আমি ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে একজন মুজিব আদর্শের কর্মী মনে করি। কেননা আমার বিশ্বাসই আমার শক্তি। আমার অন্তর্নিহিত বিশ্বাস হলো, ৫৫ হাজার বর্গমাইলের এই রাষ্ট্রে রাজনীতিবিদ অনেকেই হতে পারেন, তবে নেতা ছিলেন কেবল একজনই। যার আঙ্গুলি হেলনে আমরা এক মোহনায় মিলিত হয়ে সৃষ্টি করেছি ইতিহাস। তিনি বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। স্বাধীনতা পরবর্তী স্বাধীন বাংলার বুকে দাঁড়িয়ে দ্যর্থহীন কন্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন-‘ছাত্রলীগের ইতিহাসই বাঙালির ইতিহাস। আর যুগে যুগে এই ছাত্রলীগই সময়ের প্রয়োজনে জন্ম দিয়েছে কালের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। আমি সেই ইতিহাসে যাব না, কেননা তাদের যথাযোগ্য মূল্যায়ন আমার মত ক্ষুদে কর্মীর কলমে যথার্থ হবে কি না সন্দেহ।

আজকে আমার লেখা এমন একজন সাবেক ছাত্রনেতা নিয়ে যিনি সিলেটের আওয়ামী রাজনীতিতে ক্লীন ইমেজের পতাকা হাতে সফল ছাত্রনেতা থেকে জননেতায় পরিনত হয়েছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতে পুরষ্কৃত হয়ে। তিনি আমার মত হাজার হাজার বঙ্গবন্ধু প্রেমিক ছাত্র-জনতার হৃদয়ে স্থান করা নাম- “এডভোকেট নাসির উদ্দিন খাঁন”

স্কুল জীবন থেকে ছাত্ররাজনীতি শুরু করা একজন কৈশোর নাসির উদ্দিন খান মাধ্যমিক শেষ করার পরই সিলেট শহর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক এর দায়িত্ব পেয়েছিলেন অসম্ভব মেধা আর পরিশ্রমের ফসল হিসেবে। সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক। পরবর্তীতে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন স্বীয় যোগ্যতায়।

নাসির উদ্দিন খান যে এই সিলেটের একজন ফুটন্ত গোলাপ তা আগেই বুজেছিলেন আমাদের জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তাইতো দীর্ঘদিন সিলেটে ছাত্রলীগের কমিটি না থাকাকালীন সময় যে ৫ জন ছাত্রনেতাকে তিনি নিজে দায়িত্ব দিয়েছিলেন সিলেট ছাত্রলীগ নেতৃত্ব দেবার তার মধ্যে অন্যতম ছিলেন ছাত্রনেতা নাসির উদ্দিন খান। যার ফলস্বরূপ কমিটি আসার পর তিনি সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। আর পিছনে থাকাতে হয়নি তাঁর।

পরবর্তীতে ছাত্ররাজনীতির ইতি টেনে প্রথমে জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১/১১ এর কঠিন সময়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষে স্লোগান দিয়ে হয়েছিলেন কারানির্যাতিত। ১/১১ পরবর্তী সময়ে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। আর কালের বাস্তবতা, আর দেশরত্ন শেখ হাসিনার রাজনীতির দর্শনে অগাদ বিশ্বাসের পুরষ্কার বঙ্গবন্ধুকন্যা নিজ হাতে দিলেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে।

এমন একজন স্বচ্ছ ও ক্লিন ইমেজের নেতার স্নেহধন্য হয়ে রাজনীতি করছি সেটাই অনেক বড় পাওয়া। আজকের এই দিনে আমার মত সিলেটের হাজার হাজার ছাত্র-জনতার একটাই চাওয়া, সবসময় মানবতার সেবায় কাজ করা একজন এড. নাসির উদ্দিন খান ভাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। শুভ জন্মদিন শ্রদ্ধেয় নেতা………..

মেহরাব হোসেন জুনেল
সহ-সভাপতি, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ।

শেয়ার করুনঃ