Previous
Next

সর্বশেষ

Tuesday, 16 November 2021

গণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক কমিটির সদস্য হলেন গোলাপগঞ্জের সামাদ খাঁন

গণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক কমিটির সদস্য হলেন গোলাপগঞ্জের সামাদ খাঁন



কেন্দ্রীয় গণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন গোলাপগঞ্জের সামাদ উদ্দিন খাঁন। রোববার গণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুলহক নূর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এ বিজ্ঞপ্তিতে আরো ৩জনকে সদস্য করা হয়, তারা হলেন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ (শুভ),  এম এস এ মাহমুদ, মো: ইব্রাহিম হোসেন। 

এ ব্যাপারে নব নির্বাচিত সদস্য সামাদ উদ্দিন খাঁন
জানান, আমায় কেন্দ্রীয় গণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আমি কমিটির আহবায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুলহক নূরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে আমি যেন ভালভাবে এই গুরু দায়িত্ব পালন করতে পারি এজন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

উল্লেখ্য, সামাদ খানের বাড়ি উপজেলার আমুড়া ইউনিয়নের আমনিয়া ইসলাম টুল গ্রামে।

Monday, 15 November 2021

গোলাপগঞ্জের ৮টি ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থী চুড়ান্ত

গোলাপগঞ্জের ৮টি ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থী চুড়ান্ত


নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোলাপগঞ্জের ১১টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার দুপুরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথির অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দীন খান।


বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ও ভোটের মাধ্যমে ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার জন্য নৌকার মাঝি নির্ধারণ করা হয়।

সভায় সদর ইউনিয়নের একক প্রার্থী থাকায় তমজ্জুল আলী তুতা মিয়াকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। এরপর কাউন্সিলরদের গোপন ভোটের মাধ্যমে বাকি ৭টি ইউনিয়নে প্রাথমিকভাবে নৌকার প্রার্থী বাছাই করা হয়। এছাড়াও উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ, ভাদেশ্বর ও লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নে দুইজন করে প্রার্থীর নাম কেন্দ্রে পাঠানো হবে বলেও জানা যায়।


৮টি ইউনিয়নে যারা প্রাথমিকভাবে নৌকার প্রার্থী হয়েছেন তারা হলেন, ১নং বাঘা ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আব্দুস সামাদ, ২নং সদর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ নেতা তমজ্জুল আলী তুতা মিয়া, ৩নং ফুলবাড়ি ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হানিফ খান, ৪নং লক্ষীপাশা ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মাহমুদ চৌধুরী, ৫নং বুধবারী ইউনিয়নে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হালিমুর রশিদ রাপু, ৯নং পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ হাছিন আহমদ মিন্টু, ১০নং উত্তর বাদেপাশা ইউনিয়নের উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলিম উদ্দিন বাবলু, ১১নং শরীফগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ নেতা এম এ মুমিত হীরা।

উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী চতুর্থধাপে গোলাপগঞ্জের ১১টি ইউনিয়নে আগামী ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিল ২৫ নভেম্বর। বাছাই ২৯ নভেম্বর। আপিল ৩০ থেকে ২ ডিসেম্বর। আপিল নিষ্পত্তি ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৬ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ৭ ডিসেম্বর।

বুধবারীবাজার ও বাদেপাশা ইউপি নির্বাচনে নৌকার মাঝি রাপু ও বাবলু

বুধবারীবাজার ও বাদেপাশা ইউপি নির্বাচনে নৌকার মাঝি রাপু ও বাবলু


আসন্ন ৪র্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী নির্ধারণ করার লক্ষে আজ সোমবার সকাল থেকেই আ’লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বুধবারীবাজার এবং বাদেপাশা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বাঁছাই সম্পন্ন হয়। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ভোটে উপজেলার বাদেপাশা ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলিম উদ্দিন বাবলুকে এবং বুধবারীবাজার ইউনিয়নে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হালিমুর রশিদ রাপুকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে প্রাথমিক ভাবে বাছাই করা হয়।


এ সভায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বাকি ইউনিয়নগুলোতেও চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার জন্য নৌকার মাঝি নির্ধারণ করা হবে। যেসব ইউনিয়নে মতামতের ভিত্তিতে নৌকার প্রার্থী নির্ধারণ যাবে সেগুলো নৌকার প্রার্থী কোন ভোট ছাড়াই নির্ধারণ করা হবে। আর যেসব ইউনিয়নে একাধিক নৌকা প্রত্যাশী এবং মতামতের ভিত্তিতে একক প্রার্থী নির্ধারণ করা সম্ভব হবেনা সেসব ইউনিয়নে কাউন্সিলরদের গোপন ভোটের মাধ্যমে নৌকার প্রার্থী নির্ধারন করা হবে বলে জানা যায়।


উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী চতুর্থধাপে গোলাপগঞ্জের ১১টি ইউনিয়নে আগামী ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিল ২৫ নভেম্বর। বাছাই ২৯ নভেম্বর। আপিল ৩০ থেকে ২ ডিসেম্বর। আপিল নিষ্পত্তি ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৬ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ৭ ডিসেম্বর।


তফসিল অনুযায়ী চতুর্থধাপে গোলাপগঞ্জ উপজেলার যেসব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো হচ্ছে- গোলাপগঞ্জ উপজেলার উপজেলার গোলাপগঞ্জ সদর, ফুলবাড়ী, বাঘা, লক্ষীপাশা, বুধবারিবাজার, ঢাকা দক্ষিণ, লক্ষণাবন্দ, ভাদেশ্বর, পশ্চিম আমুড়া, উত্তর বাদেপাশা, শরীফগঞ্জ ইউনিয়ন।
এবার স্পন্সর ছাড়াই যাওয়া যাবে লন্ডন

এবার স্পন্সর ছাড়াই যাওয়া যাবে লন্ডন


বাংলা‌দেশিসহ উচ্চ শি‌ক্ষিত ও পেশাগতভাবে দক্ষ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য নতুন ভিসা চালু কর‌ছে ব্রিটেন। ‘স্কেল আপ’ না‌মে এই ভিসা আগামী বছর থে‌কে চালু করার ঘোষণা দি‌য়ে‌ছেন ব্রিটে‌নের চ্যান্সেলর রি‌সি সুনাক।


ব্রিটে‌নে ওয়ার্ক পার‌মিটসহ অন্যান্য পূর্ণকালীন কা‌জের ভিসার ক্ষে‌ত্রে স্পন্সরকারী প্রতিষ্ঠানের হোম অফি‌স থেকে স্পন্সরশিপ লাই‌সেন্স নেওয়া থাকতে হয়। ‘টি আর টু’ বা ব্রিটে‌নের বাই‌রে থে‌কে দক্ষ জনশ‌ক্তি আনার এই লাই‌সেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী‌কে ক‌ঠিন শর্ত পূরণ কর‌তে হয়।
 
কিন্তু নতুন ‘স্কেল আপ’ ভিসার ক্ষে‌ত্রে নি‌য়োগকর্তার হোম অফি‌সের লাই‌সেন্স লাগ‌বে না। আবেদনকারীর ভিসা আবেদন দ্রুততম সম‌য়ের ম‌ধ্যে যাচাই কর‌বে হোম অ‌ফিস।

নতুন ভিসার ক্ষে‌ত্রে শর্তগু‌লো হলো- ন্যূনতম বেতন বছ‌রে ৩৩ হাজার পাউন্ড হ‌তে হ‌বে, নি‌য়োগকারী কোম্পানি কমপ‌ক্ষে তিন বছ‌রের পুর‌নো ও কোম্পানিতে ন্যূনতম দশজন কর্মী এবং কোম্পানির বছ‌রে ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি থাক‌তে হ‌বে। ভিসার আবেদনকারী জব অফার লেটার ও নি‌য়োগদাতা কোম্পানির কাগজপত্র দি‌য়ে ভিসা পা‌বেন।


ব্রিটেনে ছাত্র ও অভিবাসী ভিসার পরামর্শক স্টাডি এইডের প‌রিচালক আহ‌মেদ বখত চৌধুরী রতন রবিবার বাংলা ট্রিবিউন‌কে ব‌লেন, এ ভিসার সব‌চে‌য়ে বড় সু‌বিধা হলো এতে ব্রিটে‌নে পাঁচ বছর বসবা‌সের পর আবেদনকারী ব্রিটে‌নে ‘ইন‌ডে‌ফি‌নিট লিভ টু রি‌মেইন’ বা স্থায়ী বসবা‌সের সু‌বিধা পা‌বেন। বাংলা‌দেশ থে‌কে চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, নার্সসহ পেশাজী‌বীরা এ ভিসায় ব্রিটে‌নে আস‌তে পার‌বেন। ত‌বে সর্বনিম্ন বেতনসীমা ৩৩ হাজার পাউন্ড হওয়ায় কম দক্ষ কোনও কর্মীর ক্ষে‌ত্রে এ ভিসার সু‌বিধা নেওয়া ক‌ঠিন হ‌বে।

তিনি আরও বলেন, ব্রিটেনে বর্তমা‌নে স্টুডেন্ট ভিসায় যারা বসবাস কর‌ছেন বা আস‌ছেন তারাও কোর্স শে‌ষে এ ভিসার জন্য আবেদন কর‌তে পার‌বেন।

নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া


ওয়ানডে বিশ্বকাপ শিরোপার কমতি নেই অস্ট্রেলিয়ার। এখন পর্যন্ত হওয়া ১২ আসরের মধ্যে পাঁচবারই সেরা মুকুট উঠেছে অসিদের মাথায়। কিন্তু কুড়ি ওভারের ক্রিকেটের বিশ্ব আসরে ছয় আসর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও অস্ট্রেলিয়ার ট্রফি ক্যাবিনেট ছিল পুরোপুরি শূন্য।

অবশেষে সপ্তম আসরে এসে অধরা শিরোপার দেখা পেল বিশ্ব ক্রিকেটের পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনাল জিততে তাদের গড়তে হতো ইতিহাস। নতুন রেকর্ড গড়েই শিরোপা ঘরে তুলেছে অ্যারন ফিঞ্চের দল। ফাইনালে অসিদের সামনে পাত্তাই পায়নি নিউজিল্যান্ড।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করা নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ১৭২ রান। যা ছিল বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড। শিরোপা জেতার পথে নতুন রেকর্ড গড়ে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১৮.৫ ওভারেই ম্যাচ জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অসিদের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে ব্যাট হাতে বড় অবদান রেখেছেন তিন নম্বরে নামা ডানহাতি ব্যাটার মিচেল মার্শ। তার ব্যাট থেকে আসে ৫০ বলে ৭৭ রান। বাঁহাতি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার খেলেছেন ৩৭ বলে ৫৩ রানের ইনিংস। বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন জশ হ্যাজলউড।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৩২ বলে ফিফটি করে বিশ্বকাপ ফাইনালে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েছিলেন কিউই অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসন। রান তাড়া করতে নেমে ৩১ বলে ফিফটি করে সেই রেকর্ড নিজের করে নেন মিচেল মার্শ।

তার ৭৭ রানের ইনিংসের সুবাদেই মূলত সাত বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নিজেদের ইনিংসের ১৯তম ওভারের পঞ্চম বল রিভার্স স্কুপে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তিনি অপরাজিত ছিলেন ১৮ বলে ২৮ রান করে।

অথচ শুরুতেই অধিনায়কের বিদায়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের করা ১৭২ রানের সংগ্রহটি তখন মনে হচ্ছিল বেশ কঠিন। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দারুণভাবে অসিদের ম্যাচে রাখেন আরেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও তিন নম্বরে নামা মিচেল মার্শ।

১৭৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারে বোল্টের বিপক্ষে কোনো জবাবই খুঁজে পাননি ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম ওভারে আসে মাত্র ১ রান। টিম সাউদির করা দ্বিতীয় ওভারে দুই চারের মারে ১০ রান তুলে নেন ওয়ার্নার।

তার দেখাদেখি বোল্টের করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে চার মারেন ফিঞ্চ। কিন্তু পরের বলেই তার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেন বোল্ট। ডিপ মিড উইকেটে বেশ খানিকটা পথ দৌড়ে দারুণ এক ডাইভিং ক্যাচ ধরেন মিচেল।

শুরুতেই অধিনায়ক ফিরে গেলে খানিক খোলসবন্দী হয়ে পড়েন ওয়ার্নার। তবে অপরপ্রান্তে তাকে চাপমুক্ত রাখেন মিচেল মার্শ। অ্যাডাম মিলনের করা চতুর্থ ওভারের প্রথম তিন বলেই দুইটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান মার্শ। প্রথম পাওয়ার প্লে'তে অস্ট্রেলিয়া করে ৪৩ রান।

এরপর হাত খুলে খেলতে শুরু করেন ওয়ার্নারও। বিশেষ করে ইশ সোধির করা নবম ওভারে হাঁকান দুই চার ও একটি বিশাল ছক্কা। যার সুবাদে প্রথম ছয় ওভারে ৪৩ রান করা অস্ট্রেলিয়া পরের চার ওভারেই পেয়ে যায় আরও ৩৯ রান।

জুটি দাঁড়িয়ে যাওয়ার পর আর পেছন ফিরে তাকাননি ওয়ার্নার ও মার্শ। দুজন মিলে তাণ্ডব চালাতে থাকেন কিউই বোলারদের ওপর। উইকেটের আশায় ১১তম ওভারে জিমি নিশামকে আনেন কিউই অধিনায়ক। সেই ওভারে একটি করে ছক্কা হাঁকান ওয়ার্নার ও মার্শ।

নিশামকে হাঁকানো ছক্কায় ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণ হয় ওয়ার্নারের। প্রথম ১৮ বলে মাত্র ১৮ রান করা ওয়ার্নার ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন ৩৪ বলে। অর্থাৎ পরের ১৬ বল থেকে তিনি করেন ৩৩ রান। মিচেল স্যান্টনারের করা পরের ওভারে পূরণ হয় অস্ট্রেলিয়ার দলীয় শতক।

তবে ওয়ার্নারকে বেশি দূর যেতে দেননি বোল্ট। ইনিংসের ১৩তম ওভারে নিজের দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে দ্বিতীয় বলেই বোল্ড করে দেন ওয়ার্নারকে। আউট হওয়ার আগে চার চার ও তিন ছয়ের মারে ৩৭ বলে ৫৩ রান করেন ওয়ার্নার। তার বিদায়ে ভাঙে ৯২ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি।

তাতেও অবশ্য কোনো সমস্যা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। কেননা তৃতীয় উইকেট জুটিতেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালু রাখেন মার্শ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ইনিংসের ১৩ থেকে ১৭ ওভারের মধ্যে ৫০ রান নেন এ দুজন। যা অস্ট্রেলিয়ার জয় একপ্রকার নিশ্চিতই করে দেয়।

তবে ১৮তম ওভারে মিলনে দারুণ বোলিং করেন। যার বলে বাড়ে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের অপেক্ষা। পরে সাউদির করা ১৯তম ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেয় তারা। ম্যাক্সওয়েলের রিভার্স স্কুপে ফুরোয় দীর্ঘদিনের শিরোপার অপেক্ষা।

এর আগে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ব্যাটিংয়ে নেমে মিচেল স্টার্কের করা ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ইতিবাচক শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কিউই ওপেনার গাপটিল।

কিন্তু পাওয়ার প্লে'তে সে তুলনায় রান তুলতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। প্রথম ওভারের মতো দ্বিতীয় ওভারেও আসে একটি বাউন্ডারি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে ইনিংসের প্রথম ছক্কা হাঁকান সেমিফাইনালে কিউইদের জয়ের নায়ক মিচেল।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের করা সেই ওভারেই জীবন পান গাপটিল। তৃতীয় বলে তার ব্যাটের নিচের কানায় লেগেছিল বল। কিন্তু সেটি গ্লাভসে রাখতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার উইকেটরক্ষক ম্যাথু ওয়েড। ফলে ব্যক্তিগত ১০ রানে জীবন পেয়ে যান গাপটিল।

তবে গাপটিলের ক্যাচ ছাড়লেও মিচেলকে ফেরাতে ভুল করেননি ওয়েড। ইনিংসের চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলটি লেগ কাটার করেছিলেন জশ হ্যাজলউড। বলের গতি ব্যবহার করে লেট কাটের মতো খেলেন মিচেল। কিন্তু তার ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় ওয়েডের গ্লাভসে। ফলে সমাপ্তি ঘটে ৮ বলে ১১ রানের ইনিংসের।

মিচেলের বিদায়ের পর উইকেটে আসেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন। প্রথম চার ওভারে ২৮ থেকে পরের দুই ওভারে কিউইদের স্কোরবোর্ডে যোগ হয় মাত্র ৫ রান। পাওয়ার প্লের শেষ দুই ওভারে দারুণ বোলিং করে নিউজিল্যান্ডকে আটকে রেখেছেন অসি বোলাররা।

প্রথম উইকেটের সেই ধাক্কা টানা চার ওভার পর্যন্ত সইতে হয়েছে নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের পঞ্চম থেকে অষ্টম ওভার পর্যন্ত কোনো বাউন্ডারিই হয়নি। আট ওভার শেষে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ১ উইকেটে মাত্র ৪১ রান। উইলিয়ামসন তখন অপরাজিত ১২ বলে ৬ রানে আর গাপটিল খেলছিলেন ২৮ বলে ২২ রান নিয়ে।

সেখান থেকে নবম ওভারে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রান রেট কিছুটা বাড়িয়ে নেন উইলিয়ামসন। সেই ওভারেই পূরণ হয় কিউইদের দলীয় পঞ্চাশ। অ্যাডাম জাম্পার করা দশম ওভারে ছয়টি সিঙ্গেল নিলে স্কোর দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৫৭ রান।

ইনিংসের মাঝপথ পেরিয়ে যাওয়ার পরই যেন সম্বিৎ ফেরে উইলিয়ামসনের। মিচেল স্টার্কের করা ১১তম ওভারে পরপর তিন চারের মারে তুলে নেন ১৯ রান। স্টার্কের এই ওভারে উল্টো বিদায়ঘণ্টা বাজতে পারতো উইলিয়ামসনের। কিন্তু চতুর্থ বলে ক্যাচ ছেড়ে দেন হ্যাজলউড। ফলে ২১ রানে জীবন পেয়ে যান উইলিয়ামসন।

অ্যাডাম জাম্পার করা পরের ওভারে মার্টিন গাপটিল আউট হন ৩৫ বলে মাত্র ২৫ রান করে। তবে পথ হারাননি উইলিয়ামসন। ম্যাক্সওয়েলের করা ১৩তম ওভারে ব্যাক টু ব্যাক ছক্কার মারে তুলে নেন ১৬ রান। সেই ওভারে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে হাঁকানো দ্বিতীয় ছক্কায় মাত্র ৩২ বলে ফিফটি পূরণ হয় কিউই অধিনায়কের।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি তার ১৪তম ফিফটি। শুধু তাই নয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে তার ৩২ বলের ফিফটিই দ্রুততম। এর আগে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর কেউ এর চেয়ে দ্রুত পঞ্চাশ করতে পারেননি।

অধিনায়কের দেখাদেখি হাত খুলে মারতে শুরু করেন চার নম্বরে নামা গ্লেন ফিলিপসও। জাম্পার করা ১৫তম ওভারে একটি করে চার-ছক্কার মারে নিয়ে নেন ১২ রান। স্টার্কের করা পরের ওভারে রীতিমতো তাণ্ডব চালান উইলিয়ামসন। চারটি চার ও এক ছয়ের মারে নিয়ে নেন ২২ রান।

এই ওভারে হাঁকানো ছক্কাটির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন উইলিয়ামসন। পাশাপাশি একই ওভারে বিশ্বকাপ ফাইনালে অধিনায়কদের মধ্যে সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডও নিজের করে নেন কিউই দলপতি।

নিজের প্রথম ওভারে ৯ রান দেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভারে ১৯ রান দেন স্টার্ক। আর ১৬তম ওভারে ২২ রান খরচ করার মাধ্যমে মাত্র তিন ওভারেই ৫০ রান দিয়ে বসেন অস্ট্রেলিয়ার স্ট্রাইক বোলার। যা বাড়িয়ে দেয় অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের চিন্তা।

ইনিংসের ১৬ ওভারের মধ্যে স্টার্কের করা প্রথম তিন ওভারে উইলিয়ামসন মোকাবিলা করেন ১২টি বল। যেখানে সাত চার ও একটি ছক্কা হাঁকান উইলিয়ামসন। যা কি না বিশ্বকাপের এক ম্যাচে নির্দিষ্ট কোনো বোলারের বিপক্ষে সর্বোচ্চ বাউন্ডারি হাঁকানোর রেকর্ড।

স্টার্কের দেদারসে রান বিলানোর ধারাটা খানিক চেপে ধরেন অন্য দুই পেসার প্যাট কামিনস ও জশ হ্যাজলউড। কামিনসের করা ১৭তম ওভারে আসে মাত্র ৮ রান। পরের ওভারে ৫ রান দিয়ে উইলিয়ামসন ও ফিলিপসকে সাজঘরে পাঠান হ্যাজলউড।

আউট হওয়ার আগে ১০ চার ও তিন ছয়ের মারে ৪৮ বলে ৮৫ রান করেন উইলিয়ামসন। যা কি না বিশ্বকাপ ফাইনালে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহের রেকর্ড। এর আগে ২০১৬ বিশ্বকাপের ফাইনালেও ঠিক ৮৫ রান করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার মারলন স্যামুয়েলস।

অন্যদিকে ফিলিপসের ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান। এ দুজনের তৃতীয় উইকেট জুটির সংগ্রহ মাত্র ৬.২ ওভারে ৬৮ রান। ফিলিপস-উইলিয়ামসন ফিরে যাওয়ার পর শেষ দুই ওভারে আসে ২৩ রান। জিমি নিশাম ৭ বলে ১৩ এবং টিম সেইফার্ট করেন ৬ বলে ৮ রান।

স্কোরকার্ড

নিউজিল্যান্ড: ১৭২/৪ (মার্টিন গাপটিল ২৮, ড্যারেল মিচেল ১১, কেন উইলিয়ামসন ৮৫, গ্লেন ফিলিপস ১৮, জেমস নিশাম ১৩*, টিম সেইফার্ট ৮*; জশ হ্যাজলউড ৪-০-১৬-৩, মিচেল স্টার্ক ৪-০-৬০-০, অ্যাডাম জাম্পা ৪-০-২৬-১, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৩-০-২৮-০, প্যাট কামিনস ৪-০-২৭-০, মিচেল মার্শ ১-০-১১-০)

অস্ট্রেলিয়া: ১৭৩/২ (অ্যারন ফিঞ্চ ৫, ডেভিড ওয়ার্নার ৫৩, মিচেল মার্শ ৭৭*, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ২৮; ট্রেন্ট বোল্ট ৪-০-১৮-২, টিম সাউদি ৩.৫-০-৪৩-০, অ্যাডাম মিলনে ৪-০-৩০-০, ইশ সোধি ৩-০-৪০-০, মিচেল স্যান্টনার ৩-০-২৩-০, জেমস নিশাম ১-০-১৫-০)

ফলাফল: অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মিচেল মার্শ (৭৭ রান)

ম্যাচ অব দ্য টুর্নামেন্ট: ডেভিড ওয়ার্নার (২৮৯ রান)
তৃণমূলের ভোটে বিয়ানীবাজারে নৌকার মাঝি হলেন যারা

তৃণমূলের ভোটে বিয়ানীবাজারে নৌকার মাঝি হলেন যারা



আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিয়ানীবাজার  উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে রবিবার পৌর শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ১০টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার জন্য নৌকার মাঝি নির্ধারণ করা হয়েছে।


এর আগে রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চুড়ান্ত করতে বিশেষ বর্ধিত সভার কার্যক্রম শুরু হয়। বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল এর পরিচালনায় বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিলেট ৬ আসনের সাংসদ নুরুল ইসলাম নাহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দীন খান, যুগ্ম সম্পাদক কবীর উদ্দিন আহমদ, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আব্বাস উদ্দিন প্রমুখ। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের নৌকার মাঝি নির্ধারণে সকাল থেকেই শুরু হয় তৃণমূলের ভোট গ্রহণ।

তবে একক প্রার্থী হওয়ায় ১নং আলীনগর ইউনিয়নে আহবাবুর রহমান শিশু ও ১১নং লাউতা ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ জলিল এর নাম কাউন্সিলের পূর্বে ঘোষণা করেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. নাসির উদ্দিন খান।


পরে কাউন্সিলরদের গোপন ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে নৌকার মননোয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে জেলা আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ২নং চারখাই ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মাহমদ আলী, ৩ নং দুবাগ ইউনিয়নে পলাশ আফজল, ৪ নং শেওলা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান জহুর উদ্দিন, ৯ নং মোল্লাপুর ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, ১০ নং মুড়িয়া ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, মাথিউরা ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আমান উদ্দিন, তিলপারা ইউনিয়নে বিবেকানন্দ দাস বিবেক, কুড়ার বাজার ইউনিয়নে বাহার উদ্দিন মেম্বার কে নৌকার মাঝি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হচ্ছে তৃণমূলের ভোট। তাই তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা প্রার্থী চুড়ান্ত করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে তাদের প্রার্থী বাছাই করেছে। তাই এবার বিয়ানীবাজার  উপজেলায় দলীয় কোন কোন্দল থাকবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।

Sunday, 14 November 2021

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

সিসিইউতে খালেদা জিয়া


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউতে) ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার রাত ৩টার দিকে তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী চলছে তার চিকিৎসা।


খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ম্যাডামকে গত রাতে সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর খালেদা জিয়ার এন্ডোস্কপি করা হয়। পরে রাতেই তাকে কেবিন থেকে সিসিইউতে নেওয়া হয়।

এর আগে ফলোআপ চিকিৎসার জন্য শনিবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসনকে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান আরটিভি নিউজকে জানান ‘মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে রেখে ফলোআপ চিকিৎসা করাতে হবে।’


বিএনপি সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে যেতে খালেদা জিয়া কোনোভাবেই রাজি হচ্ছিল না। তার দুই পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান ও সৈয়দ শর্মিলা রহমান সিঁথি অনেক বুঝিয়ে তাকে হাসপাতালে যেতে রাজি করিয়েছেন।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর ২৫ অক্টোবর তার ছোট একটি অস্ত্রোপচার করা হয়। গত ৭ নভেম্বর বিকেলে হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসা ফিরোজায় ফেরেন খালেদা জিয়া।