সিলেট জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকাকে নতুন করে রেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা মাল্টিসেক্টরাল কমিটি। আজ বুধবার (১৭ জুন) সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সঠিক তথ্য না থাকায় সিলেট সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে তৈরি করা রেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোনের তালিকা গ্রহন করা হয়নি। পুলিশের সহায়তায় নতুন করে সিলেটের সকল এলাকাকে তিন জোনে ভাগ করা হবে। সকল প্রক্রিয়া শেষ করে ২/১ দিনের সিলেটের নিদিষ্ট এলাকাকে লকডাউন করা হবে।

এ বিষয়ে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, সিভিল সার্জন থেকে জোন ভিত্তিক যে তালিকা করা হয়েছিল তা আজ বুধবারের জেলা মাল্টিসেক্টরাল কমিটিতে অগ্রহণযোগ্য হয়েছে। কারণ ওনার কাছে ভালো করে তথ্য নেই করেনা আক্রান্ত কার বাড়ি কোন জায়গায়। বৈঠকে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, করোনা আক্রান্তদের ঠিকানা তাদের কাছে আছে। পুলিশ আজ বুধবারের মধ্যেই করোনা আক্রান্তদের ঠিকানাসহ বিস্তারিত তথ্য সিভির্জনকেল সা দিবে। তার উপর ভিত্তি করে রেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোন করা হবে। পরে তা কেন্দ্রীয় কারিগরি কমিটিতে পাঠানো হবে। তারা এটা পর্যালোচনা করে মতামত দিবে।

তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় কারিগরি কমিটির মতামত নিয়ে জেলা মাল্টিসেক্টরাল কমিটি আবার বৈঠক করবে। ওই বৈঠকে জোন ভিত্তিক ম্যাপ তৈরি করা হবে। কারণ ম্যাপ না হলে সেনাবাহিনী, পুলিশ বা অন্যকেউ কাজ করতে পারবে না। সেই ম্যাপ নিয়ে সিভিল সার্জন ঘোষণা দিবেন কোন কোন এলাকা লকডাউন হবে।

আসলাম উদ্দিন বলেন, কাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে আমরা আশা করছি সকল প্রক্রিয়া শেষ হবে। এরপরই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং কার্যকর হবে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমার তেমন কিছু জানা নেই। কোন সিদ্ধান্ত পেলে আমরা শুধু তা বাস্তবায়ন করব।

শেয়ার করুনঃ