ছবিঃ সংগৃহীত

শুক্রবারে জুমআর সময় নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের একটি মসজিদে ঢুকে জুম্মার নামাজরত মুসল্লিদের উপর আকস্মিক হত্যাযজ্ঞ চালায় একদল সন্ত্রাসী। নিউজিল্যান্ডের গনমাধ্যম জানায় এসময় সবাই জুম্মার নামাজের জন্য মসজিদে গিয়েছিলেন।

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি ২জন রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও আরোও বহুসংখ্যক আহত অবস্থায় রয়েছেন। বন্দুকধারী এক হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, হামলাকারী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে নির্দয়ভাবে গুলি চালায়। এতে মসজিদের ভেতরেই বহু মানুষ নিহত হয়।

স্থানীয় টেলিভিশন টিভিএনজেড সাংবাদিক ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্যাম ক্লার্ক জানিয়েছেন, জুম্মার নামাজের সময় এক ব্যক্তি কালো পোশাক পরে মসজিদে প্রবেশ করেন। তিনি মসজিদে ঢুকেই গুলি চালানো শুরু করেন। হামলাকারীর মাথায় হেলমেট পরা ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন।

স্যাম ক্লার্ক বলেন, অস্ত্রধারী ব্যক্তি মসজিদের পেছন দিয়ে প্রবেশ করেন। তিনি হেলমেট পরা ছিল। সম্ভবত তার কালো জ্যাকেটটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট হবে। মসজিদে ঢুকেই তিনি নামাজরত মুসল্লিদের ওপর গুলি চালাতে শুরু করেন।

এদিকে সন্ত্রাসী হামলার এ ঘটনাকে কালো দিন আখ্যায়িত করে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্যাসিন্ডা আরদেন বলেছেন, এটা অবশ্যই নিউজিল্যান্ডের জন্য কালো দিন।

ঘটনার অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী লেন পিনেহা বলেন, আমি ওই কালো পোশাক পরা লোকটিকে মসজিদে ঢুকতে দেখেছি। আর তিনি ঢোকার কয়েক মুহূর্ত পরেই গুলির শব্দ শুনতে পাই। পরে আমি সেদিকে লক্ষ করি এবং দেখলাম মানুষজন ছোটাছুটি করছেন।

তিনি বলেন, দিকভ্রান্ত মানুষের ছোটাছুটির মধ্যে ওই লোকটিকেও আমি বের হয়ে যেতে দেখেছি। পরে আমি মসজিদের দিকে এগিয়ে গিয়ে দেখলাম সর্বত্রই শুধু মৃতদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

শেয়ার করুনঃ