Saturday, 7 August 2021

টিকা না পেয়ে টিকা প্রদানকারীদের ঘরে আটকে রাখল জনতা

টিকা না পেয়ে টিকা প্রদানকারীদের ঘরে আটকে রাখল জনতা



নাটোর জেলার সাতটি উপজেলার ৫২টি ইউনিয়ন ও ৮টি পৌরসভায় সারা দেশের মতো চলছে করোনার গণটিকা কার্যক্রম। শহরের একটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত টিকা না পেয়ে টিকা প্রদানকারীদের ঘরে আটকে রাখে জনতা। পরে ম্যাজিস্ট্রেট গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। 

শনিবার সকাল ৯টায় সদর উপজেলার শিবদুর গ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গণটিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল এবং জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ। 

নাটোর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে করোনার টিকা না পেয়ে হট্টগোল শুরু করে সাধারণ মানুষ। সকাল ৯টা থেকে এই কেন্দ্রে মোট ২০০জনকে টিকা প্রয়োগ শুরু হয়। কিন্তু বেলা ১২টার মধ্যেই নির্ধারিত টিকা শেষ হয়ে যায়। এরপরই টিকা না পেয়ে শুরু হয় হট্টগোল। 

দুই থেকে তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে টিকা না পেয়ে হট্টগোল শুরু করেন নারী-পুরুষরা। টিকা শেষ হওয়ার পরও দেড় থেকে দুই’শ নারী-পুরুষ টিকার জন্য অপেক্ষা করেন। এসময় বিক্ষুব্ধ লোকজন স্বাস্থ্য কর্মীদের স্কুলের কক্ষে আটকে রাখে। পরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল আহমেদ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। 


বিক্ষুব্ধ নারী পুরুষ বলেন, কতজনকে টিকা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে ওয়ার্ডবাসীদের কোনো স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়নি। জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে গেলেই টিকা দেওয়া হবে, এমন ঘোষণার কারণে সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর স্বাস্থ্যকর্মীরা বলছে টিকা শেষ। তাহলে কেন দাঁড়িয়ে রাখা হল। তাছাড়া পরবর্তীতে কোনো তারিখে টিকা দেওয়া হবে তারও কোনো নির্দেশনা নেই। 

স্থানীয় কাউন্সিলর নান্নু শেখ জানান, বরাদ্দের চেয়ে লোকজন বেশি যাওয়ার কারণে এই হট্টগোল হয়েছে। পরবর্তীতে যাতে হট্টগোল না হয়, সেজন্য টোকেন সিস্টেম করা হবে। 

নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জানান, টিকা প্রয়োগের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল স্থানীয় কাউন্সিলরা। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৩নং ওয়ার্ড বাদে কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। ৩নং ওয়ার্ডে অব্যবস্থাপনার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তীতে এই ধরনের হট্টগোল যাতে না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এদিকে, জেলার ৫২টি ইউনিয়ন এবং ৮টি পৌরসভায় গণটিকা প্রয়োগ শুরু হলেও কোথাও মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি। সরেজমিনে পৌরসভার তিনটি টিকা কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন টিকা কেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে এমন চিত্র ফুটে উঠেছে। গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা নিতে দেখা গেছে নারী-পুরুষদের। স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সচেতন অনেক মানুষ। 

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে টিকা গ্রহণের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানানো সম্ভব হয়ে উঠেনি। পরবর্তীতে যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকা প্রয়োগ করা যায়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হবে। 
সিলেটে গণটিকাদান চলবে আরোও ২দিন

সিলেটে গণটিকাদান চলবে আরোও ২দিন



সারাদেশে গণটিকা কার্যক্রম একদিনে সীমিত করা হলেও সিলেট নগরীতে আগামী আরোও ২দিন এ কর্মসূচী চালিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন।


সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশন এলাকায় তিনদিন টিকা দেয়া হবে। প্রথম দিন ২৪ হাজার ২শ’ মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। মানুষের মধ্যে টিকা নিয়ে কোন ভয় নেই, তারা স্বত:স্ফূর্তভাবে টিকা দিতে কেন্দ্রে আসছেন।

ডা. জাহিদ জানান, রবিবার ও সোমবার ১৬ হাজার ২শ’ করে আরও ৩২ হাজার ৪শ’ মানুষকে টিকা দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে সিটি করপোরেশনের। 


এর আগে সকাল ৯টায় নগরীর রেডক্রিসেন্ট মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে ভার্চুয়ালি গণটিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ করোনা পরিস্থিতি দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করছে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে টিকার ব্যবস্থা করছে। সামনে আরও প্রচুর টিকা দেশে আসবে। টিকার কোন সংকট হবে না।


সিলেট সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে ৮১টি কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে এক যোগে শুরু হয় টিকাদান। এছাড়া জেলার আওতাভূক্ত ১৩টি উপজেলায় ১০০টি কেন্দ্রে দেয়া হয় গণটিকা। বিকেল ৩টা পর্যন্ত গণটিকা দেয়ার কথা থাকলেও অনেক কেন্দ্রে টিকাগ্রহীতাদের চাপ থাকায় বিকেল ৪টার পরও টিকা দিতে দেখা গেছে। নগরের মতো উপজেলাগুলোতেও ছিল টিকাকেন্দ্রে মানুষের ভিড়। বেশিরভাগ কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের আগেই টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়ে যায়।
ছেলের হাতে মার খেয়ে আত্মহত্যা করলেন বাবা

ছেলের হাতে মার খেয়ে আত্মহত্যা করলেন বাবা




নিউজ ডেস্কঃ মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে। তবে ছেলের সঙ্গে অভিমানে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা স্বজনদের।

মৃত ব্যক্তি একই ইউনিয়নের ছামাদ আলীর ছেলে নিলুমুদ্দিন (৫৫)।


স্বজনরা জানান, গত বৃহস্পতিবার ছোট ছেলে নাঈম হোসেনের সঙ্গে নিলুমুদ্দিনের ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে বাবাকে মারধর করেন নাঈম। এরই জেরে তিনি গাছের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শিবালয় থানার ওসি ফিরোজ কবীর জানান, শনিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে বাড়ির পাশের একটি গাছে নিলুমুদ্দিনকে ঝুলতে দেখে পুলিশে সংবাদ দেয় স্থানীয়রা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
হেডফোন বিস্ফোরণে যুবকের মৃত্যু!

হেডফোন বিস্ফোরণে যুবকের মৃত্যু!


প্রতিকী ছবি


ডেস্কঃ প্রযুক্তির উৎকর্ষতার এ যুগে অত্যাধুনিক সব ডিভাইস হয়ে উঠছে আমাদের নিত্য অনুষঙ্গ। তবে এসব ডিভাইস যে অনেকসময় প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ মিলেছে বারংবার। আবারও ঘটলো তেমনই এক ঘটনা।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের রাজ্য জয়পুরের উদয়পুরিয়া গ্রামে এমনই এক ঘটনা ঘটলো সম্প্রতি। গ্রামের ২৮ বছর বয়সী রাকেশ কুমার নগর কানে ব্লু-টুথ হেডফোন দিয়ে বই পড়ছিলেন। হঠাৎই ছোট্ট যন্ত্রটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। তাতেই হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান ওই যুবক।


স্থানীয় পুলিশের বরাতে এ খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। পুলিশ জানায়, রাকেশ কুমার নগর তার বাড়িতে বসেই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গত শুক্রবার তিনি পড়াশোনা করার সময় কানে ব্লু-টুথ হেডফোন ব্যবহার করছিলেন। এসময় ডিভাইসটি অন্য একটি ইলেক্ট্রোরাল আউটলেটে প্লাগ-ইন করা ছিল। আর সে সময়ই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ আরও জানায়, হঠাৎই কানের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটলে দ্রুত অচেতন হয়ে পড়েন রাকেশ। এরপর তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়।


চিকিৎসক জানান, অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। তার দুটো কানেই গুরুতর আঘাত লেগেছে, তবে তিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। সূত্র : এনডিটিভি
বিকাশ লেনদেনে চালু হলো রিওয়ার্ডস, থাকছে অফার

বিকাশ লেনদেনে চালু হলো রিওয়ার্ডস, থাকছে অফার




বিকাশে লেনদেন করলেই গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে যুক্ত হচ্ছে রিওয়ার্ড পয়েন্ট। পরবর্তীতে সেই পয়েন্ট ব্যবহার করে ক্যাশব্যাক ও অন্যান্য অফারের সুবিধা নিতে পারবেন গ্রাহক।

প্রতিষ্ঠানটির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


অর্জিত রিওয়ার্ড পয়েন্ট সম্পর্কে জানতে বিকাশ অ্যাপের হোম স্ক্রিনে লোগোর পাশে যুক্ত ‘বিকাশ রিওয়ার্ডস’ আইকনে ট্যাপ করতে হবে। এখান থেকে গ্রাহক তার অর্জিত পয়েন্ট, রিওয়ার্ড লেভেলে অবস্থান, অফারের পরিমাণ, অর্জিত পয়েন্টের বিবরণী এবং অন্যান্য বিস্তারিত জানার সুযোগ পাবেন।

সেন্ড মানি, মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, অ্যাড মানি, পেমেন্ট, পে বিলসহ বিভিন্ন ধরনের বিকাশ লেনদেনে প্রতিবারই নির্দিষ্ট সংখ্যক পয়েন্ট যুক্ত হবে। গ্রাহক তার জমা হওয়া পয়েন্ট ব্যবহার করে কোন ধরনের লেনদেনে কত টাকা ক্যাশব্যাক পাবেন তা দেখতে পারবেন বিকাশ অ্যাপের রিওয়ার্ডস সেকশনে।


এছাড়া গ্রাহক কোন সেবা থেকে কত পয়েন্ট পেয়েছেন এবং কত পয়েন্ট ব্যবহার করেছেন তা ‘পয়েন্ট বিবরণী’ থেকে নিজেই জেনে নিতে পারবেন।
গোলাপগঞ্জে টিকা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক

গোলাপগঞ্জে টিকা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক




গোলাপগঞ্জে টিকা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান এবং সিলেট জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম।

শনিবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের উত্তরভাগ আলিয়া মাদ্রাসা টিকাকেন্দ্র এবং গোলাপগঞ্জ পৌরসভার ২নং রণকেলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় টিকাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন তাঁরা।

পরিদর্শনকালে তাঁরা টিকা কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও টিকা গ্রহীতা উভয়ের সাথে কথা বলেন।




এছাড়া পৃথকভাবে টিকাকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন ডি আই জি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন ও গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনূর রশীদ চৌধুরী।


বিভাগীয় কমিশনার এবং সিলেট জেলা প্রশাসকের টিকাকেন্দ্র পরিদর্শনকালে আরোও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ গোলাম কবির, পৌর মেয়র আমিনুল ইসলাম রাবেল, গোলাপগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পারিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ সুদর্শন সেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা সুলতানা, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সৈয়দ মিছবাহ উদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর রুহিন আহমদ খান।


এছাড়া রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, টিকাদানের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সেচ্ছাসেবীরাও  উপস্থিত ছিলেন।
করোনায় মারা গেলেন সাবেক আইজিপি

করোনায় মারা গেলেন সাবেক আইজিপি



ডেস্কঃ মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি‌) মোহাম্মদ হাদিস উদ্দিন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

৭২ বছর বয়সী এই আইজিপি শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই পুত্রসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন সাবেক এই পুলিশপ্রধান।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, ১৯৪৯ সালে নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার মেন্দিপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন হাদিস উদ্দিন। ১৯৭৩ ব্যাচের এই কর্মকর্তা ২০০৫ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ২০০৫ সালের ৭ মে পর্যন্ত সততা, দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের আইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ পুলিশের ২৩তম পুলিশ মহাপরিদর্শক নিযুক্ত হওয়ার আগে তিনি পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ ও উন্নয়ন) ছিলেন।

আজ (শনিবার) বাদ আসর রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ডি ব্লক মসজিদে মরহুমের জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে লাশ দাফন করা হবে।