Saturday, 7 May 2022

আত্মহত্যার জন্য বিষ কিনতে গিয়ে দোকানির সঙ্গে প্রেম, বিয়ের দাবিতে অনশন

আত্মহত্যার জন্য বিষ কিনতে গিয়ে দোকানির সঙ্গে প্রেম, বিয়ের দাবিতে অনশন


পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বিয়ের দাবিতে ছয় দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন এক সন্তানের জননী।

সোমবার থেকে সীমা আক্তার (২০) নামে ওই নারী বিয়ের দাবিতে সুবিদখালী বাজারের আলী বাংলা চাইনিজ সংলগ্ন মো. রায়হানের বাসায় অনশনে বসেছেন।

মো. রায়হান সুবিদখালী বাজারের সার ও কীটনাশক বিক্রেতা। উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামের মতি মৃধার ছেলে। সীমা আক্তার উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের মানসুরাবাদ গ্রামের জব্বার জোমাদ্দারের মেয়ে।

সীমা আক্তার জানান, সাড়ে চার বছর আগে দক্ষিণ কলাগাছিয়া গ্রামের মধু চাপরাসীর ছেলে শহীদুল্লাহর সঙ্গে তার বিয়ে হয় এবং তিন বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। দাম্পত্য কলহের কারণে আত্মহত্যা করার জন্য রায়হানের কীটনাশকের দোকান থেকে তিনি বিষ কিনতে যান। এ সময় রায়হান তাকে বাধা দিলে তাদের মধ্যে সহমর্মিতা ও সহানুভূতির সৃষ্টি হয়। ধীরে ধীরে এটি প্রেমের সম্পর্কের রুপ নেয়। প্রেমের সম্পর্ক চলাকালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বহুবার শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। এমনকি রায়হান কৌশলে আগের স্বামীকে তালাক দিতেও বাধ্য করেন।

সীমা আক্তার আরও বলেন, পরবর্তীতে বিয়ের কথা জানালে রায়হান তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। তাই তিনি বিয়ের দাবিতে রায়হানের বাড়িতে ছয় দিন ধরে অনশন করছেন।

রায়হান পলাতক থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। 

এ বিষয় মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনের আওতায় আনা হবে। 
চন্দরপুর-সুনামপুর সেতুতে একটি মানিব্যাগ পাওয়াগেছে: মালিকের সন্ধান কামনা

চন্দরপুর-সুনামপুর সেতুতে একটি মানিব্যাগ পাওয়াগেছে: মালিকের সন্ধান কামনা


গোলাপগঞ্জের চন্দরপুর-সুনামপুর সেতুতে একটি মানিব্যাগ পাওয়াগেছে। যার ভেতরে বেশকিছু টাকা, একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। তবে যোগাযোগের জন্য কোনো ফোন নাম্বার পাওয়া যায়নি।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ মানিব্যাগটি কুড়িয়ে পেয়েছেন মোঃ আব্দুল কাদির নামের একজন হাফেজ। পরে তিনি প্রকৃত মালিকের সন্ধান কামনায় মানিব্যাগে পাওয়া ছবি দিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। তিনি প্রকৃত মালিকের সন্ধান পেতে পোস্টটি শেয়ার করে সকলের সহযোগিতাও কামনা করেন।

মানিব্যাগে থাকা ছবিটি কেউ চিনতে পারলে কিংবা প্রকৃত মালিকের দৃষ্টিগোচর হলে নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগের আহবান জানান তিনি।
  
যোগাযোগঃ
হাফিজ মোঃ আব্দুল কাদির 
মোবাইল- 01790872157
আবারোও টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র নির্বাচিত হলেন সিলেটের লুৎফুর রহমান

আবারোও টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র নির্বাচিত হলেন সিলেটের লুৎফুর রহমান

 
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাংলাদেশি অধ্যুষিত বারা টাওয়ার হ‌্যামলেটসে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন লুৎফুর রহমান। তিনি ছিলেন আসপায়ার পার্টির প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার (৫ মে) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শুক্রবার লন্ডনের সময় বিকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে ৪০ হাজার ৮০৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন লুৎফুর। য‌া মোট প্রদত্ত ভোটের ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দী লেবার পার্টির জন বিগস পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৪৮৭ ভোট।

১৯৬৫ সালে সিলেটে জন্ম নেওয়া লুৎফুর রহমান ২০১০ ও ২০১৪ সালে দুবার সরাসরি ভোটে টাওয়ার হ‌্যামলেটস বারার মেয়র নির্বাচিত হন।

এবার বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি অংশ লুৎফুর রহমানের বিরোধিতায় সরাসরি মাঠে নামেন। টাওয়ার হ‌্যামলেটসের দুই লেবার দলীয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি রোশনারা আলী ও আফসানা বেগমও লেবার পার্টির প্রার্থী বর্তমান মেয়র জন বিগসের পক্ষে ব‌্যাপক প্রচারণা চালান।

উল্লেখ্য, লুৎফুর রহমান ২০১০ সালে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৪ সালে নির্বাহী মেয়র হিসেবে দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন অভিযোগে তিনি বরখাস্ত হয়েছিলেন এবং কোর্টের নির্দেশনায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার ক্ষমতাও হারিয়েছিলেন। পরবর্তীতে লুৎফুর রহমানের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ খন্ডন হওয়ায় এবং কোর্ট নির্দেশনা শেষ হওয়ার পর তিনি এবার প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নেমে বড় ব্যবধানে জয় পেলেন। 
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ফের কাউন্সিলর হলেন সিলেটের নাজমা

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ফের কাউন্সিলর হলেন সিলেটের নাজমা


যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ফের চমক দেখিয়েছেন সিলেটের মেয়ে নাজমা রহমান। পেশায় পুষ্টিবিদ নাজমা ওয়েস্টহ্যামস্টেড এলাকা থেকে লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

নাজমা রহমান সিলেট সিটি করপোরেনের চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদের সহধর্মিনী। এর আগে ২০১৮ সালের ৫ মে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি একই দল থেকে প্রার্থী হয়ে প্রথমবারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন।

নাজমা রহমানের সঙ্গে ওই এলাকা থেকে আরো দুজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত দুজনই লেবার পার্টির প্রার্থী ছিলেন। তারা হলেন- ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত শ্যারন হার্ডিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক শিবা তিওয়ারি। নাজমা রহমান দীর্ঘদিন ধরে ব্রিটেনের লেবার পার্টির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি লেবার পার্টির কিলবার্ন ও ওয়েস্টহ্যামস্টেড শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। 

Friday, 6 May 2022

সৌদিতে বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

সৌদিতে বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা


সোদি আরবে কর্মস্থল থেকে বাংলাদেশের যুবক আবদুর রহমানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ মে) দুপুরে আবদুর রহমানের বাবা মো. হানিফ ও ভাই আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তাদের অভিযোগ, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। আবদুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে চোখে-মুখে অন্ধকার দেখছে বাবা-মা। ছেলের মরদেহটি দেশে আনতে আকুতি জানিয়েছে অসহায় পরিবারটি।

আবদুর রহমান লক্ষ্মীপুরের কমলগর উপজেলার চরলরেন্স ইউনিয়নের উত্তর চরলরেন্স গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের নিকটস্থ আল হারমোলিয়াহ এলাকায় আবদুর রহমানের কর্মস্থল এক ছাগলের খামার থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ৷

সৌদিতে কর্মরত আবদুর রহমানের দুলাভাই মো. ইউছুফের বরাত দিয়ে পরিবারের জানায়, আবদুর রহমানের সঙ্গে সুদানি এক সহকর্মীর ঝগড়া হয়েছিল। ঝগড়ার একদিন পর তার (আবদুর রহমান) রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। স্থানীয়রা ইউছুফকে জানিয়েছে-আবদুর রহমানকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু মরদেহ রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গাড়িচাপায় মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করে সেখানকার মালিকপক্ষ। তবে এ ঘটনায় পুলিশ এক সৌদি নাগরিক ও একজন সুদানি নাগরিককে আটক করে৷

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের ছেড়ে দিয়েছে বলেও জানায় নিহতের পরিবার।

নিহতের মা লাকী বেগম জানান, সৌদিতে ঈদের আগের দিন বিকেলে ছেলের সঙ্গে তিনি মোবাইলফোনে কথা বলেছিলেন। এরমধ্যে হঠাৎ করে আবদুর রহমান চিৎকার দিয়ে বলে উঠে মা 'আজরাইল' আসে। তাৎক্ষণিকভাবে ফোনকল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বারবার ফোন দিলেও কল রিসিভ করা হয়নি। বাড়ি থেকে চেষ্টা চালিয়েও তার সঙ্গে টানা দুই দিন যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এতে মেয়ে জামাই ইউছুফকে আবদুর রহমানে কর্মস্থলে পাঠানো হয়। সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পায় ইউছুফ।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৯ সালে স্থানীয় এক আত্মীয়ের মাধ্যমে ভালো চাকরির আশায় আবদুর রহমান সৌদিতে পাড়ি জমায়। কিন্ত সেখানে গিয়ে জানতে পারেন মরুভূমিতে উট চড়ানো হচ্ছে তার চাকরি। এ কাজ তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তবুও বহু কষ্টে তিনি দুই বছর এ কাজ করেছেন। করোনার সময়ও তার কোনো ছুটি ছিল না। এর মাঝে কারণে-অকারণে মালিকপক্ষ তাকে মারধর করত। পরে অতি নির্যাতনে সেখান থেকে তিনি পালিয়ে অন্যত্র চলে যান। যুক্ত হন নতুন আরেকটি কাজে।

নতুন কর্মস্থলের কাজটি হচ্ছে মরুভূমিতে। ছাগলের খামারের শ্রমিক হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেন। নতুন কর্মস্থলে সুদানি সহকর্মীদের সঙ্গে তার প্রায়ই ঝগড়া হতো।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আবদুর রহমানের মরদেহের মাথার পেছনে জখম রয়েছে। শরীরের বাকি অংশগুলো অক্ষত।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত ঘটনা জেনেছি। তাদেরকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। তাদেরকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে। প্রয়োজনে আমরাও যোগাযোগ করব।

এ ব্যাপারে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। মরদেহ দেশে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পরিবার থেকে এখনও কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।

ইউএনও আরও বলেন, যেহেতু পরিবারের দাবি- আবদুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। সে বিষয়ে তারা সৌদিতে বাংলাদেশি দূতাবাসে অভিযোগ করতে পারে।

অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন এ কর্মকর্তা। 
৪৭ হাজার টন তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ৪ জাহাজ

৪৭ হাজার টন তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ৪ জাহাজ


চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ৪৭ হাজার ৪৪ মেট্রিক টন সয়াবিন ও পাম-তেল নিয়ে পৌঁছেছে চারটি জাহাজ।

শুক্রবার (৬ মে) বন্দরের সচিব ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, বহির্নোঙর থেকে জেটিতে আসার পর খালাস প্রক্রিয়া শুরু হবে।

জাহাজ চারটির মধ্যে, ওনিয়েন্ট চ্যালেঞ্জ ২১ হাজার মেট্রিক টন, এন এস স্টিলা ৭ হাজার মেট্রিক টন, মেঘনা প্রাইড জাহাজ সাত হাজার ৭৯৯ মেট্রিক টন ও সানজিন ১১ হাজার ২৪৫ মেট্রিক টন নিয়ে বহির্নোঙরে ভিড়েছে।

এর আগে ২ মে ২ কোটি ২৯ লাখ লিটার অপরিশোধিত সয়াবিন তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে এমভি ওরিয়েন্ট চ্যালেঞ্জ নামে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি জাহাজ।

এরই মধ্যে জাহাজটির তেল খালাস শেষ হয়েছে। সিটি গ্রুপ, সেনাকল্যাণ এডিবল অয়েল, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল ও বসুন্ধরা গ্রুপ এসব সয়াবিন তেল আমদানি করে থাকে।

সিপিএর তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ২২ দশমিক ৯ মিলিয়ন লিটার সয়াবিন তেল এসেছে এবং শুক্রবার ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও ১৩ হাজার টন পাম তেল আসবে।

জানা গেছে, সিঙ্গাপুর থেকে ২২ দশমিক ৯ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত সয়াবিন তেল নিয়ে ‘এমভি ওরিয়েন্ট চ্যালেঞ্জ’ জাহাজটি গত ২৬ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে বৃহস্পতিবার (৫ মে) রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি সুমাত্রা পাম’ জাহাজটি ১৩ হাজার টন পাম তেল নিয়ে ২৬ এপ্রিল দেশটির ‘লুবুক গিয়াং বন্দর’ থেকে যাত্র শুরু করেছে। এই জাহাজটি আজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে।

সিপিএ সেক্রেটারি উমর ফারুক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সয়াবিন তেল নিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। দেশের শীর্ষ চার কোম্পানি সিটি গ্রুপ, সেনাকল্যাণ ভোজ্যতেল, বাংলাদেশ ভোজ্যতেল ও বসুন্ধরা গ্রুপ এ তেল আমদানি করেছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশে ইন্দোনেশিয়ার জাহাজের স্থানীয় এজেন্ট মোহাম্মদি ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক কাজী আবু নাঈম জানান, ‘এমভি সুমাত্রা পাম’ জাহাজটি শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দরে আসার কথা রয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ পাম তেল রপ্তানিকারক দেশ। বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় পাম তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করে থাকে। দেশটি (ইন্দোনেশিয়া) ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে পাম তেল রফতানি নিষিদ্ধ করেছে।

বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন টন পামতেল আমদানি করে। এর ৯০ শতাংশ ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা হয়। আর বাকি ১০ শতাংশ আসে মালয়েশিয়া থেকে। 
রমজান মাসজুড়ে মেহনত করায় ইমামকে গাড়ি উপহার দিল স্পেনের মুসলিমরা

রমজান মাসজুড়ে মেহনত করায় ইমামকে গাড়ি উপহার দিল স্পেনের মুসলিমরা


পবিত্র রমজান মাসজুড়ে মেহনত করায় মসজিদের ইমামকে বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিল স্পেনের মুসলিমরা। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মরক্কান বংশোদ্ভূত ওই ইমামের কাছে গাড়ির চাবিটি হস্তান্তর করেন তারা।

ইমামকে মুসুল্লিদের গাড়ি উপহারের এই বিরল ঘটনা নিয়ে বুধবার আলজাজিরা বিশেষ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে জানানো হয়, ইমামকে গাড়ি উপহার দেয়ার মুহূর্তের ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল।

স্পেনের লেইদা শহরের মুসলিমরা ইমামকে এই সম্মান দিয়েছে। তারা তাকে যে গাড়িটি দিয়েছে, তার মডেল হলো- অডি এ-৬।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ফুল ছিটিয়ে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে গাড়ির চাবিটি ইমামের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। এ সময় মুসুল্লিরা ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে পরিবেশ মুখরিত করে তোলেন।

মরক্কোর একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ওই ইমামের নাম শায়খ ওসামা। তিনি স্পেনের ওই মসজিদে গত সাত বছর যাবত ইমামতি করছেন।
 
মরক্কোর উত্তর-পশ্চিম ল্যারাচি শহরের উপকণ্ঠ তার জন্মস্থান। তিনি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন।
 
আলেম ও কুরআনের বাহককে যথার্থ সম্মান প্রদান করতেই ইমামকে এই বিলাসবহুল গাড়িটি উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছে বলে জানালেন ওই মসজিদের কয়েকজন মুসুল্লি।
 
শায়খ ওসামা গাড়িটি উপহার পেয়ে বেশ আপ্লুত। তিনি বলেন, ‘আজ আমি অনেক আনন্দিত। হঠাৎ মসজিদের কয়েকজন মুসুল্লি বিলাসবহুল গাড়িটি নিয়ে হাজির। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় ও অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি।’