Friday, 2 July 2021

করোনার ঊর্ধ্বগতিঃ গোলাপগঞ্জে শনাক্ত বেড়ে ৫২৮ জনে

করোনার ঊর্ধ্বগতিঃ গোলাপগঞ্জে শনাক্ত বেড়ে ৫২৮ জনে


করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে চলছে ৭ দিনের জন্য 'কঠোর' বিধিনিষেধ। কঠোর এ লকডাউনের ২য় দিন গোলাপগঞ্জে নতুন করে ৫ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে উপজেলায় মোট শনাক্ত বেড়ে দাড়িয়েছে ৫২৮জনে।

নতুন ৫ জনের শনাক্তের দিন উপজেলায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২ জন। এনিয়ে উপজেলাজুড়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৮১ জন। এখন পর্যন্ত উপজেলায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২ হাজার ৮২৯ জনের৷ 

শুক্রবার (২ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিনুর ইসলাম শাহীন। 

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ফের ইসরাইলের বিমান হামলা

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ফের ইসরাইলের বিমান হামলা



যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজা উপত্যকায় ফের বিমান হামলা চালিয়েছে বর্বর ইসরাইল। শুক্রবার ভোরে এ হামলা চালানো হয়। খবর আনাদোলুর।

খবরে বলা হয়, গাজায় হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে শুক্রবার ভোরের দিকে ইসরাইল বিমান হামলা চালিয়েছে।

ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) টুইটারে এক বার্তায় বলে, গাজা থেকে বিস্ফোরকভর্তি বেলুন পাঠানোর জবাবে হামাসের অস্ত্রাগারে হামলা চালানো হয়। সেখানে অস্ত্র সম্পর্কিত গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ চলত।

যদিও এ হামলার বিষয়ে হামাস এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে ১০ মে গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল। এর পর থেকে ২১ মে পর্যন্ত ইসরাইলি বিমান হামলায় গাজায় ২৮৯ ফিলিস্তিনি নিহত হন। অপরদিকে হামাসের ছোড়া রকেটে নিহত হন ইসরাইলের ১৩ জন। পরে মিসরের মধ্যস্থতায় ২১ মে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে শান্ত হয় পরিস্থিতি। কিন্তু এ যুদ্ধবিরতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গাজায় ফের বিমান হামলা চালালো ইসরাইল।

সিলেটে মুখে ওড়না বেঁধে গৃহবধূ ধর্ষণ

সিলেটে মুখে ওড়না বেঁধে গৃহবধূ ধর্ষণ


সিলেটে মুখে ওড়না দিয়ে বেঁধে এক গৃহবধূ (২১) ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) রাতে বিমানবন্দর থানাধীন এলাকায় আমিনুর রহমান আমির নামের এক যুবক ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় গৃহবধূ বিমানবন্দর থানায় আমির নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, প্রায় ১৫ দিন পূর্বে গোয়াইনঘাট এলাকা থেকে বিমানবন্দর এলাকাস্থ পিত্রালয়ে এক সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে আসেন গৃহবধূ। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে গৃহবধূর পিতা-মাতা তাকে বাসায় একা রেখে তার তিন বছরের সন্তানকে সাথে নিয়া ধোপাগুলস্থ তাদের রেষ্টুরেন্টে চলে যান। রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে গৃহবধূ প্রকৃতির ডাকে ঘর হতে বের হয়ে পূনরায় ঘরের ভেতরে এসে ঘরের দরজা বন্ধ করেন এবং বিছানায় যান। এসময় আমিনুর রহমান আমির গৃহবধূকে বিছানার উপর ঝাপটে ধরে। তখন গৃহবধূ চিৎকার করার চেষ্টা করলে আমির তার ওড়না দিয়ে মুখে চাপ দিয়ে ধর্ষণ করে। রাত ৯টার দিকে গৃহবধূর পিতা-মাতা বাড়ীতে এসে ঘরের দরজা খোলার জন্য ডাকাডাকি করলে তখন আমির গৃহবধূকে ছেড়ে দিয়ে পিছনের দরজা খুলে পালিয়ে যায়। ভিকটিমের দরজা খুলতে দেরি হওয়ায় এবং পিছনের দরজা খোলার শব্দ পেয়ে তার পিতা-মাতা বিবাদী আমিরকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখতে পান।

মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার আশরাফ উল্যাহ তাহের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গৃহবধূ গোয়াইনঘাট থেকে প্রায় ১৫ দিন পূর্বে বিমানবন্দর থানাধীন এলাকাস্থ তার পিত্রালয়ে আসেন বেড়ানোর জন্য। বৃহস্পতিবার ওই গৃহবধূকে আমির নামের এক যুবক ধর্ষণ করেছে বলে গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

Thursday, 1 July 2021

লকডাউনে নিরব-নিস্তব্ধ সিলেট

লকডাউনে নিরব-নিস্তব্ধ সিলেট

ছবি : ইদ্রিছ আলী


পিচঢালা রাস্তা ধরে যতদূর চোখ যায়, নেই যান আর জনমানুষের রুদ্ধশ্বাস ছুটে চলা। সড়কবাতিগুলো ঠায় দাঁড়িয়ে আছে নি:সঙ্গ, একা। নেই রিকশার টুংটাং আর কান বিদীর্ণ করা গাড়ির হর্নের বিকট শব্দ। বিপণিবিতান আর দোকানপাটে ঝুলছে তালা। প্রায় জনমানবশূন্য গা ছমছমে এক শহর সিলেট।

করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ ঠেকাতে ৩ দিনের ‘সীমিত লকডাউন’ শেষে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) ভোর থেকে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো সিলেটেও শুরু হয়েছে ‘কঠোর লকডাউন’।

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনে (বৃহস্পতিবার) প্রায় যান ও জনশূণ্য অবস্থায় ছিলো সিলেটের রাস্তাঘাট। ব্যস্ততম সড়কগুলোও ছিলো ফাঁকা। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া বাসা-বাড়ি থেকে বের হননি মানুষজন।

দিনমান শহর ঘুরে দেখা যায়, নগরীর প্রবেশদ্বার ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। এছাড়া লকডাউন বাস্তবায়নে রাস্তায় টহল দিচ্ছে র‍্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী।

এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সকালে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যে নগরীর কোর্ট পয়েন্ট, চৌহাট্টা পয়েন্ট, আম্বরখানা, মদিনামার্কেট, শেখঘাট জিতু মিয়ার পয়েন্ট ও পাঠানটুলাসহ বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। রাস্তায় বের হওয়া লোকজন ও যানবাহন আটকে ঘর থেকে বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞাস করেন তারা। সদুত্তর না পেলে যাত্রীদের ফিরিয়ে দেয় পুলিশ। আর যানবাহনের কাগজপত্র না থাকলে হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় মামলার কাগজ।

সকাল থেকে নগরীর রাস্তায় রিকশা চলাচল করলেও তা অন্যদিনের তুলনায় ছিলো কম। বাস, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনাসহ সবধরণের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অতি জরুরি প্রয়োজনে কেউ প্রাইভেট গাড়ি বা মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হলে পড়তে হয় পুলিশি জেরা ও তল্লাশির মুখে। রিকশা আটকেও যাত্রীদের ঘর থেকে বের হওয়ার কারণ জানতে চাচ্ছে পুলিশ।

এছাড়া নগরীর প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত চন্ডিপুল, হুমায়ূন রশিদ চত্বর, টিলাগড়, বিমানবন্দর সড়ক, কুমারগাঁওয়ে চৌকি বসিয়ে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল রোধ করে পুলিশ।

এদিকে, নগরীতে দিনের বেলা নিত্যপণ্য, ফার্মেসি ও জরুরি সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সবধরণের দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ ছিলো। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান খোলা থাকলেও ক্রেতাসমাগম খুবই কম।

তবে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে সিলেট নগরীতে দেখা যায় অন্যরকম এক চিত্র। যে শহরে মধ্যরাত পর্যন্ত থাকে কোলাহল, সেই শহর সন্ধ্যার সঙ্গে সঙ্গে হয়ে পড়ে ভুতুড়ে। যে অল্পসংখ্যক মানুষ জরুরি প্রয়োজনে বাইরে ছিলেন তাদেরকেও ত্রস্ত পায়ে ফিরতে দেখা যায় নিজ নীড়ের দিকে। অনেক্ষণ পর পর দেখা যায় একটা-দুটা রিকশা বা মোটরসাইকেল।


সৌজন্যেঃ সিলেট ভিউ২৪ ডটকম

কঠোর লকডাউন দেখতে এসে আটক ১০০

কঠোর লকডাউন দেখতে এসে আটক ১০০


ডেস্ক নিউজঃ করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সাত দিনের জন্য দেশজুড়ে আরোপ হয়েছে 'কঠোর' বিধিনিষেধ। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে কার্যকর হওয়া এই লকডাউন চলবে আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত। এবারের লকডাউনে সরকারের পক্ষ থেকে বিধিনিষেধ 'কঠোর'ই করার ইঙ্গিত মিলেছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হলেই গ্রেপ্তার করার কথা বলেছে পুলিশ। বিধিনিষেধ মানতে বাধ্য করতে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনীও।

আর কঠোর এ লকডাউন কেমন চলছে তা দেখতে এসে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় শতাধিক ব্যক্তি আটক হয়েছেন পুলিশের হাতে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিরপুর বিভাগ তাদেরকে আটক করে। পাশাপাশি অর্ধশত যানবাহনকে মামলার আওতায় নিয়ে এসেছে তারা।

বৃস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মিরপুর, গাবতলী, টেকনিক্যাল, শাহ আলী, পল্লবী, মিরপুর, কাফরুলসহ অন্যান্য পুলিশ শতাধিক জনকে আটকসহ অর্ধশতাধিক যানবাহনকে মামলা দেয়। মিরপুরে দুই জন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এখনো চলছে পুলিশের ভ্রাম্যমাণ অভিযান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) আ স ম মাহতাব উদ্দিন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা থেকে শুরু হওয়া সরকারি বিধিনিষেধ পরিপালনে মাঠে কাজ করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

মিরপুর বিভাগের ডিসি আ স ম মাহতাব উদ্দিন জানান, মিরপুরের বিভিন্ন পয়েন্টে সকাল থেকেই দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা। স্থাপন করা হয়েছে একাধিক চেকপোস্ট। এসব চেকপোস্টে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট থানার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।

সিলেটের প্রতিটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিঃ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

সিলেটের প্রতিটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিঃ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত



কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে সিলেটের প্রতিটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উজানের ঢলে গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও জৈন্তাপুরের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব উপজেলার বেশকিছু এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী তিন থেকে চার দিন এভাবে বৃষ্টি থাকবে। এরপর থেকে কমবে বৃষ্টির পরিমাণ।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৩০ জুন) সুনামগঞ্জের যাদুকাটা ও সারি নদীর পানি বিপদসীমার নিচ নিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৯ জুন) এ দুই নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।

আর মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বুধবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ স্টেশনে ১৭৫ মিলিমিটার, লালাখালে ৯২ মিলিমিটার, জাফলংয়ে ৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন এভাবে বৃষ্টিপাত হবে। তবে এই বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক। টানা বৃষ্টিপাত আরও আগে হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সেটি অনেক দেরিতে হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, আগামী তিন দিন এরকম টানা বৃষ্টি হবে। সিলেটে দিনে ও রাতে সমানতালে বৃষ্টি হচ্ছে। এটি সিলেটের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত।

এদিকে উজানের ঢলে সিলেটের গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও জৈন্তাপুরের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব উপজেলার বেশি কিছু এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।

তথ্যানুযায়ী, ভারতের চেরাপুঞ্জি স্টেশনে ২২১ মিলিমিটার, শিলংয়ে ৪২ মিলিমিটার এবং আইযল স্টেশনে ৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এতে করে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদী সুনামগঞ্জ ও তিস্তা নদী ডালিয়ে পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

সিলেট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া সেল) শামমা লাবিবা অর্ণব বলেন, বন্যা হলে ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি আছে। সিলেট জেলার অভ্যন্তরে সব বাঁধও পরীক্ষা করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুজ্জামান সরকার, সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টিপাত এবং উজানে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বৃষ্টির কারণে নদীগুলোর পানি বাড়ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সুরমার পানি আরও বাড়তে পারে।
সেনাদের টহলঃ জনশূন্য বিয়ানীবাজারের রাস্তাঘাট

সেনাদের টহলঃ জনশূন্য বিয়ানীবাজারের রাস্তাঘাট


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনে যান ও জনশূণ্য অবস্থায় রয়েছে বিয়ানীবাজারের রাস্তাঘাট। ব্যস্ততম সড়কগুলোও রয়েছে ফাঁকা। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না মানুষ। পৌরশহরসহ উপজেলাজুড়ে এমনই চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেনাবাহিনী ও বিজিবির একাধিক টিম লকডাউন কার্যকরে মাঠে কাজ করছে। সকাল থেকে উপজেলাজুড়ে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও বিজিবিকে টহল দিতে দেখা গেছে।

এছাড়া বারইগ্রাম-সিলেট আভ্যন্তরীন সড়কসহ সবকটি সড়কের বিয়ানীবাজার অংশে চলছে না কোনো গণপরিবহন। জরুরি সেবার আওতাভুক্ত কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি চলছে। তারপরও পরিচয়পত্র যাচাই-বাছাই করে ছাড়ছে ট্রাফিক পুলিশ। সীমিত লকডাউনে মোটরসাইকেল চলতে দেওয়া হলেও এখন তা চলতে দেওয়া হচ্ছে না। রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিয়ানীবাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান জানান ‘সকাল থেকে কোনো গণপরিবহন চলতে দেওয়া হচ্ছে না। জরুরি প্রয়োজনে কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করছে’। বিয়ানীবাজার পৌরশহরসহ উপজেলায় সর্বমোট পাঁচটি প্রবেশমুখে পুলিশের চেকপোস্ট থাকছে। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে পুলিশের একটি টিম সহযোগিতা করছে। পাশাপাশি উপজেলাজুড়ে পুলিশের দুটি মোবাইল টিম সক্রিয় রয়েছে।

বিয়ানীবাজার পৌরশহর ও উপজেলার বারইগ্রাম বাজারে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক নূর ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) মুশফিকীন নূর। তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। বিনা প্রয়োজনে কাউকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। তারা আরও বলেন, বিয়ানীবাজারে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা উপজেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন।