Sunday, 27 June 2021

গোলাপগঞ্জে মসজিদ পরিচালনা কমিটি নিয়ে জটিলতা, মুসল্লীদের সংবাদ সম্মেলন

গোলাপগঞ্জে মসজিদ পরিচালনা কমিটি নিয়ে জটিলতা, মুসল্লীদের সংবাদ সম্মেলন



গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ গোলাপগঞ্জ চৌমূহনী জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে। রবিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় গোলাপগঞ্জ পৌরশহরের একটি হলরোমে মুসল্লী সমাজের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাজী ফখরুল ইসলাম। মুসল্লী সমাজ আয়োজিত সংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি বলেন প্রায় ৭০ বছর ধরে গোলাপগঞ্জ চৌমূহনী জামে মসজিদ স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মসজিদটি দীর্ঘ সময়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে আজ বহুতল বিল্ডিং-এ পরিণত হয়েছে।

দেওবন্দি উলামায়ে কেরামদের নিয়ম নীতির আলোকে এতোদিন মসজিদটি পরিচালিত হলে কোন ধরণের সমস্যা বা জটিলতার সৃষ্টি হয়নি। গত ১০ এপ্রিল ২০১৯ইং তারিখে গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার টিকরবাড়ী গ্রামের মৃত মসাহিদ আলীর পুত্র জামাল আহমদ এর আবেদনের প্রেক্ষিতে ১১ফেব্রুয়ারি ২০২০ইং তারিখে মসজিদটি বাংলাদেশ ওয়াকফ্ প্রশাসন তাদের আওতাভুক্ত করে। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমিকে সচিব করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ওয়াকফ্ প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠন করে দেয়া হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে গোলাপগঞ্জ চৌমূহনী জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি বা মুসল্লী সমাজ অবগত নন। প্রায় ৭০ বছর ধরে ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধি কর্তৃক গঠিত কমিটি মসজিদটি সুন্দর ভাবে পরিচালনা করাকালীন সময়ে হঠাৎ ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক আবেদনের প্রেক্ষিতে ওয়াকফ্ প্রশাসন তাদের ইচ্ছা মাফিক লোক দিয়ে কমিটি গঠন করায় মুসল্লীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ ব্যপারে ক্ষুব্দ মুসল্লী সমাজ ও ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবাদ স্বরূপ পৌর মিলনায়তনে সভা করে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করেন। তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব প্রদান করে মুসল্লীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করলেও তিনি কোন কাজ করেননি বলে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়।

পরবর্তীতে ঐ উপজেলা নির্বাহী অফিসার অন্যত্র বদলী হয়ে গেলে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী, গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আমিনুল ইসলাম রাবেল, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অনুপমা দাস, গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমদ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে প্রায় ৩ মাস পূর্বে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে এ ব্যাপারে বৈঠক করে মসজিদের সব বিষয়ে তিনি দেখবেন বলে আশ্বস্থ করেন। পরবর্তীতে বর্তমান ইউএনও কোন কিছু না করে অনেকটা নিরবতা পালন করায় জনৈক ব্যক্তি মসজিদের আর্থিক বিষয়াদি সহ সব বিষয়ে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে থাকেন। মুসল্লী সমাজের পক্ষ থেকে বার বার ওয়াকফ্ প্রশাসন কর্তৃক গঠিত কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মসজিদের দুরবস্থার কথা অবহিত করলেও তিনি এ ব্যাপারে কোন গুরুত্ব না দেয়ায় বর্তমানে মুসল্লী সমাজ খুবই ক্ষিপ্ত বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে মসজিদের নিচ তলায় এসি লাগানো সহ বিভিন্ন মেরামতের কাজের বিষয়েও যথেষ্ট অস্বচ্ছতা রয়েছে বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

মসজিদের বর্তমান দুরবস্থার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মুসল্লী সমাজের পক্ষ থেকে দায়ী করা হয়েছে। মুসলমানদের ইবাদতখানা আল্লাহর ঘর মসজিদ অর্থাৎ গোলাপগঞ্জ চৌমূহনী জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মুসল্লী সমাজের পক্ষ থেকে আবারও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মুসল্লিরা অভিযোগ করে বলেন, ওয়াকফ কমিটির ৩নং সহ সভাপতিকে দিয়ে এককভাবে সাধারণ সম্পাদক, কোষাধক্ষ্য, এমনকি সভাপতির দায়িত্বও পালন করাচ্ছেন।

এছাড়াও মসজিদের মুসল্লি কর্তৃক দান অনুদানের টাকা কোন ব্যাংক হিসাবে জমা না রেখে হাতে রেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খরছ করছেন বলে তারা অভিযোগ করেন ।

সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এ. ওয়াহাব প্লাজা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু জাহেদ সিদ্দিকী, আমরা গোলাপগঞ্জবাসীর সভাপতি সৈয়দ আব্দুল মালেক, গোলাপগঞ্জ নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি ছাদেক আহমদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আল সামছ টাওয়ারের স্বত্ত্বাধিকারী মাওলানা মুমিন আহমদ শাকিল, গোলাপগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সদস্য মাহবুবুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী কবির আহমদ, হাজী নুরুর রহমান রুনু, আব্দুল হক সওদাগর, আপ্তাব উদ্দিন সোনা, মোহাম্মদ জোবায়ের, খলিলুর রহমান, সেলিম আহমদ প্রমুখ।

মগবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণঃ নিহত ৬, দগ্ধ ৩৯

মগবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণঃ নিহত ৬, দগ্ধ ৩৯


রাজধানীর মগবাজারে একটি ভবনে বিকট শব্দে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু এবং আরও ৩৯ জন দগ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে। হতাহতদের বিস্তারিত তথ্য ও পরিচয় তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মগবাজার ওয়্যারলেস এলাকায় তিনতলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দের পর ওই এলাকা কেঁপে ওঠে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 

জানা গেছে, ভবনটির নিচতলায় সিঙ্গার শো-রুম, শর্মা হাউস ও গ্র্যান্ড কনফেকশনারি দোকান রয়েছে। বিস্ফোরণে ভবনের ধসে পড়েছে। এ ছাড়া সিঙ্গার শো-রুমের ভেতর থেকে জেনারেটর উড়ে এসে রাস্তায় বাসে পড়ে। এতে দুটি বাসের কাচসহ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ ঘটনায় দগ্ধ ৩৯ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  বিস্ফোরণের এ ঘটনায় পথচারীসহ অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। দগ্ধ ও আহতদের মধ্যে ১৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও জানা গেছে, ভয়াবহ এই বিস্ফোরণে আশেপাশের বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের ভবনটির উল্টো পাশে (দক্ষিণ) আড়ং এর ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনটির গ্লাস ভেঙে পড়েছে।

এ ঘটনায় দগ্ধ ৪৬ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, প্রথমে আমরা ওই ভবনে এসি বিস্ফোরণ হওয়ার খবর পাই। পরে আবার অনেকে ফোন করে জানিয়েছেন, গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েছে। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট পাঠানো হয়েছে। 

এরশাদ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এখনো সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। শুনেছি ভবনটির নিচতলায় বিস্ফোরণ হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন বলেন, সেখানে একটি ভবন ধসে পড়েছে- এমন খবর পাওয়ার পর আমাদের সদস্যরা সেখানে গেছে। সেখানে কয়েকজন আটকা পড়ার খবরও পাওয়া গেছে।

২০ হাজার বছর আগেও তাণ্ডব চালিয়েছিল করোনাভাইরাস!

২০ হাজার বছর আগেও তাণ্ডব চালিয়েছিল করোনাভাইরাস!


গত দেড় বছর ধরে পৃথিবীতে রাজত্ব করে চলেছে কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস। যাকে খুশি তাকে কেড়ে নিচ্ছে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি। স্থবির করে রেখেছে পুরো বিশ্ব।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষদিকে চীনের হুবেই প্রদেশে জন্ম নিয়ে মাত্র কয়েকমাসে গোটা বিশ্বকে গ্রাস করেছে এ ভাইরাস।

অথচ ২০ হাজার বছর আগেই নাকি তাণ্ডব চালিয়েছিল মহামারি করোনাভাইরাস। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণায় করোনাভাইরাস নিয়ে নতুন এ বিস্ময়কর তথ্য উঠে এসেছে। 

অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ওই গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, পূর্ব এশিয়া থেকে যে একাধিক করোনাভাইরাস মহামারির উৎপত্তি হয়েছিল, তার স্বপক্ষে একাধিক প্রমাণ মিলেছে। প্রাচীন করোনা প্রজাতির কোনো ভাইরাস বা মানুষের দেহে যেরকম করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে, সেভাবেই ভিন্ন একটি ভাইরাসের জেরে পূর্ব এশিয়ার প্রাচীন মানুষের মধ্যে মহামারি ছড়িয়ে পড়তে পারে। 

সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ারের একটি প্রতিবেদনে ওই গবেষকরা দাবি করেছেন, সে সময় পূর্ব এশিয়ায় মহামারির ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। আর আধুনিক চীন, জাপান এবং ভিয়েতনামের মানুষের ডিএনএ-তে এখনও সেই করোনা প্রজাতির ভাইরাসের অস্তিত্ব রয়েছে।

শুধু তাই নয়, প্রাচীনকালের ভাইরাসের বিষয়ে জানতে পারলে বিবর্তনমূলক তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। যা আরও ভালোভাবে ভবিষ্যতে মহামারির পূর্বাভাস দিতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়াসিন সুইলমি এবং রে তোবলারের গবেষণাটি কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে। 

তাদের দাবি, পূর্ব এশিয়ায় বর্তমানে যে মানুষরা বসবাস করেন, তাদের ৪২টি জিনে করোনাভাইরাস প্রজাতির জিনগত পরিবর্তনের প্রমাণ মিলেছে। 

সুইলমি এবং তোবলার জানিয়েছেন, তারা বিশ্বের ২৬টি জাতির ২ হাজার ৫০০ এর বেশি জিন নিয়ে বিশেষ ধরনের বিশ্লেষণ করেছেন। তার ভিত্তিতে মানুষের ৪২টি ভিন্ন জিনে বিশেষ ধরনের প্রোটিনের সংকেত পাওয়া গেছে। 

তারা বলেছেন, এই ভাইরাস ইন্টারেকটিং প্রোটিনসের (ভিআইপি) সংকেত পাওয়া গেছে মানুষের মাত্র পাঁচটি জাতির ক্ষেত্রে। তারা সবাই পূর্ব এশিয়ার বাসিন্দা, যা সম্ভবত করোনাভাইরাস প্রজাতির বিচরণের ক্ষেত্র ছিল। সে তথ্য অনুযায়ী, আধুনিক যুগের পূর্ব এশিয়ার মানুষরা প্রায় ২৫ হাজার বছর আগেই করোনাভাইরাসের দাপটের সম্মুখীন হয়েছিলেন।

গবেষকদের দাবি, ৪২টি ভিআইপি মূলত ফুসফুসে প্রভাব ফেলত। এগুলো করোনার দ্বারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শুধু তাই নয়, তারা দাবি করেছেন, ওই ভিআইপিগুলোর সঙ্গে যে সরাসরি সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের যোগ ছিল। আর এর প্রভাবেই বর্তমান মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে।

পাশাপাশি দুই গবেষক দাবি করেছেন, কয়েকটি ভিআইপির জিন বর্তমানে করোনার চিকিৎসার ক্ষেত্রে ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতে পারে বা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।


সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ঢাকা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ স্থগিত

ঢাকা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ স্থগিত



ঢাকা বোর্ডের ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

গত বৃহস্পতিবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি দেয় শিক্ষা বোর্ড। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আজ রোববার থেকে ফরম পূরণ শুরু হয়ে ৭ জুলাই শেষ হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে আজ ফরম পূরণ স্থগিতের সিদ্ধান্ত এলো। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল— বিজ্ঞান শাখার জন্য দুই হাজার ৫০০ টাকা, মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য এক হাজার ৯৪০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে কোনো নির্বাচনী পরীক্ষা (টেস্ট) হবে না। তাই এ সংক্রান্ত কোনো ফিও নেওয়া যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা যাবে না। এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কলেজের ফরম পূরণ প্যানেল বন্ধ করাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

করোনার কারণে গত বছর এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলের গড়ের ওপর এইচএসসির ফল দেওয়া হয়।

এ বছর ৮৪ দিনের পাঠ পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।

Saturday, 26 June 2021

‘কঠোর লকডাউনের’ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন

‘কঠোর লকডাউনের’ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন



করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে আগামী সোমবার (২৮ জুন) থেকে সীমিত পরিসরে ‘লকডাউন’ শুরু হবে। আর সাত দিনের ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হবে আগামী বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে। 

তবে সোমবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যাবে। এ ছাড়া সীমিত পরিসরে কিছু প্রতিষ্ঠান বা ক্ষেত্র খোলা থাকবে। এ ছাড়া শিল্প কলকারখানা লকডাউনের আওতার বাইরেই থাকতে পারে বলে জানা গেছে। এই সময়ে রপ্তানিমুখী কার্যক্রম সচল রাখার স্বার্থে ব্যাংকিং সেবাও খোলা রাখা হতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

সভা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া হলেও অর্থবছরের শেষ সময় হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে সোমবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যাবে। শপিংমল, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে লকডাউন শুরু হবে। এই সময়ে কিছু বিষয় খোলা থাকবে। ১ জুলাই থেকে শুরু হবে সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউন।এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য রোববার জানানো হবে।

এর আগে শুক্রবার রাতে সরকারের এক তথ্যবিবরণীতে সোমবার থেকে কঠোর লকডাউনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এতে বলা হয়, জরুরি পণ্যবাহী ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। শুধু অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবে না। তবে গণমাধ্যম এর আওতামুক্ত থাকবে।

ওইদিন রাতে তথ্যবিবরণী দেওয়ার পাশাপাশি একই বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেছিলেন, আমরা শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন দেব। আগামী ২৮ তারিখ থেকে এক সপ্তাহের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ দেব। এরপর প্রয়োজন হলে সেটা আমরা বাড়াব। এটা কঠোরভাবে সবাই যেন প্রতিপালন করে সেজন্য বেশি কড়াকড়ি থাকবে। এটি নিশ্চিতে মাঠে পুলিশ-বিজিবি থাকবে। এমনকি সেনাবাহিনীও থাকতে পারে। মানুষ অপ্রয়োজনে বাইরে আসবে না, অফিস-আদালত বন্ধ থাকবে। তবে বাজেটসংক্রান্ত কার্যক্রম এনবিআর বা পেমেন্ট সম্পৃক্ত অফিসগুলো খোলা থাকবে। জরুরি পরিষেবা ইন্টারনেট, গণমাধ্যম ইত্যাদি খোলা থাকবে।

বিবিদইলে সাউথ সুরমা এডুকেশন সোসাইটির ট্রাক্টর প্রদান

বিবিদইলে সাউথ সুরমা এডুকেশন সোসাইটির ট্রাক্টর প্রদান


সাউথ সুরমা এডুকেশন সোসাইটির সহ-অর্থ সম্পাদক ও হযরত আবু দৌলত এন্ড শাহ জাকারিয়া (র:) মডেল মাদরাসা ও এতিমখানার পরিচালক যুক্তরাজ্য প্রবাসী সোয়েব আহমদ চৌধুরীর পক্ষ্ থেকে অসহায় একজন কৃষককে  ট্রাক্টর প্রদান করা হয়েছে । 

২৫ জুন শুক্রবার দুপুরে বিবিদইল আবুদৌলত র.এন্ড শাহজাকারিয়া মডেল মাদরাসা প্রাঙ্গণে ট্রাক্টর বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির সভাপতি ও ৬নং লালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পীর ফয়জুল হক ইকবাল, সমাজসেবী জিলু মিয়া চৌধুরী,মাওলানা মাহবুবুল আলম,শাহ জামাল আহমদ,মামুন আহমদ, হুমায়ুন কবির মিলন,শাকির আহমদসহ মাদরাসার শিক্ষক এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দক্ষিন সুরমায় শফি চৌধুরীর গনসংযোগ ও মতবিনিময়

দক্ষিন সুরমায় শফি চৌধুরীর গনসংযোগ ও মতবিনিময়



সিলেট-৩ আসনে আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব শফি আহমদ চৌধুরী ২৫ জুন শুক্রবার দক্ষিণ সুরমা'র সিলাম মুক্তারপুরে মোটর গাড়ি (কার) মার্কার সমর্থনে গণসংযোগ করেন। এসময় মাস্টার আবুল হোসেন, দলিল লেখক আজিজুর রহমান মনোয়ার, সাংবাদিক রাজু আহমদ, সংগঠক শফি খান সহ এলাকার মুরব্বিয়ান যুবসমাজ উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি স্হানীয় গ্রামবাসীর সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

এসময় তিনি তাৎক্ষণিক মুক্তারপুর ১নং রাস্তার সংস্কারে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।