সিলেটের দুই হাসপাতালকে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি প্রদান

সিলেটের দুই হাসপাতালকে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি প্রদান



সিলেটের ২টি হসপিটাল-সহ সারাদেশের ৭৮টি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস শনাক্তে অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হলে সময় এবং খরচ বাঁচবে।

আরও পড়ুনঃ সময় ও খরচ বাঁচাতে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন।

বোরবার (১৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুমতি পাওয়া ৭৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সিলেট নগরীর ২টি হচ্ছে সােবহানীঘাটের ওয়েসিস হসপিটাল ও ইবনে সিনা হাসপাতাল।

রোববার জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উপযুক্ত বিষয় ও সূত্রের আলােকে নিম্নবর্ণিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে (সাতাত্তরটি) নির্ধারিত শর্তাবলী প্রতিপালন সাপেক্ষে কোভিড-১৯ রােগ নির্ণয়ের এ অনুমােদন দেওয়া হলাে।


টেস্ট করার ক্ষেত্রে শর্তসমূহ হচ্ছেঃ

১. কোভিড-১৯ এর উপসর্গ/ লক্ষণযুক্ত (সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, মাথা ব্যাথা, নাকে ঘ্রান না পাওয়ায়, মুখে স্বাদ না পাওয়া, ডায়রিয়া ইত্যাদি) ব্যক্তি এবং বিগত ১০ দিনের মধ্যে কোভিড পজিটিভ রােগীর সরাসরি সংস্পর্শে এসেছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হবে।

২. এন্টিজেন টেস্টের রিপাের্ট পজিটিভ হলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের (DHIS-2) সার্ভারে এন্ট্রি দিতে হবে। লক্ষণযুক্ত ব্যক্তির এন্টিজেন টেস্টের রিপাের্ট নেগেটিভ হলে রিপাের্ট না দিয়ে আরটি-পিসিআর ল্যাব হতে টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে এবং ওই রিপাের্ট DHIS -2 এন্ট্রি দিতে হবে।

৩. অনুমােদিত কীটের নামসমূহ: Standard Q COVID-19 Ag Test kits- SD BIOSENSOR (South Korea) ও PANBIO (USA).

৪. পরীক্ষার সর্বোচ্চ মূল্য: ৭০০/- (সাতশত টাকা)। বিশেষক্ষেত্রে বাসা হতে নমুনা সংগ্রহে অতিরিক্ত চার্জ ৫০০/- (পাচঁশত টাকা) রাখা যেতে পারে। একের অধিক সদস্যের নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রেও চার্জের পরিমাণ ৫০০/- টাকার অধিক হবে না।

আরও পড়ুনঃ সময় ও খরচ বাঁচাতে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন।

৫. রিপাের্টিংয়ের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমআইএস শাখা হতে আইডি, পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ফোকাল পার্সন (ডা. অনুপম, এমআইএস, মােবাইন নম্বর- ০১৩২১১৭৩৮৬০। ই-মেইল- dr.anupom@mis.dghs.gov.bd) এর সঙ্গে যােগাযােগ করার নির্দেশ দেওয়া হলাে। এসব প্রতিষ্ঠানের একজন ফোকাল পার্সন থাকবে যিনি মেডিকেল অফিসার সমমর্যাদার হবেন।

৬. সব বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান (পরিচালক/সিভিল সার্জন/ইউএইচএফপিও) মহােদয়ের সঙ্গে যােগাযােগ করার নির্দেশ দেওয়া হলাে।

Previous Post Next Post