Tuesday, 15 February 2022

জায়েদ-নিপুণের শুনানির দিন ফের পেছাল

জায়েদ-নিপুণের শুনানির দিন ফের পেছাল


চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির (এফডিসি) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে জায়েদ নিপুণের দ্বন্দ্বের আজও কোনো সুরাহা হয়নি। এ বিষয়ে হাইকোর্টে দায়ের হওয়া রিটের রুল শুনানির দিন ফের পিছিয়েছে।

শুনানির জন্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।  

এর আগে সোমবার চিত্রনায়ক জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে চেম্বারজজ আদালতের জারি করা স্থিতাবস্থাও বহাল রাখা হয়।

সে হিসেবে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ শূন্যই থাকছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিপুণকে ১৩ ভোটে হারিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। ফল না মেনে নির্বাচনের সময় ‘ভোট কেনার’ অভিযোগ তুলে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেন অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার। 

এমনকি এ পদে পুনরায় ভোটের দাবিও তোলেন তিনি। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জায়েদ খানের পদ বা প্রার্থিতা বাতিল হবে কী না- সে বিষয়ে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে এফডিসিতে বসেন শিল্পী সমিতির আপিল বোর্ড। 

অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার দায়ে বিজয়ী প্রার্থী জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করেন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান।একই সঙ্গে নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দেন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। 

এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন জায়েদ খান। ৭ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন নিপুণ। ৯ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থা জারি করেন চেম্বার আদালত।

নিপুণের আবেদনটি ১৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনে ওই সময়ে দুই পক্ষকে (নিপুণ ও জায়েদ) স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দেন। কিন্তু ধার্য তারিখে (১৩ ফেব্রুয়ারি) লিভ টু আপিল করার কথা জানান নিপুণের আইনজীবী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি শুনানির জন্য ছিল।

পরের দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে চেম্বার আদালতের আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থাও বহাল রাখা হয়। পাশাপাশি এ বিষয়ে জারি করা রুল হাইকোর্টকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন আদালত। তারই ধারাবাহিকতায় আজ রুল শুনানি হওয়ার কথা ছিল। 

Monday, 14 February 2022

ইসির জন্য প্রস্তাবিত তালিকায় ৩২২ জনের নাম

ইসির জন্য প্রস্তাবিত তালিকায় ৩২২ জনের নাম


নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে অনুসন্ধান কমিটি যোগ্য ব্যক্তি বাছাইয়ে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্নভাবে ৩২২ জনের নামের প্রস্তাব পেয়েছে।

অনুসন্ধান কমিটির সাচিবিক দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে সোমবার রাত ৮টার পর প্রস্তাবিত নামগুলো প্রকাশ করা হয়। যদিও আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কারা এসব ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করেছে তা প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে গত রোববার বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে বৈঠকে অনুসন্ধান কমিটির সভাপতি ও আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান প্রস্তাবিত নাম প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে যেসব রাজনৈতিক দল আগের সময় অনুযায়ী নাম জমা দিতে পারেনি, তাদেরও নাম দিতে আজ বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়।

তালিকায় যারা রয়েছেন:

অজয় দাস গুপ্ত, সাংবাদিক; অ্যাডভোকেট আব্দুল মোতালেব মিয়া, অ্যাডভোকেট; অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, মানবাধিকারকর্মী, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এম শামীম জেড বসুনিয়া,  প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন; অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, ভিসি, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি; অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক; অধ্যাপক আবদুল মান্নান, সাবেক চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, অধ্যাপক এ কে এম মোস্তাফা জামান, অধ্যাপক; অধ্যাপক জাকিয়া পারভীন, অধ্যাপক, ঢাবি; অধ্যাপক ড. আবু সালেহ মাহফুজুল বারী, রোগবিদ্যা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. আবদুল আউয়াল বিশ্বাস, সাবেক ডিন নৃবিজ্ঞান বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. এ এ মামুন, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. কাজী খসরুল আলম কুদ্দুসী, লোকপ্রশাসন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্বাবদ্যালয়, অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান, সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার; অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীন, আন্তর্জাতিক ব্যবসায় বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. মো. সাইদুজ্জামান, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, শিক্ষাবিদ; অধ্যাপক ড, সরকার আলী আক্কাস, আইন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য; অধ্যাপক ড: জহুরুল আলম, শিক্ষাবিদ ও গবেষক; অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহম্মদ, অধ্যাপক ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ; অধ্যাপক ডা: সেলিমুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ডা. সুফিয়া রহমান, সাবেক উপদেষ্টা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার; অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অশোক কুমার বিশ্বাস, সাবেক সচিব; আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সাবেক ভিসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; আখতারী মমতাজ, সচিব (অব.); আনিসুর রহমান, সিনিয়র সচিব (অব.); আব্দুর রশিদ, প্রাক্তন বিচারপতি; আবু আলম শহীদ খান, সাবেক সচিব; আবু বকর সিদ্দিকী, সাবেক বিচারপতি; আবুল হাশেম, আইনজীবী; উজ্জল বিকাশ দত্ত, সাবেক সচিব; এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী, সাবেক বিচারপতি; একেএম মনোয়ার হোসেন আখন্দ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব; এ্যাডভোকেট শাহ মো. খসরুজ্জামান, সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুপ্রিম কোর্ট; এম হাসান ইমাম, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ; এস এম আব্দুল ওয়াহাব, অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব (বীর মুক্তিযোদ্ধা); এসএম হারুন-অর-রশীদ, অবসরপ্রাপ্ত বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (গ্রেড-১); এয়ার কমান্ডার (অব.) ইসফাক ইসলাম চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; এয়ার কমোডর শফিক এলাহী, রেজিস্ট্রার, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি; কাজী গোলাম মোস্তফা, পরিচালক, কে বি এন্টারপ্রাইজ, ময়মনসিংহ; কাজী রওশন আক্তার, সাবেক সিনিয়র সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; কাজী রিয়াজুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন; কাজী হাবিবুল আউয়াল, সাবেক সিনিয়র সচিব; কামরুন নাহার, সাবেক সচিব; কৃষিবিদ ইকবাল বাহার, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি; কৃষিবিদ এ. কে এম সাইদুল হক চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; কৃষিবিদ ওয়ারেস কবির, সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল; কৃষিবিদ ড. মো. আফজাল, প্রাক্তন অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়; কৃষিবিদ প্রফেসর ড. নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ, সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম ভেটেনারি এন্ড এনিমাল সাইন্স বিশ্ববিদ্যালয়; কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মো. মঞ্জুরুল আলম, প্রফেসর, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ; কৃষিবিদ মীর শহীদুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি; কৃষিবিদ মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, সাবেক প্রফেসর, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়; কৃষিবিদ মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি; খান মো. আবদুল মান্নান, সাবেক দায়রা জজ; খোন্দকার মিজানুর রহমান, যুগ্ম সচিব (অব.), বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়; খন্দকার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সচিব (অব.); খন্দকার হাসান শাহরিয়ার, অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট; গাজী মো. মহসিন, অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট, গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী, চেয়ারম্যান, অ্যাড.কম; ছহুল হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার, জালাল আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (অব.); জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূইয়া, সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান; অপরূপ চৌধুরী, সাবেক সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; অশোক মাধব রায়, সাবেক সচিব, আব্দুল্লাহ শাহাদাত খান, আইনজীবী; আব্দুল মালেক মিয়া, সাবেক সচিব; আব্দুল মতিন, চেয়ারপারসন, এডাব; আব্দুল হালিম, আইনজীবী; আবু সাঈদ খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক; আবদুল মালেক, সাবেক তথ্য সচিব; আবদুস সামাদ, সাবেক সিনিয়র সচিব; আবুল কালাম আজাদ, সাবেক মুখ্য সচিব; আশরাফ আলী, প্রবাসী; ইকরাম আহমেদ, সাবেক চেয়ারম্যান, পিএসসি; ইলিয়াস কাঞ্চন, চেয়ারম্যান, নিরাপদ সড়ক চাই; ইসরাইল হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, এ এ এম মনিরুজ্জামান, আইনজীবী, এ এইচ এম সাদিকুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান, ভূমি সংস্কার বোর্ড; এ কে এম শামসুল ইসলাম, সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট; এ এফ এম ইসমাইল চৌধুরী, চেয়ারম্যান, ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড সলিডারিটি ফাউন্ডেশন; এ এল এম আব্দুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত সচিব; এ কে এম শহীদুল হক, সাবেক আইজিপি, এজাজুর রসুল, আইনজীবী; এম কে রহমান, সাবেক অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল; এম জানিবুল হক, সাবেক অতিরিক্ত সচিব; এম সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার; এম এ হান্নান, প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন; এম নাজিম উদ্দিন আল-আজাদ, সাবেক মন্ত্রী; এম মোসাদ্দেক মোসেন, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইউনিমেড ইউনিহেলথ গ্রুপ; এস এম রেজাউল করিম, অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট; এস এম হারুন-উর-রশীদ, সাবেক মহাপরিচালক, বিটিভি; এস এম আব্দুল ওয়াহাব, যুগ্মসচিব (অব);কালাচাঁদ মন্ডল, সাবেক অতিরিক্ত সচিব; জ্যোতি বিকাশ বড়ুয়া, ফ্রি-ল্যান্স কনসালটেন্ট; জিল্লার রহমান, সাবেক সচিব; মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান, বীর প্রতীক পিএসসি (অব.); জেসমিন টুলি, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব; জহুরুল আলম, সাবেক অধ্যাপক; ড. এম শমসের আলী, শিক্ষাবিদ; ড. তোফায়েল আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ; ড. মো. নাসির উদ্দিন; তারিক-উল-ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত সচিব: 
শতভাগ পাসে আল-এমদাদ ডিগ্রি কলেজের অনন্য সাফল্য

শতভাগ পাসে আল-এমদাদ ডিগ্রি কলেজের অনন্য সাফল্য


এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য বয়ে এনেছে গোলাপগঞ্জের কুশিয়ারা তীরবর্তী ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল-এমদাদ ডিগ্রি কলেজ,চন্দরপুর। 

প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞান, মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে মোট ১৫৮জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এরমধ্যে ৬টি জিপিএ-৫ সহ ১৫৮জন পরীক্ষার্থীই কৃতিত্বের সহিত উত্তীর্ণ হয়েছেন।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছেন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগ থেকে মোট ২২জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ জন শিক্ষার্থী এবং অপর ১৭ জন শিক্ষার্থী A গ্রেড নিয়ে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল নিয়ে এসেছেন। এবং মানবিক বিভাগ থেকে ১১৭ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়ছেন ১জন। এছাড়া ১৯ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ৮টি A গ্রেড-সহ সন্তোষজনক ফলাফল এসেছে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে।

সর্বোপরি শতভাগ পাসের হারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক-অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ সকল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল আনতে পারে আমরা সর্বদাই সেদিকে লক্ষ্য রাখি। প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দও সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখেন। এবারের শতভাগ ফলাফলে আমরা সকলেই খুশি। ভবিষ্যতেও শতভাগ ফলাফলের সাথে জিপিএ-৫ বৃদ্ধি হবে, এমনটাই প্রত্যাশা রাখেন তিনি।
ইউএসএনের সিলেট বিভাগীয় প্রধান সমন্বয়কারী হলেন রোটারিয়ান রায়হানা বেগম চৌধুরী

ইউএসএনের সিলেট বিভাগীয় প্রধান সমন্বয়কারী হলেন রোটারিয়ান রায়হানা বেগম চৌধুরী

জাতীয় মানবাধিকার পরিবেশবাদী, সমাজ উন্নয়নমূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন United Social Network- USN সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষে রোটারিয়ান রায়হানা বেগম চৌধুরীকে সিলেট বিভাগীয় প্রধান সমন্বয়কারী করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো.মুজিব উল্ল্যাহ চৌধুরী তুষার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, সমাজের অবহেলিত মানুষগগুলোকে সঠিক রাস্তা দেখানোই United Social Network USN’র প্রধান কাজ। একতাবদ্ধ হয়ে দেশ ও সমাজের অসঙ্গতি নিয়ে কাজ করে সংগঠনটি। এছাড়া মানবাধিকার, শিক্ষা স্বাস্থ্য স্যানিটেশন,পরিবেশ ও জলবায়ু, ভূমি, অভিবাসন নিয়ে কাজ করে সংগঠনটি।

এদিকে মানুষের পাশে থেকে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, সুবিধা-অসুবিধা সরকারের নজরে এনে কাজ করতে এগিয়ে যাওয়া জন্য রোটারিয়ান রায়হানা বেগম চৌধুরীকে সিলেট বিভাগীয় প্রধান সমন্বয়কারী করা হয়। 
বাংলাদেশিদের পাঁচ হাজার ভিসা দেবে রোমানিয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশিদের পাঁচ হাজার ভিসা দেবে রোমানিয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



বাংলাদেশিদের পাঁচ হাজার ভিসা দেবে রোমানিয়া, এমনটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এ লক্ষ্যে ৬ সদস্যের একটি কনস্যুলার টিম বাংলাদেশে আসবে বলেও জানান তিনি। 

সোমবার এক বার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে তিন মাস ঢাকায় অবস্থান করবে তারা। এই প্রথম রোমানিয়া এই ধরনের কনস্যুলার মিশন পাঠাচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই টিম ৩৪০০ স্থগিত থাকা ভিসাসহ প্রায় ৫ হাজার ভিসা ইস্যু করতে ঢাকায় আসছেন। তাদের কিছু স্থানীয় সহায়তা প্রয়োজন। কারণ, এই প্রথম তারা বিদেশে এই ধরনের কনস্যুলার মিশন পাঠাচ্ছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে রোমানিয়ার কোনো মিশন নেই। দিল্লির মিশন থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে দেশটি। 
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে


করোনায় চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৮ হাজার ৮৩৮ জন। একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯২ জন। মোট রোগী শনাক্তের সংখ্যা ১৯ লাখ ১৪ হাজার ৩৫৬ জন।

সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে রোববার ২৮ জনের মৃত্যু হয়।শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৮৩৮ জন।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৩৪ হাজার ৬৪৯টি।পরীক্ষা করা হয় ৩৪ হাজার ৬৮৯টি। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ২৩৭ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৯২ জন।

এক দিনে মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১২ জন, নারী ৭ জন। ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ১০ জন।ময়মনসিংহে ২, চট্টগ্রামে ৩, সিলেটে ১, খুলনায় ১, বরিশালে ১, ও রংপুরে ১ জন মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এর ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। 
নিজ কন্যা সন্তানকে বালিশ চাপায় হত্যা করেন গোলাপগঞ্জের নাজমিন

নিজ কন্যা সন্তানকে বালিশ চাপায় হত্যা করেন গোলাপগঞ্জের নাজমিন


নুসরাত জাহান সাবিহা। বয়স ছিলো মাত্র ১৭ মাস। কিন্তু সে জানতো না- বোধশক্তি হওয়ার আগেই নিজের মায়ের হাতে উড়ে যাবে তার প্রাণবায়ু। 

নিজের গর্ভে ধরা এই সন্তানকে নিজ হাতে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করেন পাষণ্ড নাজমিন জাহানকে (২৮)। পুরো তিন মিনিট সাহিবার মুখে বালিশচাপা দিয়ে রেখে মৃত্যু নিশ্চিত করেন তিনি। পুলিশের দ্বিতীয় দফা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ তথ্য দেন নাজমিন। 

তথ্যটি সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান। 
 
তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নাজমিনকে আদালতে প্রেরণ করে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। তবে ৩ দিন মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডের প্রথম দিন শুক্রবারই সব কিছু স্বীকার করে পুলিশের কাছে জবানবন্দি দেন তিনি। যে কারণে আর বাকি দুইদিন রিমান্ড প্রয়োজন হয়নি। তাই শনিবার নাজমিনকে আদালতে প্রেরণ করলে সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুমন ভূঁইয়া তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। 

সিলেটে নিজের শিশুসন্তানকে হত্যার দায়ে গ্রেফতারকৃত নাজমিন জাহানকে (২৮) ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে তাঁকে আদালতে প্রেরণ করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ৩ দিন মঞ্জুর করেন সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুমন ভূঁইয়া। 

স্বামীর প্রতি ক্ষোভ ও নানা অভিযোগ ছিলো সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাদেপাশা ইউনিয়নের কালিকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. জিয়া উদ্দিনের মেয়ে নাজমিনের। স্বামীর কাছ থেকে ‘অযত্ন, অবহেলা আর অপবাদ’ পাওয়ার অভিযোগ তার। সে ক্ষোভ উগড়ে দেন নিজের ১৭ মাস বয়েসি শিশুসন্তান নুসরাত জাহান সাবিহার উপর। গত বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টার দিকে সাবিহাকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি। । 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত শিশু নুসরাত জাহান সাবিহার বাবা সাব্বির আহমদ সিলেট দক্ষিণ সুরমার বলদি এলাকার বাসিন্দা ও কাতার প্রবাসী। সম্প্রতি সাব্বির দেশে ছুটিতে এসেছেন। কিন্তু সাব্বিরের সঙ্গে নাজমিনের বনিবনা না থাকায় তিনি (নাজমিন) শাহপরাণ এলাকার নিপোবন-৪৯ এ আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন এবং একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। সঙ্গে তার ছোট বোন ও আগের স্বামীর ঘরের ১১ বছরের এক সন্তান থাকতেন। স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে বুধবার বেলা ২টার দিকে ১৭ মাস বয়েসি শিশু সাবিহার মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন নাজমিন। এসময় বিষয়টি দেখতে পেয়ে নাজমিনের কবল থেকে তার বোন ও প্রতিবেশী এক মহিলা শিশুটিকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাবিহাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

এসময় হাসপাতাল থেকে নাজমিন পালাতে চেষ্টা করলে উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে কোতোয়ালি থানার একদল পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। 

থানায় আসার পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাংবাদিকদের সামনে নিজের শিশুমেয়েকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দেন নাজমিন। এসময় তিনি বলেন, ২০১৫ সালের মে মাসে সাব্বির হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। বিয়ের ৬ মাস পর সাব্বির বিদেশে চলে যান। পরে তিনি শাহপরান এলাকার নিপোবন-৪৯ নং বাসায় থেকে সিলেটের একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করতে থাকেন। 

নাজমিনের অভিযোগ, বিদেশের যাওয়ার পর থেকে স্বামী সাব্বির আর তার খোঁজ নেননি। ভরণ-পোষণও করেননি। বিদেশে থাকা অবস্থায় সাব্বির পরিচিতজনদের মাধ্যমে নাজমিনকে ডিভোর্স দেওয়ার কথা বলতেন। এমন অবস্থায় চার বছর পর ২০২০ সালে দেশে আসেন সাব্বির। দেশে এসে নাজমিনকে বুঝিয়ে আবার সংসার শুরু করেন তিনি। তখন নাজমিন গর্ভবতী হন। তাকে গর্ভবতী রেখে সাব্বির আবারও কাতার চলে যান। তবে প্রবাসে যাওয়ার পরপরই গর্ভের সন্তান নিজের নয় বলে দাবি করেন সাব্বির। 

নাজমিন বলেন, আমি তখন ডিএনএ টেস্ট করার কথা বলি। কিন্তু এরপরও সাব্বির আমার বিরুদ্ধে পরিচিত সকলের কাছে কুৎসা রটাতে থাকে এবং আমাকে অপবাদ দিতে থাকে। তবে জন্মের পর মেয়ের চেহেরা অবিকল তার বাবার মতো হওয়ায় মানুষের প্রশ্ন থেকে আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। 

নাজমিন আরও বলেন, সাব্বির ১৫ দিন আগে দেশে এসেছেন। কিন্তু আমার কাছে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি। চার-পাঁচ দিন পর পর শুধু কয়েক মিনিটের জন্য মেয়েকে দেখতে যান। কিন্তু আমি স্ত্রী হিসেবে তাকে কাছে পাইনি। 

স্বামীর বিরুদ্ধে চরিত্রহীনতার অভিযোগ এনে নাজমিন বলেন, ও পরকীয়া করে না। বহু নারীর কাছে যায়। একজনের সঙ্গে পরকীয়া করলে হয়তো তাকে ফেরাতে পারতাম। 
 
কিন্তু সবকিছুর পরে নিজের সন্তানকে হত্যা করলেন কেন? সে তো নির্দোষ ছিলো? পুলিশের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার তো সব শেষ। আমার জীবনকে একেবারে নষ্ট করে দিয়েছে সাব্বির। নিজের সন্তানকে- আমাকে সময় দেয় না। আমাকে জিন্দা লাশ করে ফেলছে সে। তাই আমার মাথা কাজ করেনি। তার প্রতি ক্ষোভে-কষ্টে মেয়েকে বালিশচাপা দেই। আমি ইমোশন থেকে আমার বাচ্চাটাকে মারছি। কিন্তু বালিশাচাপা দেওয়ার পর আমার আবেগ জেগে ওঠে। আমি আমার মেয়েকে মারার পর তাকে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরি এবং অনেক্ষণ কান্না করি। এসময় আমার বাচ্চার হৃদস্পন্দন আমি বুঝতে পারি। ওইসময় বাড়িওয়ালি এসে আমার কাছ থেকে আমার মেয়েকে নিয়ে নেন। এর পরপরই আমার মেয়ে হড়হড়িয়ে বমি করে। পরে ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

এ ঘটনায় নাজমিনের স্বামী সাব্বির আহমদ বুধবার রাতে বাদি হয়ে নাজমিনকে আসামি করে শাহপরাণ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-১১।

শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান সিলেটভিউ-কে বলেন, বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেননি নাজমিন। যে কারণে তাঁকে ৫ দিনের রিমান্ডে আবেদন করা হয়। পরে বিজ্ঞ আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে প্রথম দিনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। ফলে শনিবারই তাকে আবার আদালতে প্রেরণ করি এবং আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সূত্র : সিলেট ভিউ