Saturday, 12 February 2022

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দুর্নীতি বিরোধী সোসাইটির সিলেট জেলা কমিটি গঠিত

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দুর্নীতি বিরোধী সোসাইটির সিলেট জেলা কমিটি গঠিত


আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দুর্নীতি বিরোধী সোসাইটি'র (রেজি নং এস-৯০২৩) সিলেট জেলা কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে অ্যাডভোকেট মুজাক্কির হোসেনকে সভাপতি ও আবরার আহমদ চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সিলেট জেলা কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

শুক্রবার (১১ ফ্রেবুয়ারি) রাতে সংগঠনের ঢাকাস্থ (বাড়ি  ৯৭১/এ-১ রোড, ব্লক-১১ জি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ঢাকা ১২২৯) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব  মো. মনিরুল ইসলাম রিপন ও কেন্দ্রীয় সহ-নির্বাহী পরিচালক জুশেফ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এবং সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক আতাউর  রহমান কাওছারের প্রস্তাবিত কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হচ্ছেন, সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমদ, সহ-সভাপতি হাজী মাসুক মিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক দিপকলাল পুরকায়স্থ পলাশ, জেলা প্রশাসনিক সমন্বয়ক মো. ছানার আলী সানওয়ার, জেলা আন্তর্জাতিক সমন্বয়ক মাইদুল ইসলাম সোহাগ, জেলা আইন মানবাধিকার সমন্বয়ক সালমান কাদের দিপু, জেলা অর্থনৈতিক সমন্বয়ক রবিউল ইসলাম মাছুম, জেলা সহ-অর্থনৈতিক সমন্বয়ক জাবের সরদার, জেলা উন্নয়ন তথ্য সংগ্রহকারী জালাল উদ্দিন, জেলা পরিবেশ উন্নয়ন সমন্বয়ক হাফিজ আব্দুল হাকিম, জেলা শিক্ষা ও গবেষণা সমন্বয়ক ফেরদাউস আলী, জেলা সমাজ কল্যাণ সমন্বয়ক আতহার আলি, জেলা জনস্বাস্থ্য সমন্বয়ক আব্দুল আজিজ, জেলা সিনিয়র তথ্য সংগ্রহকারী শাহজাহান গাজী, জেলা মানবাধিকার ট্রেইনার দেওয়ান জাকি, জেলা প্রকাশনা সমন্বয়ক জামিল রানা তালুকদার জাবেদ, জেলা প্রকল্প সমন্বয়ক ইকবাল আহমেদ, জেলা কার্যনির্বাহী সদস্য কামরান উজ্জামান ও জেলা সদস্য শামছুল ইসলাম।

উল্লেখ্য,  আন্তজার্তিক মানবাধিকার দুর্নীতি বিরোধী সোসাইটি (গভঃরেজি নংঃ এস-৯০২৩) আইনের শাসন ও সর্বস্তরে শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ মানবাধিকার উন্নয়ন ও সংরক্ষণে নিবেদিত একটি স্বেচ্ছাসেবী, অরাজনৈতিক ও অলাভজনক মানবাধিকার বিষয়ক এবং নির্যাতন দুর্নীতি বিরোধী আন্তঃমহাদেশীয় ও এশিয়ার বৃহত্তর আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। জাতিসংঘ মানবাধিকার সনদ (Bill of Rights) এর উপর ভিত্তি করে ২০০৯ইং সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এনজিও বিষয়ক ব্যুরো এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত জয়েন্ট স্টক অব কোম্পানিজ এন্ড ফার্ম এর অধীনে রেজিস্টার্ড প্রাপ্ত হয়।

অহিংসার প্রতিপাদ্যে বিশ্বাসী, সংস্থার  সারাদেশে প্রতিটি জেলা শাখা, মহানগর, উপজেলা/থানা ও পৌরসভা শাখায় রয়েছেন হাজারো সদস্য। যারা প্রতিনিয়ত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাসহ মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। দেশের বরেণ্য তথা বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যথাক্রমে শিক্ষাবিদ, আইনবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসকসহ বিশিষ্ট সমাজ সেবীগণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দুর্নীতি বিরোধী সোসাইটির সদর দপ্তর ও শাখাগুলোতে সদস্য/সদস্যা হিসেবে অন্তর্ভূক্ত রয়েছেন। 

সারা দেশের প্রতিটি শাখা তথা শাখার সদস্য/সদস্যারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমে সমাজের অন্যায়, অবিচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে তথা আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। সোসাইটির  প্রতিটি শাখা নিজ নিজ ক্ষেত্রে মানবাধিকার উন্নয়ন ও সংরক্ষণকল্পে অসহায় নারী-পুরুষদের বিনামূল্যে আইনগত সাহায্যের লক্ষ্যে সালীশির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান, প্রশাসনের মাধ্যমে মানবাধিকার লংঘন রোধ, বিভিন্ন মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা তদন্ত ও নিরপেক্ষ প্রতিবেদন তৈরী করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ, মানবাধিকার ম্যাগাজিন নিয়মিত প্রকাশ, নির্যাতিতদের পক্ষে আদালতে মামলা দায়ের করে অধিকারহীন নারী-পুরুষের অধিকার আদায়ের ব্যবস্থা করা, মানবাধিকার বিষয়ে সচেনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সেমিনার, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা, মানবাধিকার বিষয়ক বিভিন্ন পুস্তিকা লিফলেট ও পোস্টার প্রকাশনা, সকল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা, আত্মনির্ভরশীল প্রকল্প চালু করা এবং দুর্যোগকালীন সময়ে দূর্গতদের পাশে এগিয়ে আসা-সহ বহুমুখী কর্মসূচি অব্যাহত ভাবে পালন করে চলেছে।
আলোচনা ফলপ্রসু, জানালেন শাবির আন্দোলনকারীরা

আলোচনা ফলপ্রসু, জানালেন শাবির আন্দোলনকারীরা


শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে প্রেসব্রিফিংয়ে তারা এ ঘোষণা দিয়েছেন। তবে আন্দোলন চলবে কি না, সে ব্যাপারে তারা শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে শনিবার বিকেল ৪টায় আবারও প্রেসব্রিফিং করে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।

শাবির ভিসি অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা দাবির প্রেক্ষিতে প্রায় এক মাস ধরে চলমান আন্দোলনের ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে শুক্রবার সকালে সিলেট এসে পৌঁছান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি দুপুর আড়াইটা থেকে প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টার ম্যারাথন বৈঠক করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ১১ জন প্রতিনিধি সাথে। ব্ঠৈকে শাবি ভিসির পদত্যাগসহ শিক্ষার্থীদের ৭দফা দাবি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

এরপর শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন ভালো আলোচনা হয়েছে। তাদের সব দাবি পূরণযোগ্য কেবল ভিসির পদত্যাগের বিষয়টি ছাড়া। সেটির এখতিয়ার কেবলমাত্র রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের।

রাত ৯টায় শিক্ষার্থীদের প্রেসব্রিফিংয়েও তারা একই কথা বলেছেন। আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে। আর শিক্ষামন্ত্রী আচার্যকে ভিসির ব্যাপারে তাদের অসন্তোষের কথা জানানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

তবে আন্দোলন চলবে না স্থগিত থাকবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাব দিতে হিমসিম খেয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এক পর্যায়ে তারা বলতে বাধ্য হয়েছেন যে, আপাতত শনিবার বিকেল ৪টায় প্রেসব্রিফিংয়ের আগ পর্যন্ত তারা কর্মসূচি পালন থেকে বিরত থাকছেন।

প্রেসব্রিফিংয়ে তারা জানিয়ে দিবেন, শনিবারের পর থেকে তারা আন্দোলনে থাকবেন কি থাকবেন না।

 
শাবি ভিসিকে দুঃখ প্রকাশের আহবান শিক্ষামন্ত্রীর

শাবি ভিসিকে দুঃখ প্রকাশের আহবান শিক্ষামন্ত্রীর


শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যা ঘটেছে তা কারো জন্য কাম্য নয়। এজন্য উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে সব মহলের কাছে দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য কোন সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত তাকে তার দায়িত্ব পালন করে যেতে বলেছেন তিনি।  

আজ শুক্রবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি ) রাত ৮টায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বৈঠক শেষে শাবির কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এর আগে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ প্রতিনিধি দল ক্যাম্পাসে আসে।

সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসতে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন। বৈঠক শেষে ৭টা ৩৫ মিনিটে শিক্ষামন্ত্রী, ভিসিসহ প্রতিনিধিরা ক্যাম্পাস ছাড়েন। 

এর আগে বিকালে সিলেট সার্কিট হাউসে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের অপসারণে শিক্ষার্থীদের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে জানানো হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতিই উপাচার্যের নিয়োগ বা অপসারণের সিদ্ধান্ত দেন। এ কারণে শাবি উপাচার্যের অপসারণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সব বক্তব্য রাষ্ট্রপতির কাছে আমি তুলে ধরব।

Tuesday, 8 February 2022

সহস্রাধিক মানুষের ঢলে আল্লামা হাবিবুর রহমানের শেষ বিদায়

সহস্রাধিক মানুষের ঢলে আল্লামা হাবিবুর রহমানের শেষ বিদায়

প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, ইছামতি কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়খুল হাদিস আল্লামা হাবিবুর রহমানের জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার সময় থানাবাজার সংলগ্ন উত্তর মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় বিপুল সংখক মুসল্লী অংশ নেন। 

জানাযায় ইমামতি করেন মাওলানা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী।

এর আগে, প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, ইছামতি কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়খুল হাদিস আল্লামা হাবিবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি .. রাজিউন)। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জকিগঞ্জের বাড়িতে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

সবার কাছে ‘মুহাদ্দিস ছাহেব’ নামে খ্যাত শাইখুল হাদীস আল্লামা হবিবুর রহমান জকিগঞ্জের রারাই গ্রামে ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা এলাকার খ্যাতিমান আলিমে দীন মরহুম মাওলানা মুমতায আলী ও মাতা মরহুমা আমিনা খাতুন। ৭ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়।

তিনি ইছামতি দারুল উলুম সিনিয়র মাদরাসায় অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম ও একান্ত প্রচেষ্টা ইছামতি মাদরাসা পূর্ব সিলেটের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। তাঁর একক প্রচেষ্টায় মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়। আলিম, ফাজিল ও কামিল ক্লাশের সরকারি মঞ্জুরি এবং স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ইছামতি মাদরাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সৎপুর কামিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা শায়খুল হাদিস ছিলেন।

অর্ধ শতাব্দীরও অধিককাল ধরে ইলমে হাদীসের খিদমতে নিয়োজিত এ মনীষী অধ্যাপনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে কুরআন-হাদীসের শিক্ষা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মাহফিলে বয়ান পেশ করতেন।

Monday, 7 February 2022

আল্লামা হাবিবুর রহমানের জানাজা মঙ্গলবার

আল্লামা হাবিবুর রহমানের জানাজা মঙ্গলবার



প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, ইছামতি কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়খুল হাদিস আল্লামা হাবিবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি .. রাজিউন)। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জকিগঞ্জের বাড়িতে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে, ৩ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন, গুণগ্রাহী এবং হাজার হাজার ছাত্র রেখে গেছেন।

মরহুমের জানাযা মঙ্গলবার বিকেল ৩টার সময় থানাবাজার সংলগ্ন উত্তর মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রখ্যাত আলেমের ইন্তেকালে জকিগঞ্জ তথা সিলেটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সবার কাছে ‘মুহাদ্দিস ছাহেব’ নামে খ্যাত শাইখুল হাদীস আল্লামা হবিবুর রহমান জকিগঞ্জের রারাই গ্রামে ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা এলাকার খ্যাতিমান আলিমে দীন মরহুম মাওলানা মুমতায আলী ও মাতা মরহুমা আমিনা খাতুন। ৭ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়।

তিনি ইছামতি দারুল উলুম সিনিয়র মাদরাসায় অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম ও একান্ত প্রচেষ্টা ইছামতি মাদরাসা পূর্ব সিলেটের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। তাঁর একক প্রচেষ্টায় মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়। আলিম, ফাজিল ও কামিল ক্লাশের সরকারি মঞ্জুরি এবং স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ইছামতি মাদরাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সৎপুর কামিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা শায়খুল হাদিস ছিলেন।

অর্ধ শতাব্দীরও অধিককাল ধরে ইলমে হাদীসের খিদমতে নিয়োজিত এ মনীষী অধ্যাপনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে কুরআন-হাদীসের শিক্ষা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মাহফিলে বয়ান পেশ করতেন।
প্রখ্যাত আলেম আল্লামা হাবিবুর রহমানের ইন্তেকাল

প্রখ্যাত আলেম আল্লামা হাবিবুর রহমানের ইন্তেকাল


প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, ইছামতি কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়খুল হাদিস আল্লামা হাবিবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি .. রাজিউন)। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জকিগঞ্জের বাড়িতে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

মরহুমের জামাতা মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী এই তথ্য জানিয়েছেন।

সবার কাছে ‘মুহাদ্দিস ছাহেব’ নামে খ্যাত শাইখুল হাদীস আল্লামা হবিবুর রহমান জকিগঞ্জের রারাই গ্রামে ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা এলাকার খ্যাতিমান আলেমে দ্বীন মরহুম মাওলানা মুমতায আলী ও মাতা মরহুমা আমিনা খাতুন। ৭ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়।

তিনি ইছামতি দারুল উলুম সিনিয়র মাদরাসায় অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম ও একান্ত প্রচেষ্টা ইছামতি মাদরাসা পূর্ব সিলেটের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। তাঁর একক প্রচেষ্টায় মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়। আলিম, ফাজিল ও কামিল ক্লাশের সরকারি মঞ্জুরি এবং স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ইছামতি মাদরাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সৎপুর কামিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা শায়খুল হাদিস ছিলেন।

অর্ধ শতাব্দীরও অধিককাল ধরে ইলমে হাদীসের খিদমতে নিয়োজিত এ মনীষী অধ্যাপনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে কুরআন-হাদীসের শিক্ষা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মাহফিলে বয়ান পেশ করতেন। 
ঘরের মাঠেও খুলনার কাছে ধরাশায়ী সিলেট

ঘরের মাঠেও খুলনার কাছে ধরাশায়ী সিলেট



ঘরের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই নাটকীয়তার জন্ম দিল সিলেট সানরাইজার্স। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত একাদশে থাকলেও টস করতে নামলেন ইংল্যান্ডের রবি বোপারা। পরে জানানো হলো, অধিনায়ক দায়িত্ব সামলাবেন এই অলরাউন্ডার। নেতৃত্ব কাঁধে নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিলেন বোপারা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও বল টেম্পারিং করলেন তিনি। ধরা পড়ায় ৫ রানর পেনাল্টি গুণতে হলো সিলেটকে। 

এমন নাটকীয় ম্যাচে মাঠের লড়াইয়েও খানিক নাটক জমলো। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৩৬ রান প্রয়োজন হলে কামরুল ইসলাম রাব্বিকে টানা ৩টি ছয় মারেন আলাউদ্দিন বাবু। যদিও শেষরক্ষা হয়নি সিলেটের। আগে ব্যাট করে সৌম্য সরকার আর মুশফিকুর রহিমের ঝড়ো ফিফটিতে স্কোরবোর্ডে ১৮২ রানের বিশাল পুঁজি পায় খুলনা টাইগার্স। এই লক্ষ্য টপকাতে নেমে পরে ১৬৭ রানে থামে সিলেটের ইনিংস। এতে ১৫ রানের জয় পায় খুলনা। 

এই জয়ের ফলে ৭ ম্যাচে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট খুলনার। অন্যদিনে সমান ৭ ম্যাচে সিলেটের অর্জন মাত্র ৩ পয়েন্ট। 
 
যদিও ১৮৩ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমে ভালো শুরু পেয়েছিল সিলেট। উদ্বোধনী জুটিতে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৪১ রান যোগ করেন এনামুল হক বিজয় ও লেন্ডন সিমন্স। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে সিমন্স ১৭ বলে ১০ রান করে আউট হলে ভাঙে এই পার্টনারশিপ। এরপর ফিফটির পথে ছুঁটতে থাকেন বিজয়। তবে ৩ রানে আক্ষেপে ৩৩ বলে ৪৭ রানে থামতে হয় তাকে। যেখানে সমান ৩টি করে চার-ছক্কা আসে বিজয়ের ব্যাট থেকে। 

এরপর ১৩ রানের মধ্যে আরো দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বসে তারা। মোহাম্মদ মিঠুন ৮ বলে ২ আর রবি বোপারা সাজঘরে ফেরেন শূন্য রানে। ৭৩ রান ৪ উইকেট হারানো দলটির হাল ধরেন কলিং ইনগ্রাম ও মোসাদ্দেক। তবে চাহিদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে পারেননি তারা। শেষদিকে হাত খুলে খেলতে গিয়ে খালেদ আহমেদের বলে আউট হন ইনগ্রাম। ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৩৭ রানে থামেন তিনি। এতে পঞ্চম উইকেটে ভাঙে ৫৮ রানের পার্টনারশিপ। 

মোসাদ্দেকের ২২ বলে ৩৯ এবং আলাউদ্দিন বাবুর ৭ বলে ২৫ রানের কল্যাণে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রানে থামে সিলেটের ইনিংস। এতে ১৫ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে খুলনা। ব্যাটিংয়ে অনবদ্য ৮২ রানে ইনিংস খেলার পর বল হাতেও ২ উইকেট নেন সৌম্য সরকার। 

এর আগে টস জিতে খুলনা টাইগার্সকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান সিলেটের নতুন অধিনায়ক রবি বোপারা। প্রথম ওভারে দুটি উইকেটের পতন ঘটিয়ে সিলেট পায় স্বপ্নের মতো শুরু। ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার রান আউট হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন ১ রান করে। আরেক ওপেনার শেখ মেহেদী হাসান রানের খাতা খুলতে পারেননি। সোহাগ গাজীর বলে আউট হন অলক কাপালির হাতে ক্যাচ দিয়ে। 

ইনিংসে প্রথম ওভারেই ২ ওপেনারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে খুলনা। পরে সৌম্য সরকার আর ইয়াসির আলীর ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ১৮ বলে ২৩ রান করে ইয়াসির বিদায় নিলে ভাঙে ৪৫ রানের জুটি। এরপর সৌম্যর সাথে দলের হাল ধরেন মুশফিক। নবম ওভারে বল টেম্পারিংয়ের কারণে ৫ রান জরিমানা গুণে সিলেট। তাতে যেন মোমেন্টামও হারিয়ে ফেলে দলটি। খুলনার আর কোনো উইকেটের পতন ঘটাতে পারেনি স্বাগতিক বোলাররা।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৮৪ বলে ১৩৬ রান যোগ করেন দুজন। মাঝে দুজনেই তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। সৌম্য ৬২ বলে ৪টি করে চার-ছক্কায় ৮২ এবং মুশফিক ৩৮ বলের মোকাবেলায় ৬টি চার ও ২টি ছক্কার সহায়তায় ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে খুলনার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৮২ রান। টুর্নামেন্টজুড়ে উজ্জ্বল থাকলেও আজ বল হাতে পাননি নাজমুল ইসলাম অপু। দলের পক্ষে সোহাগ গাজী ও অভিষিক্ত একেএস স্বাধীন একটি করে উইকেট শিকার করেন।