Wednesday, 11 May 2022

ছবিতে দেখুন পানিবন্দি চন্দরপুর গ্রামের জনজীবন

ছবিতে দেখুন পানিবন্দি চন্দরপুর গ্রামের জনজীবন

ছবিতে দেখুন পানিবন্দি চন্দরপুর গ্রামের জনজীবন

বিস্তারিত পড়ুনঃ চন্দরপুরে পানিবন্দি জনজীবন

চন্দরপুরে পানিবন্দি জনজীবন

চন্দরপুরে পানিবন্দি জনজীবন


গোলাপগঞ্জের বুধবারীবাজার ইউনিয়নের চন্দরপুর গ্রামে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের চন্দরপুর-বিয়ানীবাজার সড়কের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া "ঘাটের খাল" নামক খালটি অবৈধ স্থাপনা আর দখলদারিত্বে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।


বুধবার (১১ মে) সরেজমিনে দেখা যায়, গতকাল আর আজকের অতিবৃষ্টির ফলে বৃষ্টির পানি খালটির মাধ্যমে নিষ্কাশন না হওয়ায় শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। গ্রামের প্রধান সড়ক চন্দরপুর-বিয়ানীবাজার রোডের পার্শ্ববর্তী প্রত্যেকটি বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে ব্যাপক দুর্গতির সৃষ্টি করেছে। অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ঘরের মধ্যেও পানি ঢুকতে দেখা গেছে। 

এছাড়া চন্দরপুর-বিয়ানীবাজার সড়কের বেশ কিছু জায়গা এবং গ্রামের চৌমুহনীস্থ কটলীপাড়া-বসন্তপুর সড়কটি একদম পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারী-সহ স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এছাড়া যানবাহন চলাচলেও সমস্যায় পড়েছেন চালকগণ।

স্থানীয় বাসিন্দা জয়নুল হক জানান, আমাদের প্রত্যেকটি বাড়িঘরে পানি ঢুকে গেছে। খালের মুখটি বন্ধ করে দেয়ায় এমন কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি নিরসনে তিনি উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন।

কুশিয়ারা নিউজের সম্পাদক সালমান কাদের দিপু জানান, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাস্তাঘাট ও বাড়িঘরে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। যা বর্তমানে গ্রামের প্রধান সমস্যায় পরিণত হয়েছে। মাত্র ২দিনের বৃষ্টিপাতে এমন পরিস্থিতি হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে অবস্থা বেগতিক হবে। তাই এ সমস্যার সমাধানে এলাকার সবাই মিলে দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া তিনি এ সমস্যার সমাধানে উপজেলা পরিষদ এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে বলেন আজকের মধ্যেই গ্রামের সকলের পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদ এবং প্রশাসনের সহযোগিতা নেয়া হবে।


‘অশনি’র প্রভাবে উত্তাল সাগর, পর্যটকদের সতর্ক করলো প্রশাসন

‘অশনি’র প্রভাবে উত্তাল সাগর, পর্যটকদের সতর্ক করলো প্রশাসন


ঘুর্ণিঝড় ‘অশনি’র প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। এজন্য কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তবে হাল্কা বৃষ্টি ও সতর্কতা সংকেত উপেক্ষা করে সাগরে নামছেন কিছু পর্যটক। এজন্য জেলা প্রশাসন তাদের সতর্ক করেছে। তবুও উত্তাল ঢেউয়ের মাঝে তারা নেমে পড়ছেন সাগরে। লাইফগার্ডদের নির্দেশনাও মানছেন না পর্যটকরা।

মঙ্গলবার (১০ মে) দুপুরে সৈকতে দেখা গেছে হাজার হাজার পর্যটক। অনেকে বলছেন, এমন আবহাওয়ায় সাগরে রূপ দেখতে এসেছেন তারা।

কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আমিন আল পারভেজ জানান, ঈদের ছুটির পরও কক্সবাজারে এখনও প্রচুর পর্যটক অবস্থান করছেন। সৈকতে সমুদ্র স্নানের ক্ষেত্রে পর্যটকদের সতর্ক করা হয়েছে।

লাইফ গার্ড জয়নাল আবেদীন বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় তারা সতর্ক দৃষ্টি রেখেছেন। হাঁটু পানির গভীরে সাগরে না নামার জন্য হ্যান্ড মাইকে বারবার সতর্ক করা হলেও অনেক পর্যটক তা মানছেন না।

এদিকে বৈরি আবহাওয়ায় সৈকত ভ্রমনে আসা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, পর্যটকদের সাগরে নামতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। হোটেলগুলোতেও বলে দেওয়া হয়েছে তারা যেন পর্যটকদের এ বিষয়ে অবগত করেন। এছাড়াও সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বৈরী আবহাওয়ার মাঝে কক্সবাজারে এখনও প্রায় ৪০ হাজার পর্যটক অবস্থান করছেন।

অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে ২ নম্বর দূরবর্তী হুশিয়ারি সংকেত জারি করা হয়েছে। অনেক পর্যটক এরই মধ্যে কক্সবাজার ছাড়তে শুরু করেছেন। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্র। এছাড়া সিপিপির ৮৬০০ ও রেড ক্রিসেন্টের ২২০০ স্বেচ্ছাসেবক। পাশাপাশি ৮৪টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় প্রবল হলে আশ্রয়কেন্দ্রে উপকূলের ৫ লক্ষাধিক মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। 
শ্রীলঙ্কায় ‘সহিংসতাকারীদের’ দেখামাত্র গুলির নির্দেশ

শ্রীলঙ্কায় ‘সহিংসতাকারীদের’ দেখামাত্র গুলির নির্দেশ


শ্রীলঙ্কায় সহিংসতাকারীদের দেখামাত্রই গুলি করতে নিরাপত্তাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে রাজাপাকসে সরকার।

দেশটিতে ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বিক্ষোভকারীরা রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপাকসের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন।

সোমবার (৯ মে) রাজাপাকসের ভাই মাহিন্দা রাজাপাকসে বিক্ষোভের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান। কিন্তু তার পদত্যাগের পরই দেশটিতে শান্তির পরিবর্তে বিক্ষোভ রাতারাতি সহিংসতায় রূপ নেয়।

মঙ্গলবার (১০ মে) সরকারি সম্পত্তি লুটপাট ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে দেশটির সরকার বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়।

এদিন বিকেলে কলম্বোর শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সহযোগিতা না করার অভিযোগে লাঞ্ছিত করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে। আর রাজধানীর প্রধান হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, সোমবার থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

দেশটির সরকার চলমান সহিংসতা বন্ধ করতে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত শহরে কারফিউ জারি করেছে।

এদিকে গত রাতে বিক্ষোভকারীরা রাস্তার পাশে থাকা বেশ কিছু বাসের জানালা ভেঙে টায়ারে আগুন দিয়ে নদীতে ফেলে দেয়। এছাড়া, সরকারি অনেক স্থাপনায় তারা আগুন ধরিয়ে দেয়।

সূত্র: বিবিসি। 

Monday, 9 May 2022

ফের বাড়ছে করোনা, দ্রুত টিকা নেওয়ার আহ্বান

ফের বাড়ছে করোনা, দ্রুত টিকা নেওয়ার আহ্বান


বিভিন্ন দেশে ফের করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় সবাইকে দ্রুত টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম।

সোমবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

খুরশীদ আলম বলেন, ইউরোপসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই ফের করোনা বাড়তে শুরু করেছে। তাই সচেতনতার পাশাপাশি এখনও যারা টিকা নেননি, তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে। আমরা সফলভাবে টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। টার্গেট করা প্রায় সবাইকেই প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এবার আমাদের লক্ষ্য বুস্টার ডোজ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আবারও করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। তাই সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবাইকেই অন্তত দুই ডোজ টিকা নিতে হবে। এ ছাড়া যাদের বুস্টার ডোজের সময় হবে, তারা দ্রুতই বুস্টার ডোজ টিকা নিয়ে নেবে।
গোলাপগঞ্জ টেকনিক্যাল কলেজের ক্লাসরুমে টিকটিক ভিডিও : উপজেলাজুড়ে সমালোচনা

গোলাপগঞ্জ টেকনিক্যাল কলেজের ক্লাসরুমে টিকটিক ভিডিও : উপজেলাজুড়ে সমালোচনা


বর্তমানে টিকটক-লাইকির মতো অ্যাপে আসক্ত হয়ে পড়ছে তরুণ-তরুণীরা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে অ্যাপ ব্যবহার করে ভিডিও বানাচ্ছে তারা। সম্প্রতি গোলাপগঞ্জ উপজেলার নব নির্মিত গোলাপগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ভবন ও ক্লাসরুমে টিকটক ভিডিও বানিয়ে যাচ্ছেন বেশ কয়েকজন তরুণ। আর এসব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গোলাপগঞ্জ উপজেলাজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভিতরে এসব নোংরামি কাজ মেনে নিতে পারছেন না উপজেলার সচেতন মহল।

ছড়িয়ে পড়া এসব ভিডিওতে দেখা যায়, বিনোদনের নামে কলেজটির ক্লাসরুম সহ ভবনের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে অশ্লিল ভাষা-সহ হিন্দি ভাষায় ভিডিও বানাচ্ছেন কয়েকজন লাইকি ও টিকটক আসক্ত তরুণ।

ফখরুল ইসলাম শাকিল নামের স্থানীয় এক যুবক জানান, টিকটক ও লাইকি আসক্তি আজ তরুণদের ধ্বংস করে দিচ্ছে। গোলাপগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ গোলাপগঞ্জবাসীর স্বপ্নের একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের ক্লাসরুমের ভিতর এ ধরনের নোংরামি উপজেলাবাসী মেনে নিবেনা। বিষয়টি দেখার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

আমুড়া ইউপি সদস্য, উপজেলা যুবলীগ নেতা তারেক আহমদ বলেন, বিষয়টি আসলেই লজ্জাজনক। আমাদের জানা ছিলনা উপজেলার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এ ধরনের নোংরামি চলছে। এ বিষয়ে আমি কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করবো। কলেজটিতে প্রহরী নেই এখনো। প্রহরী নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যক্তিগতভাবে হলেও প্রহরী রাখার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি 

বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমের ভিতরে কিভাবে ভিডিও বানাচ্ছে এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ গোলাপগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের প্রিন্সিপাল বিশ্বজিৎ দাশ মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, কলেজটি চালু হলেও এখন পর্যন্ত কলেজের ক্লাসরুম গুলোতে দরজা লাগানো হয়নি। এছাড়াও এখন পর্যন্ত কলেজে কোন গার্ড নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ঈদের ছুটিতে কলেজ বন্ধ ছিল এ সুযোগে হয়তো তারা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ভিডিও বানাচ্ছিল। এসব কিভাবে রোধ করা যায় বিষয়টি আমি দেখছি। 

টিকটক ও লাইকির মত এপসকে কেন্দ্র করে অল্প বয়সের সুন্দর চেহারার মেয়েদের বলা হয় তাদেরকে টিকটক ‘স্টার’ বানিয়ে দেওয়া হবে, ফলোয়ার বাড়বে, টাকা আয় করা যাবে। পরে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে নেওয়া, পাচার করে দেওয়া, ধর্ষণ, আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা, এমনকি ভিডিও বানাতে গিয়ে নিহতের মতো ঘটনাও প্রতিনিয়ত দেশে ঘটছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য আহবান জানান উপেজলার সচেতন মহল। 
আলোকিত মানুষ ও সমৃদ্ধশালী জৈন্তাপুর  বির্নিমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আব্দুল গফ্ফার চৌধুরী খসরু‘র ভূমিকা প্রশংসতি

আলোকিত মানুষ ও সমৃদ্ধশালী জৈন্তাপুর বির্নিমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আব্দুল গফ্ফার চৌধুরী খসরু‘র ভূমিকা প্রশংসতি



মো: শাহজাহান কবির খান: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কমিউনিটি নেতা আব্দুল গফ্ফার চৌধুরী খসরু অবহেলিত পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক উন্নয়নে তিনি আলোকিত মানুষ ও সমৃদ্ধশালী জৈন্তাপুর বির্নিমানে এক অনন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মাদ্রাসায় তারঁ ব্যাপক অবদান রয়েছে। সমাজের অসহায় হতদারিদ্র মানুষের কল্যাণে তিনি নিরলস ভাবে কাজ করছেন। একজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি হিসাবে পুরো উপজেলা জুড়ে রয়েছে তারঁ সুনাম। সম্প্রতি জৈন্তাপুর প্রবাসী গ্রুপের মাধ্যামে এই উপজেলার সুবিধা বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। জনগনের প্রয়োজনে ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু জৈন্তাপুরে আগামী উপজেলা পরিষদ নিবার্চনে তিনি অংশ গ্রহন করবেন জানাগেছে।

জন্ম: আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু-১৯৬২ সালের ২ জানুয়ারী জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্তে জন্ম গ্রহন করেন। তারঁ পিতা ডা: আব্দুর রশিদ চৌধুরী, মাতা রাবেয়া খাতুন। ৫ ভাই ৩ বোনের মধ্যে তিনি ৩য় । 

শিক্ষা জীবন: শিক্ষা জীবন শুরু হয় দরবস্ত পাকড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তিনি ১৯৭৮ সালে সেন্ট্রাল জৈন্তা হাইস্কুল থেকে এস,এস,সি পাশ করেন। ১৯৮০ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে এইচ,এস,সি পাশ করেন। একই কলেজ থেকে অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা সম্পন্ন করার আগেই তিনি ১৯৮৪ সালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ-এ  ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হন। 

রাজনৈতিক জীবন: কলেজ জীবনে তিনি সক্রিয় ভাবে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৮৩-৮৪ সালে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্র পরিষদ সহ বাংলাদেশে অবস্থান কালে বিভিন্ন সামাজি ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৮৮ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান । সেখানে অবস্থন করে তিনি বাংলাদেশী কমিউনিটির উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে যান। ১৯৯৪ সালে আমেরিকায় জালালাবাদ এনএফ সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ও পরবর্তী সময়ে তিনি সহ-সভাপতি নিবার্চিত হন। 

শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন: আব্দুল গফাফার চৌধুরী খসরু বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আজীবন দাতা সদস্য হিসাবে হয়েছেন। তিনি দরবস্ত খাজার মোকাম উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সেন্ট্রাল জৈন্তা হাইস্কুলের দাতা সদস্য। তিনি নিউইয়র্কে ব্রংকস-অবস্থিত বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সেখানকার রোটারী ক্লাব অব সেন্ট্রাল ব্রংকস নিউইয়র্কে-এর প্রেসিডেন্ট। তিনিই একমাত্র বাঙ্গালি ২০১১ সালে কমিউনিটি বোর্ড-নাইন-সিটি অব নিউইয়র্কে-এর মেম্বার নিবার্চিত হয়েছিলেন। 

পিছিয়ে পড়া জৈন্তাপুর উপজেলায় তার অবদান: জৈন্তাপুর উপজেলার উন্নয়নে তারঁ অনেকটা অবদান রয়েছে। তিনি দেশে আসলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সামাজিক উন্নয়ন মুলক কাজে জড়িত থাকেন। তিনি ইমরান আহমদ মহিলা কলেজ, জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রী কলেজ, জৈন্তাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রমজান রুপজান একাডেমি, বাগেরখাল, হেমু তিনপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, হরিপুর বহুমূখি উচ্চ বিদ্যালয়, আমীনা হেলালী টেকনিক্যাল স্কুল, চারিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়, মাওলানা আব্দুল লতিফ জুলেখা গার্লস হাইস্কুল, পাকড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিছনাটেক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মানিকপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দরবস্ত সিকন্দর আলী  মেমোরিয়াল কিন্ডার গাটেন স্কুল, দারুল হাদিস মদিনাতুল উলুম খরিুলহাট মাদ্রাসা, দারুস সুন্নাহ  ছাত্তারখাই ক্বওমী মাদ্রাসা, দারুল কুরআন খাজার মোকাম মাদ্রাসা, খরিল নেজামুল উলুম চাক্তা ফাযিল মাদ্রাসা, দরবস্ত জামেয়া ইসলামীয়া মাদ্রাসা, মাদরাসতুল উলুম হরিপুর মাদ্রাসা, বাগেরখাল কামরুল ইসলাম মুহিউসসুন্নাহ মাদ্রাসা, বনপাড়া খেড়িগুল  মাদানিয়া মাদ্রাসা, জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম লামনীগ্রাম মাদ্রাসা, আশরাফুল উলুম নিজপাট মাদ্রাসা, নুরে মদিনা বিরাইমারা মাদ্রাসা, মাঈনুল ইসলাম লামা শ্যামপুর মাদ্রাসা, দারুল উলুম হেমু মাদ্রাসা, মাদরাসাতুল উলুম হরিপুর বাজার মাদ্রাসা, রওজাতুল উসলাম চাক্তা ক্বওমী মাদ্রাসায় তারঁ সহযোগিতা রয়েছে। 

তিনি ব্যক্তিগত ও পরিবারের অর্থায়নে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অনেক মসজিদ নিমার্ণ করে দিয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য চারিকাটা বনপাড়া যাদুবাড়ি জামে মসজিদ,চারিকাটা বড়গুল জামে মসজিদ, চারিকাটা কুমারপাড়া জামে মসজিদ রয়েছে। এছাড়াও উপজেলার আর অনেক এলাকায় মসজিদ নিমার্ণ কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে আব্দুল গফ্ফার চৌধুরী খসরু বিবাহিত, দুই পুত্র এক কন্যা সন্তানের জনক। তারঁ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সবাই নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত এবং সমাজ কল্যাণ মুলক কাজে জড়িত রয়েছেন।