বিশ্ব জুড়ে মহামারীর এক নাম করোনা ভাইরাস। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। আর এই অদৃশ্য ভাইরাস নামক শত্রুর বিরুদ্ধে বিশ্ব ব্যাপী সকল রাষ্ট্রে চলছে যুদ্ধে। এই যুদ্ধে প্রতিটি রাষ্ট্র তার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা কোন পেশী শক্তি বা রাসায়নিক অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ নয় বরং মানব জাতিকে বাঁচাতে ব্যতিক্রমী যুদ্ধে শামিল হচ্ছে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ।

করোনা ভাইরাস যুদ্ধে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিরব প্রাণহানি ঘটেছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে দেশের মানুষকে বাঁচাতে এবং মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার নির্বাহী অফিসার মিন্টু চৌধুরী।

মানুষ ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে নোভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকে সাহসী ভুমিকায় এক যুদ্ধার নাম মিন্টু চৌধুরী। যিনি বাজার মনিটরিং থেকে শুরু করে মানুষের মাঝে জনসচেতনতামূলক প্রচার প্রচারণা, লিফলেট বিতরণ, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, কোলাহল কিংবা জনসমাগম না করা জন্য মাইকিং, করোনা রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা, দরিদ্র মানুষের সহয়তা প্রদান সহ সরকারি তদারকির সকল কার্যক্রম ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা জুড়ে তার সুনাম প্রতিটি লোকের মুখে মুখে। জীবন কিংবা পরিবারের কথা চিন্তা না করেই সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

যদিও তিনি কোন জনপ্রতিনিধি নন তারপরও বিবেকের তাড়নায় দেশ সেবার শপথে তিনি নিজেকে কখনো সরিয়ে নিয়ে আসেন নি। এজন্য উপজেলার মানুষ তার নাম দিয়েছেন হিউম্যান আইডল।

মিন্টু চৌধুরী সাথে কথা বললে তিনি জানান, মানুষ মানুষের জন্য। এই ভয়াবহ দূর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। লোক দেখানো কিংবা বড় হবার উদ্দেশ্যে নয়, মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। সরকারের ত্রাণের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও উচিৎ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তখন দেশের কোন অসহায় মানুষ অনাহারে থাকবে না।

তিনি আরো বলেন, দেশ ও বিদেশ থেকে অনেকেই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। যা প্রশংসার দাবীদার। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

শেয়ার করুনঃ