Showing posts with label প্রবাসের খবর. Show all posts
Showing posts with label প্রবাসের খবর. Show all posts

Wednesday, 7 October 2026

সিলেট বিভাগীয় প্রবাসী কল্যাণের গোলাপগঞ্জ শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

সিলেট বিভাগীয় প্রবাসী কল্যাণের গোলাপগঞ্জ শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

প্রবাস ডেস্কঃ প্রবাসীদের কল্যাণ ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে মানবিক সংগঠন ‘সিলেট বিভাগীয় প্রবাসী কল্যাণ’-এর গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

সোমবার সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. আফাজ উদ্দিন (ডানি) ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. ইমাম উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আগামী এক বছরের জন্য উপদেষ্টা পরিষদ ও পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। 

নতুন কমিটিতে সোহেল আহমদকে সভাপতি এবং ইমাম হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে এবং উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন মুফতি মো. হাবীবুর রহমান হাবীব, মাও. সাইফুদ্দিন আহমদ, মো. বাবর জোয়ারদার, মো. ওয়াহিদুর রহমান, মো. মোস্তাফিজ রহমান রপু ও মো. মুফিদ আহমদ। 

এছাড়াও কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. রিয়ান আহমদ, মো. মাজিদ আহমদ, মো. জবলু আহমদ ও দুলাল খাঁন রুমন। সহ-সাধারণ সম্পাদক কয়েস আহমদ ও একবার হুসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম এবং সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমদ।

সাংগঠনিক সম্পাদক তানবীর আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক হাসান ও মো. আবিদ হুসেন, অর্থ সম্পাদক আহসানুল হক, সহ-অর্থ সম্পাদক মো. সোহেল আহমদ, দপ্তর সম্পাদক মো. আব্দুল আল হানিফ, সহ-দপ্তর সম্পাদক তায়েফ আহমদ, প্রচার সম্পাদক মো. জাবের আহমদ ও সহ-প্রচার সম্পাদক মাহমুদ হাসান রুহেল দায়িত্ব পেয়েছেন। 

এছাড়া ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জসিম আহমদ, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আল হাবিব (সুলাইমান), তথ্য প্রযুক্তি ও গবেষণা সম্পাদক হামিমুল হক, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. আমির আলী, সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. জুয়েল আহমদ, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মুরাদ খান, সহ-যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. হাসান আহমদ, মানব কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আফজল হোসেন, সহ-মানব কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. ইয়াই ইয়া আহমদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ, সহ-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বাছিক আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক মিজান আহমদ ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক সানজিদ আহমদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন আবীর আহমদ, সায়েন আহমদ ফাহিম, মো. রাহি আহমদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, তানভীর আহমদ, এম. আর. রায়হান, মো. আশরাফ আহমদ, এমরান আহমেদ, সালাউদ্দিন সুফিয়ান, রেদোয়ান আহমেদ, আরিফ আহমদ, জুহিদ আহমদ, জাহেদ আহমদ ও তৌহিদুর রহমান।

Thursday, 20 August 2026

ভিসা বন্ধের প্রচারণার মধ্যেই দুবাই ট্যাক্সিতে ৬ হাজার বাংলাদেশি চালক নিয়োগের সুযোগ

ভিসা বন্ধের প্রচারণার মধ্যেই দুবাই ট্যাক্সিতে ৬ হাজার বাংলাদেশি চালক নিয়োগের সুযোগ


নিউজ ডেস্কঃ সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা বন্ধ থাকার তথ্যটি পুরোপুরি সঠিক নয়। ভিসা বন্ধের এমন প্রচারণার মধ্যেই সেদেশের দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানি ৬ হাজার বাংলাদেশি গাড়িচালক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। ইতোমধ্যে দুই হাজার বাংলাদেশি চালক দুবাইয়ে পৌঁছেছেন। তবে ভিসা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে ৬ হাজার চালক নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা এখনো পূরণ সম্ভব হয়নি। এই লক্ষ্যপূরণে আগামী ২৯ আগস্ট দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা আসছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানিতে আগে থেকেই প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। নতুন করে চালক নিয়োগের এই প্রক্রিয়াটি সরকারি পর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর। তিনি জানান, ভাষাগত দক্ষতা অর্জন করলে দুবাই ট্যাক্সিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশিদের ভালো কাজের সুযোগ রয়েছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুবাইয়ের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে এই ৬ হাজার চালক নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

জানা গেছে, দুবাই ক্যাবের জন্য যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের ২ থেকে ৩ কর্মদিবসের মধ্যে ভিসা দিচ্ছে দূতাবাস। সেখানে পৌঁছানোর পর কর্মীদের ৬ মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে গাড়ি দেওয়া হচ্ছে। কমিশনভিত্তিক এই চাকরিতে প্রতি মাসে বাংলাদেশি টাকায় ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে।

রিক্রুটিং এজেন্সি আল আনাস ওভারসিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, আরব আমিরাতের সব ভিসা বন্ধ থাকার কথাটি সত্য নয়। দুবাই ক্যাবে কাজ করতে ইচ্ছুকদের সহজে ভিসা দেওয়া হচ্ছে এবং যাওয়ার খরচ মাত্র ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর মাধ্যমে দেশের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশে রেমিট্যান্স আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

Thursday, 2 April 2026

ব্রিটিশ রাজকীয় সম্মাননা ‘এমবিই’ খেতাবে ভূষিত গোলাপগঞ্জের আবু তাহের

ব্রিটিশ রাজকীয় সম্মাননা ‘এমবিই’ খেতাবে ভূষিত গোলাপগঞ্জের আবু তাহের


ব্রিটিশ রাজকীয় সম্মাননা পদক 'এমবিই' খেতাবে ভূষিত হতে যাচ্ছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান অ্যাকাউন্ট্যান্ট আবু তাহের। সমাজসেবা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ রাজকীয় সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে। আগামী ১৩ মে উইন্ডসর ক্যাসেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে রাজা তৃতীয় চার্লস তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা তুলে দেবেন। ইতিমধ্যে রাজার পক্ষ থেকে তার নামও ঘোষণা করা হয়েছে।

ব্রিটিশ-বাংলাদেশি আবু তাহেরের বাড়ি গোলাপগঞ্জ উপজেলার চন্দরপুর গ্রামে। তিনি মরহুম মক্তার আলী ও মরহুমা মাছুমা খাতুনের ছেলে। ১৯৮৭ সালে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমানোর পর তিনি পেশাগত জীবনে নিজেকে একজন দক্ষ অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৯৯ সালে পূর্ব লন্ডনে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘মাহি অ্যান্ড কোং সার্টিফাইড প্র্যাকটিসিং অ্যাকাউন্ট্যান্টস’। বর্তমানে তিনি ইনস্টিটিউট অব সার্টিফাইড প্র্যাকটিসিং অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর ফেলো সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক ও আইনি পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্যের প্রতি অনুরাগী আবু তাহেরের সৃজনশীলতায় প্রবাস জীবন, মানবতা ও সমাজ সচেতনতা ফুটে ওঠে। ছড়া, কবিতা, প্রবন্ধ ও নাটক মিলিয়ে তার প্রকাশিত গ্রন্থ ও নাটকের সংখ্যা ১০টিরও বেশি। বিলেতে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চাকে বেগবান করতে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘সংহতি সাহিত্য পরিষদ’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সভাপতির দায়িত্ব পালন করা আবু তাহের নতুন প্রজন্মের ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের মাঝে বাংলা সাহিত্য পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

মানবসেবামূলক কাজেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। ‘ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দেশের অসচ্ছল মানুষদের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন নিয়মিত। এছাড়া ‘মাছুমা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর মাধ্যমে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং ‘টি-ফাইভ টেইলরিং ট্রেনিং সেন্টার’-এর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতেও নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

শিক্ষা খাতেও তার অবদান উল্লেখযোগ্য। গোলাপগঞ্জের চন্দরপুর আল এমদাদ ডিগ্রি কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি কাজ করেছেন। পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমের ‘ব্রিজ অ্যাকাডেমি’ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ‘হ্যাভেন কেয়ার হোম’ নামে একটি বৃদ্ধ ও অসহায় মানুষের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার কাজও এগিয়ে নিচ্ছেন তিনি।

এই সম্মাননা পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আবু তাহের বলেন, মানুষের কল্যাণ, সংস্কৃতির বিকাশ এবং প্রজন্মের মধ্যে মূল্যবোধ গড়ে তোলাই তার কাজের মূল লক্ষ্য। তিনি মনে করেন, ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে সমাজের কল্যাণে অবদান রাখাই প্রকৃত অর্জন।

ব্যক্তিগত জীবনে তার স্ত্রী মিতা তাহের যুক্তরাজ্যের পরিচিত কণ্ঠশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। দুই পুত্র ও এক কন্যাসন্তানসহ তারা বর্তমানে লন্ডনে বসবাস করছেন।

Friday, 15 September 2023

লন্ডনে ২দিনব্যাপী বাংলাদেশ বইমেলা সম্পন্ন

লন্ডনে ২দিনব্যাপী বাংলাদেশ বইমেলা সম্পন্ন

সফলভাবে শেষ হল দুইদিনব্যাপী ১১তম বাংলাদেশ বইমেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৩, লন্ডন   ________________________  


সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য এর উদ্যোগে- লেখক-পাঠক,প্রকাশক, সাংবাদিক, সাহিত্যপ্রেমী ও শুভানুধ্যায়ীদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে দুদিনব্যাপী ১১তম  বাংলাদেশ বইমেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৩। ১০ই সেপ্টেম্বর রবিবার  ইস্টলন্ডনের দ্যা আর্ট প্যাভিলিয়ন, মাইল এন্ড- পার্কে উদ্বোধনী অধিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় দুইদিনব্যাপী বাংলাদেশ বই মেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব।  দুপুর ২.৩০ মিনিটে ফিতা কেটে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত  রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা বিজ্ঞানী একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী  ড. নুরুন নবী, ডেপুটি হাইকমিশনার জনাব হযরত আলী খান, বিজ্ঞানী ড. জীনাত নবী, তাইসির মাহমুদ( জেনারেল সেক্রেটারি, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব)সহ পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি- সাহিত্যিক এবং প্রকাশক, লেখক পাঠক, সাংবাদিক সহ সাহিত্যপ্রেমী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ।  সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্য-সংগঠন উদিচী ও সত্যেন সেন স্কুলের শিল্পীদের  জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় উদ্বোধনী পর্ব। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবি এ কে এম আব্দুল্লাহর সঞ্চালনায় উদ্বোধনী পর্বে, সভাপতি কবি ময়নূর রহমান বাবুল, আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানান। এ সময় রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন ‘লন্ডনে এমন ব্যাপক পরিসরে  বই মেলার উদ্বোধনী  করতে পেরে সত্যিই আমি আনিন্দিত  বাংলাদেশের বাইরে এত সুন্দর আয়োজন  আমাকে মুগ্ধ করেছে’। ড. নুরুন নবী বলেন, ‘ আমি এই মেলায় অংশগ্রহণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত। বহর্বিশ্বে এ ধরনের বিশাল বইমেলায় অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত। আমি মুক্তধারার বইমেলা আয়োজনের সাথে জড়িত। এত ব্যাপক আয়োজন কতটুকু কষ্টসাধ্ তা বুঝতে পারি। এরপরও দেশের বাইরে আমাদের সাহিত্য সংস্কৃতি বিকাশে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই”। উদ্বোধনী পর্ব শেষে অতিথিরা মেলায় বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন সহ বাংলাদেশ থেকে আগত প্রকাশনীস্টল পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত প্রকাশকদের সাথে কথা বলেন। মেলায় ১৭টি স্টল এবং স্টেজের সৃজনশীলতায় ভূয়াসী প্রশংসা করেন।

উল্লেখ্য, ১১তম বাংলাদেশ বইমেলা উপলক্ষ্যে প্রকাশিত হয়েছে প্রায় ২১টি প্রকাশনা। মেলায় প্রায় ১৯টি প্রকাশিত বই ২টি লিটলম্যাগের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এছাড়া মূল মঞ্চে সংগঠনের প্রকাশনা “তৃতীয় বাংলা” ২য় সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পুরোদিন জুড়ে সাহিত্য- সংস্কৃতি প্রেমীদের পদচারনায় মুখরিত ছিল মেলা প্রাঙ্গন। উপস্থিত সকলেই মেলায় অংশগ্রহণ করতে পেরে খুবই খুশি বলে অনুভুতি প্রকাশ করেন। 


দুদিনব্যাপী বইমেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসবে ছিল আলোচনা, শিশুদের পরিবেশনা, মোড়ক উন্মোচন, নৃত্য,কবিতা আবৃত্তি, স্বরচিত কবিতাপাঠ, সংগীত সহ নানা আয়োজন।  “বহির্বিশ্বে বাংলা সাহিত্য চর্চার সাম্প্রতিক প্রবণতা” এবং “বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিলাতের নারী সমাজের ভূমিকা” শির্ষক দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার পুরো মেলাকে অনন্য করে তোলে। অ্যাপাসেন লার্নার্স কালচারালাল গ্রুপের পরিবেশনা (লার্নিং ডিসিবিলটি শিল্পীদের সংগীত পরিবেশনা) ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও উচ্ছ্বাসিত। এই পরিবেশনা মেলায় নিয়ে আসে এক নতুন মাত্রা।এধরনের অনুষ্ঠানের সুযোগ করে দেয়ায় সকলেই ভূয়াসী প্রসংশা করেন।আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন ড. নুরুন নবী ( বীর মুক্তিযোদ্ধা,বিজ্ঞানী, লেখক),  রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা( বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী),হযরত আলী খান(ডেপুটি হাইকমিশনার), ড. জিনাত নবী(বিজ্ঞানী, লেখক), সুলতান মাহমুদ শরীফ,সৈয়দ ( বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবীদ), সামাদুল হক(সাংবাদিক , ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাংলা টিভি), ফরিদুর রহমান(বিশিষ্ট সাংবাদিক, চিন্তাবীদ, মুক্তিযোদ্ধা) অরণ্য আনোয়ার ( নাট্য নির্মাতা, স্ক্রিপ্ট রাইটার), মাহমু হাসান (এমবিই), সালেহা চৌধুরী (বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক), শাগুফতা শারমিন তানিয়া( কথা সাহিত্যিক), বুলবুল হাসান(সাংবাদিক), সেজুতি মনসুর( ইয়াং রাইটার) প্রমুখ। আলোচনা পর্বটি পরিচালনা করেন বাচিক শিল্পী মুনিরা পারভিন। 

সংগঠনের পক্ষ থেকে এবছর সম্মাননা পদক (সাহিত্যে ) কবি, সাংবাদিক জনাব হামিদ মোহাম্মদকে প্রদান করা হয়। বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পীদের আবৃত্তি এবং বিভিন্ন শহর থেকে আসা কবিদের স্বরচিত কবিতাপাঠ সবাই মুগ্ধ করে রাখে। 
বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন নবীর সাথে মুক্তযুদ্ধ বিষয়ক কথোপকথন অনুষ্ঠানে ৭জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণ ও স্মৃতিচারণ পুরো আয়োজনকে নান্দনিক করে তোলে। 
সমাপ্তি পূর্ব  বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী উপস্থিত প্রকাশকদের হাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট তোলে দেয়া হয়। প্রকাশকদের পক্ষ থেকে সময় প্রকাশনীর কর্নধার জনাব ফরিদ আহমদ মেলা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন প্রবাসে এধরনের উৎসবমুখর বইমেলা দেখে আমি অভিভূত। 

বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণ করেন- মিলটন রহমান, আমিনা আলী, ফারুক আহমদ, সুজাত মনসুর,ইকবাল হোসেন বুলবুল, ফারাহ নাজ, মোস্তফা জামান চৌধুরী, আবু মকসুদ,হেনা বেগম, নাজ নাঈম। 

১০ ও ১১সেপ্টেম্বর, রবিবারে শুরু হওয়া বইমেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব সোমবার রাত সাড়ে দশটায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত হয়।

Friday, 25 August 2023

১১তম বইমেলা উপলক্ষে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

১১তম বইমেলা উপলক্ষে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত



১১তম বাংলাদেশ বইমেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৩ উপলক্ষে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বুধবার (২৩শে আগস্ট) বাংলাদেশ হাইকমিশনে সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে আসন্ন ১১তম বাংলাদেশ বইমেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব উপলক্ষে মাননীয় হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম- এর সাথে আগামী ১০ ও ১১ই সেপ্টেম্বর আর্ট প্যাভিলিয়ন- মাইল এন্ড-এ অনুষ্ঠিতব্য বইমেলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তিনি গতবারের ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব অত্যন্ত নান্দনিক ও সৃজনশীলতায় ভরপুর এবং সফলভাবে আয়োজনের জন্য সংগঠেনর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

সংগঠনের সকল কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, ‘প্রবাসে শতব্যস্ততায় মাঝেও আপনারা বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা করছেন, এ ধারা যেন অব্যাহত থাকে। এতে আমাদের এখানে বেড়ে ওঠা প্রজন্ম খুঁজে পাবে তাদের শিকড়’।


আসন্ন বইমেলায় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন-সহ সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হযরাত আলী খান, কাউন্সিলর মৌমিতা জীনাত। সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন  সভাপতি ময়নূর রহমান বাবুল, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ছোটন, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আব্দুল্লাহ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোসাইদ খান, ইসি সদস্য আতাউর রহমান মিলাদ।