প্রতীকী ছবি


ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং প্রতিরোধ আন্দোলন বিফলে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন হামাস নেতা খালিল হায়েহ। শনিবার অবরুদ্ধ গাজার সশস্ত্রগোষ্ঠী ইসলামি জিহাদের সাবেক নেতা রামাদা সালাহ’র জানাজায় অংশ নিয়ে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। এরমধ্যেই, তেল আবিবে ইসরাইলের দখলদারিত্ববিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন হাজারো ইসরাইলি।

ফিলিস্তিনিদের জীবনের মূল্য আছে। ফিলিস্তিনি হওয়ার কারণে যেনো মরতে না হয়। প্রাচীর নয়, ভালোবাসার বন্ধন তৈরি করুন। এরকম নানা দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে শনিবার ইসরাইলের রাস্তায় নামেন বহু ইসারইলি। বিরোধিতা করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রীর জর্ডান উপত্যকা, পশ্চিমতীর দখল পরিকল্পনার।

এক জরিপ বলছে, অর্ধেকের মতো ইসারাইলি দখলদারিত্বের পক্ষে থাকলেও বাকিরা বিরোধিতা করছেন।

একজন বলেন, ‘সারাবিশ্বে নৃশংস বাহিনী নিরপরাধ মানুষের ওপর বল প্রয়োগ করছে। মিনেয়াপোলিসের ঘটনার সঙ্গে জেরুজেলামের তফাৎ নেই।’

আরেকজন বলেন, ‘দ্বিরাষ্ট্র ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি অসম্ভব। ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ফিলিস্তিন এবং ইসরাইলের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি করতে হবে।’

এদিন, অবরুদ্ধ গাজায় অস্ত্রসজ্জিত গাড়িবহর নিয়ে মহড়া দিয়েছে ইসলামি জিহাদ। সংগঠনটির সাবেক নেতা ডক্টর রামাদা সালাহ’র মৃত্যুর পর নিজেদের মধ্যকার ঐক্য প্রদর্শনের লক্ষ্য এ বিক্ষোভ হয়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত ২০ বছর ইসলামি জিহাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন সালাহ। হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচারের পর তিন বছর কোমায় ছিলেন তিনি।

ফিলিস্তিন গাজা হামাস নেতা ড. খালিল হায়েহ বলেন, ‘রামাদা সালাহ’র পক্ষ থেকে আমাদের সন্তানদের, যোদ্ধাদের নাগরিকদের প্রতি বার্তা, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম, প্রতিরোধ আন্দোলন বিক্রির জন্য নয়। রাইফেলের মাধ্যমে আল আকসার গম্বুজ এবং জেরুজালেমের দিকে তাকিয়ে আছি আমরা।’

পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা উপত্যকা নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন ফিলিস্তিনিদের। ১৯৬৭ সালে তিনটি অঞ্চলই দখলে নেয় ইসরাইল। ২০০৫ সালে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করলেও দু’বছর পর আরোপ করা হয় সর্বাত্মক অপরোধ। যাকে মুক্ত কারাগার বলছে জাতিসংঘ।

শেয়ার করুনঃ