Monday, 2 January 2023

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বিয়ানীবাজারের এনায়েত

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বিয়ানীবাজারের এনায়েত


সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রাক্তন মহাপরিচালক সিলেটের কৃতি সন্তান অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেন। আগামী চার বছরের জন্য তাকে ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেন বিয়ানীবাজারের মুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।

রোববার (১ জানুয়ারি) সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ চিকিৎসা শিক্ষা-১ শাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাঁর নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ‘সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৮’ এর ধারা ১১ (১) অনুসারে অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেনকে তার পিআরএল স্থগিতপূর্বক নিম্নবর্ণিত শর্তে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ করা হলো।

(ক) ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে তার নিযুক্তির মেয়াদ হবে ০৪ (চার) বছর।

(খ) ভাইস-চ্যান্সেলর পদে তিনি তার পূর্বের পদের (গ্রেড-১) বেতন-ভাতাদির সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি প্রাপ্য হবেন।

(গ) তিনি বিধি অনুযায়ী ভাইস-চ্যান্সেলর পদ-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

(ঘ) ভাইস-চ্যান্সেলর ‘সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৮’ এর ১২ ধারা অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন।

(ঙ) রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ যোগদানের তারিখ হতে কার্যকর হবে। 

Sunday, 1 January 2023

গোলাপগঞ্জের যেসব জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা করলেন পরাজিত প্রার্থী

গোলাপগঞ্জের যেসব জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা করলেন পরাজিত প্রার্থী


গত বছরের ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডথেকে সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন সাবেক সদস্য এডভোকেট মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। এ নির্বাচনে পরাজিত হন তিনি। নির্বাচনের প্রায় দেড়মাস পর রোববার (১ জানুয়ারি) সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে ৬৬জন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় তিনি বিবাদীদের কাছে বিভিন্ন অংকের টাকা পান বলে দাবী করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী এডভোকেট দেবব্রত চেীধুরী লিটন।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন এডভোকেট মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। এ নির্বাচনে ভোট দেয়ার শর্তে ভোটারদের তিনি টাকা দেন। কিন্তু ওই নির্বাচনে তিনি হেরে যান। ভোটে হেরে তিনি ভোটারদের কাছ থেকে টাকা ফেরত চেয়ে তা ফেরত নিতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত তা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। মামলায় আসামী করা হয়েছে ৬৬ জনকে। যারা সকলেই তাঁর নির্বাচনী এলাকার ভোটার ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি। যদিও মামলার এজহারে ভোটদানের শর্তেটাকা দেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে বিভিন্ন অযুহাতে বিবাদীরা তার কাছ থেকে বিভিন্ন অংকের টাকা নিয়েছেন বলে বাদী মুজিবুর রহমান চৌধুরী উল্লেখ করেছেন।

মামলায় যেসব জনপ্রতিনিধিদের আসামী করা হয়েছে তাঁরা হলেন-

১। মইজ উদ্দিন বলাই (৫৫), পিতা- ইদ্রিছ আলী সারো, সাং-পনাইরচক।
২। রাসেল আহমদ নাজির (৩৮), পিতা- মৃত জমসেদ আলী, সাং-লগ সোনাপাড়া,
৩। তারেক আহমদ (৩৫), পিতা-মানিক উদ্দিন, সাং- শিলঘাট। 
৪। হোসেন আহমদ খোকা (৫২), পিতা- কালি চরণ নাথ, সাং-ধারাবহর।
৫। মোস্তাক আহমদ (৩৫), পিতা-মৃত খুর্শিদ আলী, সাং- আমুড়া।
৬। হযরত আলী (৫৫), পিতা-মৃত ছত্তার মিয়া, সাং- রাংজিওল।
৭। আফিয়া বেগম (৩৫), স্বামী-জোয়াইদ আলী, সাং- কদুপুর।
৮। লাইলী বেগম (৪৮), পিতা- মৃত ইকরাম আলী, সাং- পানিয়াগা,
৯। রুনা আক্তার নাদিয়া (৩০), স্বামী খোকন আহমদ, সাং- পুর্বভাগ ফতেহখানী।
১০। শাহেনা আক্তার (৪৮), স্বামী- মোঃ ফজলুর রহমান, সাং-হাওর।
১১। ফাহেল আহমদ (৩৮), পিতা- আঃ হাসিম, সাং- বাগিছা।
১২। সুবোধ চন্দ্র দাস (৪৫), পিতা- চিত্ত রঞ্জন দাস, সাং-কাদিপুর।
১৩। শাহাব উদ্দিন (ইরান) পিতা- কটাই মিয়া, সং- ভাদেশ্বর দক্ষিণগাঁও।
১৪। আফিয়া বেগম (৪০), স্বামী আবুল কালাম, সাং- রফিপুর।
১৫। আব্দুল কাইয়ুম (২৫), পিতা- মৃত সোয়া মিয়া, সাং-পানিয়াগা।
১৬। কবির আহমদ (৩৫), পিতা- মৃত রাজা মিয়া, সাং- কায়ছগ্রাম।
১৭। মোঃ আবুল কাশেম (৪৫), পিতা-মৃত আব্দুল মতিন, সাং-হাজীপুর।
১৮। সুমি বেগম (৩০), স্বামী- কফ মিয়া, সাং-ফুলবাড়ী।
১৯। মুজিবুর রহমান দুলাল (৪০), পিতা-নুরবক্স, সাং- মোল্লাগ্রাম।
২০। শামীম আহমদ (৫০), পিতা- মৃত আতাউর রহমান, সাং-কিছমত মাইজভাগ।
২১। রেজাউল করিম রাজু (২৮), পিতা- গিয়াস উদ্দিন, সাং-কানিশাইল।
২২। করেছ আহমদ (৪০), পিতা- মৃত মোতাহির, সাং- বহরগ্রাম।
২৩। আয়রুন নেছা (৬০), স্বামী-মৃত কটুমিয়া, সাং- বহরগ্রাম।
২৪। উস্তার আলী (৬০), পিতা- মৃত মিম্বর আলী, সাং- বানীগাজী।
২৫। পাপিয়া বেগম (২৮), স্বামী- জয়নুল হক, সাং- কালিডহর।
২৬। আব্দুল মুমিত (৪৮), পিতা- মৃত কুটু মনা, সাং- আমকোনা।
২৭। মিজানুর রহমান (৩০), পিতা- আতিকুর রহমান, সাং- বাগলা ছালিমকোনা।
২৮। আলা উদ্দিন (৬০), পিতা- মৃত সিকন্দর আলী, সাং-খাটুকাই।
২৯। দিলবি বেগম (৪০), স্বামী- জইন উদ্দিন (ইউনুছ) সাং-আমকোনা।
৩০। স্বপ্না বেগম (৩৫), স্বামী আছমত মিয়া, সাং-বাগলা।
৩১। আং হক (৪৫), পিতা- মগরম আলী (গফুর)সাং-সুপাটেক।
৩২। রত্না রানী দাস (৪২), স্বামী সতুন দাস সাং-সুপাটেক
৩৩। ফারুক মাহমুদ (৬০), পিতা- মজাইদ আলী, সাং- বাঘা আনছার মহল্লা।
৩৪। আব্দুল হাকিম পারভেজ (৪৮), পিতা- চান মিয়া, সাং-বাঘা।
৩৫। মোঃ ফলিক উদ্দিন (৪৫), পিতা- মৃত জহির আলী সাং-বাঘ এখলাছপুর।
৩৬। জোছনা বেগম (৫০), স্বামী জিতুমিয়া সাং-মলুয়া।
৩৭। সাফিয়া বেগম (৩০), স্বামী-আঃ আলিম আহাদ, সাং-দক্ষিণ বাঘা।
৩৮। রেখা বেগম (৩৫), পিতা- মনা মিয়া, সাং-উত্তর গোলাপনগর।
৩৯। দিলারা বেগম (৩০), স্বামী আব্দুল কাদির, সাং-
৪০। জায়দা বেগম (৪০), স্বামী-মৃত মনির, সাং-শেরপুর খলাগ্রাম।
৪১। মুজিবুর রহমান মল্লিক (৪৫), পিতা-আব্দাল মিয়া,
৪২। জালাল উদ্দিন (৪৮), পিতা ছমির উদ্দিন, সাং- উত্তর গোয়াসপুর।
৪৩। বেলাল আহমদ (৩৮), পিতা-মৃত আজির উদ্দিন, সাং-চন্দনভাগ।
৪৪। চুনু মিয়া (৫৮), পিতা-মৃত সইদ আলী, সাং- শেরপুর খলাগ্রাম।
৪৫। এম.এ আহাদ (৪০), পিতা-মৃত ওয়াহিদ আলী, সাং-বাউশী।
৪৬। আফছারুন নেছা (৪০), স্বামী মনাই মিয়া, সাং- কানিশাইল।
৪৭। মিনা বেগম (৪০), স্বামী গনি মিয়া, সাং-রায়গড়।
৪৮। জামিল আহমদ (৩৫), পিতা- মৃত আখলাকুল আম্বিয়া, সাং-ফুলবাড়ী।
৪৯। শেফা বেগম (৩২), স্বামী বাবুল আহমদ, সাং- ঘোষণীও।
৫০। আনোয়ার হোসেন আনু (৫০), পিতা-মৃত লাল মিয়া, সাং-চৌধুরী বাজার।
৫১। ইমাম উদ্দিন কানাই (৪০), পিতা-আঃ মনাফ, সাং-পুরকায়স্থ বাজার।
৫২। দেলোয়ার হোসেন (৩৮), পিতা- আহমদ আলী, সাং-বালুচর ফুলসাইন্দ।
৫৩। জাহেদ আহমদ (৫২), পিতা- ধলা মিয়া, সাং- ফুলসাইন্দ।
৫৪। আবুল হোসেন (৫৫), পিতা-ছরই মিয়া, সাং- নোয়াই।
৫৫। পিয়ারা বেগম (৩৫), স্বামী ফারুক মিয়া, সাং- লক্ষনাবন্দ (নিলামপাড়া)।
৫৬। বিভা রানী দাশ (৫০), স্বামী-মৃত রাম কানাই দাস, সাং-দাসপাড়া ফুলসাইন্স।
৫৭। শাপলা আক্তার (২৮), পিতা-আশা মিয়া, সাং- নওয়াই দক্ষিণভাগ, দক্ষিণপাড়া।
৫৮। মোহাম্মদ কবিরুল ইসলাম (৪০), পিতা-সিদ্দিক আলী, সাং-ইসলামপুর।
৫৯। শামীম আহমদ (৩৩), পিতা-সুৱাই মিয়া, গাং-ঘাওয়া।
৬০। কামরান হোসেন (৪০), পিতা-মৃত ফজলুর রহমান, সাং-সুন্দিশাইল।
৬১। মোঃ গিয়াস উদ্দিন (৪২), পিতা- গৌছ উদ্দিন, সাং-রফিপুর।
৬২। বুদু মিয়া (৫৫), পিতা- মৃত তজমুল আলী, সাং- মেহেরপুর।
৬৩। ফয়ছল আহমদ (৩৪), পিতা-আব্দুল মতলিব, সাং- শিলঘাট।
৬৪। ছালেহা বেগম (৪০) স্বামী- আব্দুল জলিল লিমন, সাং-আমুড়া।
৬৫। রাজিয়া সুলতানা (৫০), স্বামী আবুমিয়া, সাং- কদমরসুল।
৬৬। ছালমা খানম (২৮), স্বামী-আঃ কাদির, সাং- শিলঘাট।

উল্লেখিত সবারই বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায়।
অর্থের বিনিময়ে ভোটঃ গোলাপগঞ্জে ৬৬ জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে মামলা

অর্থের বিনিময়ে ভোটঃ গোলাপগঞ্জে ৬৬ জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে মামলা


আড়াই মাস আগে অনুষ্ঠিত সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যান গোলাপগঞ্জের অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান চৌধুরী। এবার তিনি টাকা ফেরত চেয়ে মামলা করেছেন ভোটারদের বিরুদ্ধে। তার এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয় ৬৬ জনকে। আজ রোববার সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন তিনি। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী দেব্রত চৌধুরী লিটন।

তিনি জানান, মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে নির্বাচন করেন অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান চৌধুরী।

নির্বাচনে ভোটের আশায় ভোটারদের বিভিন্ন অংকের টাকা দেন। কিন্তু তিনি জয়লাভ করতে পারেননি। পরে টাকা ফেরত চেয়েও পাননি। অবশেষে টাকা ফেরত পেতে আদালতে মামলা করেন।যদিও মামলার এজাহারে তিনি টাকার বিনিময়ে ভোটের বিষয়টি উল্লেখ করেননি। বিভিন্ন অজুহাতে ভোটাররা টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। 

Saturday, 24 December 2022

প্যারিসে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩

প্যারিসে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩


ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের কেন্দ্রস্থলে এক বন্দুকধারীর গুলিতে ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার সকালে একটি কুর্দি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও সেলুনের কাছে এ গুলির ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির।

ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজন ৬৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ফরাসি নাগরিক। আগের দুটি হত্যাচেষ্টার ঘটনায় পুলিশের নজরে এসেছিলেন তিনি। তবে আজকের হামলার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেনি প্যারিস পুলিশ। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঘটনায় সাত থেকে আটটি গুলির শব্দ শোনা যায়। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। অপর দুজনের অবস্থাও বেশ খারাপ।

পুলিশ কোনো বাধা ছাড়াই সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করে। তার কাছ থেকে হামলায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে 
শ্রেষ্ঠ জয়িতার পদক পেলেন অধ্যাপক ডাঃ শামসুন্নাহার বেগম হেনা

শ্রেষ্ঠ জয়িতার পদক পেলেন অধ্যাপক ডাঃ শামসুন্নাহার বেগম হেনা



শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন গোলাপগঞ্জের চন্দরপুর গ্রামের মেয়ে অধ্যাপক ডাঃ শামসুন্নাহার বেগম হেনা। আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস-২০২২ উপলক্ষে এবং ''জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ শীর্ষক'' কার্যক্রমের আওতায় সফল নারী হিসেবে তাঁর হাতে এ সম্মাননা স্মারক ও সনদ তুলে দেয়া হয়।

গত ৯ ডিসেম্বর গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তাঁর হাতে সনদ ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুর কাদির শাফি চৌধুরী এলিম। অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী মান্নান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা খাতুন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন প্রমুখ।

শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে শ্রেষ্ট জয়িতার পদক পাওয়া অধ্যাপক ডাঃ শামসুন্নাহার বেগম হেনা বেশ পরিচিত মুখ। একজন নারী হয়েও সব বাঁধ ভেঙ্গে উচ্চ শিক্ষা অর্জন শেষে সাফল্য ও সুনামের সহিত দীর্ঘদিন থেকে তিনি সিলেট নগরীতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছেন। বর্তমানে তিনি সিলেটের আল-হারামাইন হাসপাতালের চীফ কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। 

শামসুন্নাহার বেগম হেনা'র বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার চন্দরপুর গ্রামে। তাঁর পিতার নাম আমিন আলী, মাতা ফাতেমা বেগম। পরিবারে ৩ ভাই-বোনের মধ্যে শামসুন্নাহার বেগম হেনা বড় মেয়ে। সামাজিক অঙ্গনে ডাঃ শামসুন্নাহার বেগম হেনা ও তাঁর পরিবারের অবদান রয়েছে ব্যাপক। 

ব্যক্তিজীবনে ডাঃ শামসুন্নাহার বেগম হেনা সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের মেডিসিন প্রফেসর ডাঃ ইসমাইল পাঠোয়ারীর সহধর্মিণী। পারিবারিক জীবনে তিনি ১ মেয়ে ও ১ ছেলে সন্তানের জননী। মেয়ে ডাঃ ইশরাত তাহসিন বিসিএস কমপ্লিট করে বর্তমানে সিলেটে স্কুল হেলথ মেডিকেল অফিসার পদে কর্মরত রয়েছেন এবং ছেলে আহমদ ইশতিয়াক গ্রাজুয়েশন শেষ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে উচ্চতর প্রশিক্ষণরত রয়েছেন।

Thursday, 22 December 2022

ঢাকাদক্ষিণ-সুনামপুর সড়কে পাহাড় ধসের শঙ্কাঃ ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

ঢাকাদক্ষিণ-সুনামপুর সড়কে পাহাড় ধসের শঙ্কাঃ ঘটতে পারে দুর্ঘটনা


গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণ-সুনামপুর সড়কের রায়গড় নামক স্থানে কোনোরকম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় টিকে আছে পাহাড়ের একটি অংশ। যা যেকোনো সময় ধসে পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রায়গড়ের কালা মিয়ার ডাউন নামক স্থানে সড়কের পার্শ্ববর্তী একটি পাহাড়ের বড় একটি খণ্ড ধসে পড়ার অবস্থায় রয়েছে। ইতোমধ্যে পাহাড়ের একটি খণ্ড গাছাপালা-সহ সড়কের উপর চলে এসেছে। যা যেকোনো মুহুর্তে ধসে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। 

স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই পাহাড়ের এ অংশটি ধসে পড়ে সড়কপথের যোগাযোগ বিচ্ছিন করার পাশাপাশি ঘটাবে দুর্ঘটনাও। পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ খণ্ডটি অপসারণ করে যেন বিপদমুক্ত করা যায় সেজন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন।

এব্যাপারে কথা হলে গোলাপগঞ্জ উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা অভিজিত চৌধুরী বলেন, ছবি দেখে পাহাড়ের একটি খণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ মনে হচ্ছে। বিপদের শঙ্কা থাকায় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান তিনি।
আগামী জুন থেকে ঢাকা-সিলেট ননস্টপ ট্রেন চলবে

আগামী জুন থেকে ঢাকা-সিলেট ননস্টপ ট্রেন চলবে


আগামী বছরের জুন থেকে ঢাকা-সিলেট রুটে দ্রুতগ্রামীর ননস্টপ ট্রেন চালু হবে। এর মাধ্যমে ঢাকা থেকে সিলেটে যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমে আসবে।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৪তম বৈঠকে এ তথ্য জানান রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন।

সভা শেষে কমিটির সদস্য এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ বলেন, ঢাকা থেকে সিলেটে যে কয়টা আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে, সেগুলোর প্রচুর স্টপেজ থাকায় যাত্রীদের সময়ক্ষেপণ হয়। বিরতিহীন ও দ্রুতগতির ট্রেন চালু হলে সিলেট বিভাগের মানুষের ভোগান্তি অনেকটা কমে আসবে। তবে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে একটি স্টপেজ রাখার কথা আলোচনা হচ্ছে।

সভায় রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল এমপি, মো. শফিকুল আজম খান এমপি, মো. সাইফুজ্জামান এমপি, এইচ এম ইব্রাহিম এমপি, নাছিমুল আলম চৌধুরী, বেগম নাদিরা ইয়াসমিন জলি এমপি ও রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।