করোনা ভাইরাস যুদ্ধে বাংলাদেশ-সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিরব প্রাণহানি ঘটেছে। বিশ্ব জুড়ে মহামারী এক নাম করোনা ভাইরাস। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। আর এই অদৃশ্য ভাইরাস নামক শত্রুর বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সকল রাষ্ট্রের যুদ্ধে ঘোষণা। এই যুদ্ধে প্রতিটি রাষ্ট্র তার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা কোন পেশী শক্তি বা রাসায়নিক অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ নয় বরং মানব জাতিকে বাঁচাতে ব্যতিক্রমি যুদ্ধে শামিল হচ্ছে সমাজের ভিন্ন শ্রেণীর মানুষ।

এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে দেশের মানুষকে বাঁচাতে এবং মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ এর কোষাধ্যক্ষ, দুই বারের সেরা করদাতা, তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ডিএম ফয়সল।

করোনা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েছ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নিদের্শে অব্যাহতভাবে নিজ এলাকা ফেঞ্চুগঞ্জসহ বিভিন্ন মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও সমাজের অসহায় হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ প্রদান করে আসছেন তিনি। বিশেষ করে তার পিতা মরহুম তোতা মিয়ার নামে প্রতিষ্ঠিত তোতা মিয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্টের মাধ্যমে উপজেলার অসহায়, দুস্থদের মধ্যে সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন।

মানুষ ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে নোভেল করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ সংক্রমণের শুরু থেকে সাহসী ভুমিকায় এগিয়ে আসেন ডি এম ফয়ছল। যিনি গোটা ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মানুষের মাঝে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা, লিফলেট বিতরণ, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, করোনা রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা, দরিদ্র মানুষের সহয়তা প্রদান সহ সরকারি তদারকির সকল কার্যক্রম ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলাজুড়ে তার সুনাম প্রতিটি লোকের মুখে মুখে। জীবন কিংবা পরিবারের কথা চিন্তা না করেই সাধারণ মানুষের আস্তার প্রতীক হয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

যদিও তিনি কোন জনপ্রতিনিধি নয় তারপর বিবেকের তাড়নায় দেশ সেবার শপথে তিনি নিজেকে কখনো সরিয়ে নিয়ে আসেন নি। এজন্য উপজেলার মানুষ তার নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন।

ডিএম ফয়ছল এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, মানুষ মানুষের জন্য। এই ভয়াবহ দূর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। লোক দেখানো কিংবা বড় হবার উদ্দেশ্যে নয়, মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। সরকারের ত্রাণের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি উদ্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। তখন দেশের কোন অসহায় মানুষ অনাহারে থাকবে না। তিনি আগামীর সফলতায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

শেয়ার করুনঃ