠে থাকলেও উপজেলা জোড়ে নাম ডাক রয়েছে ৩জনের। এর মধ্যে দু’জনের অবস্থান সর্বাগ্রে।

গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আহাদ সামাজিক অঙ্গনের পরিচিতি নিয়ে বৈদুতিক বাল্ব প্রতীকে নির্বাচন করলেও বাকি ৩জন রয়েছেন আওয়ামীলীগ অঙ্গসংগঠনের।

তবে ভাইস চেয়াম্যান প্রার্থীর মধ্যে দলীয় কোন প্রতীক বরাদ্দ না থাকায় বিভিন্ন প্রতীকে নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়েছেন এ তিনজন। বই প্রতীক নিয়ে মনসুর আহমদ উপজেলা চষে বেড়াচ্ছেন, উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে শাহিন আহমদ এবং দেলোয়ার হোসেন দিপনের তালা।

বিভিন্ন এলাকায় ভোটারের মতামত নিয়ে জানা যায় সাংবাদিক আব্দুল আহাদের বৈদুতিক বাল্ব এবং মনসুর আহমদের বইয়ের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার রেশ বেশ তুঙ্গে।

এছাড়া দেলোয়ার হোসেন দিপনের তালা এবং শাহিন আহমদের উড়োজাহাজের মধ্যে প্রতিযোগিতার সম্ভাবনা বেশি।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জনের নাম থাকলেও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিরা বেগম শিলা ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উর্ধ্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে। অপরদিকে মাছুমা ছিদ্দিকার পদ্মফুল এবং নার্গিস সুলতানার কলস প্রতীকের মধ্যে বেশ জোড়ালো প্রতিযোগিতা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

নির্বাচনের আর মাত্র ৩দিন বাকি। এরই মধ্যে ভোটারদের অবস্থান নড়চড় হলে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা বেশি বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। সব মিলিয়ে অবাধ, সুষ্ট এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন ভোটাররা আশা করেন। তবে শেষ হাসিটি কার হবে তা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার।

শেয়ার করুনঃ