Tuesday, 21 September 2021

লটারিতে ১২ কোটি টাকা জিতলেন অটোচালক

লটারিতে ১২ কোটি টাকা জিতলেন অটোচালক



লটারি জিতে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন ভারতের কেরালার এক অটোচালক। এক লটারিতেই তিনি ১২ কোটি টাকা পেয়েছেন। ১০ দিন আগে ওই টিকিট কেনেন দরিদ্র অটোচালক।

ওই অটোচালকের নাম জয়পালান পি আর। তিনি কেরালার মারাডুর বাসিন্দা। রাতারাতি বড়লোক হওয়া জয়পালানের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কী করে নম্বর বেছে নিয়েছিলেন বা নম্বর বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কারও পরামর্শ নিয়েছিলেন কিনা।

জবাবে সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে কোটিপতি অটোচালক বলেন, ‘লটারির নম্বর ছিল টিই৬৪৫৪৬৫। সংখ্যাটি দেখে আমার ভালো লেগেছিল বলেই ওই টিকিটটি কেটেছিলাম। এ ব্যাপারে কারও পরামর্শ নেইনি।

ত্রিপুনীথুরা থেকে গত ১০ সেপ্টেম্বর ওনাম বাম্পার লটারির টিকিটটি কেটেছিলেন জয়পালান। রোববার তিরুঅনন্তপুরমের গোর্কি ভবনে লটারি খেলা হয়। কেরালার অর্থমন্ত্রী কে এন বালগোপাল অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন।
 
কেরালা জুড়ে বিক্রি হওয়া ৫৪ লাখ টিকিটের মধ্যে বেছে নেওয়া হয় প্রথম পুরস্কার বিজেতাকে। জয়ী জয়পালন অবশ্য ১২ কোটি টাকা জিতলেও হাতে পাবেন ৭ কোটি টাকা।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
টানা তৃতীয়বার জয়লাভ করে যা বললেন জাস্টিন ট্রুডো

টানা তৃতীয়বার জয়লাভ করে যা বললেন জাস্টিন ট্রুডো


কানাডার ৪৪তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন দল লিবারেল পার্টি। এর ফলে টানা তৃতীয় মেয়াদে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হলেন জাস্টিন ট্রুডো। অবশ্য লিবারেল পার্টি নির্বাচনে জয়লাভ করলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। 

ফল ঘোষণার পর কানাডার জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাস্টিন ট্রুডো।


টুইটারে ট্রুডো  লিখেছেন, ধন্যবাদ, কানাডা। আপনাদের ভোট ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য লিবারেল টিমের প্রতি আস্থা রাখায়। আমরা করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ইতি টানব। আমরা কানাডাকে এগিয়ে নিয়ে যাব। সবার জন্য।

বিজয়ী ভাষণে ট্রুডো বলেন, আপনারা আমাকে আরেকবার দায়িত্বে পাঠাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে মহামারির সময় পার করে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেওয়ার স্পষ্ট সমর্থন জানালেন। যা করার জন্য আমরা প্রস্তুত।

মঞ্চে ট্রুডোর সঙ্গে তার স্ত্রী সোফি গ্রেগরি ও তাদের সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন।

কানাডার পার্লামেন্টের প্রতিনিধি পরিষদে মোট আসন সংখ্যা ৩৩৮টি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে নির্বাচনে কোনো দল বা জোটকে ১৭০টি আসনে জয়লাভ করতে হয়। তবে ট্রুডোর দল এবারও সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার চালাতে আগের মতোই অন্যদের সমর্থনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।


তবে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ১৫৬টি আসনে জয় পেতে যাচ্ছে লিবারেল পার্টি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে কনজারভেটিভ পার্টিই থাকছে। তারা ১২২টি আসনে জয় পেতে যাচ্ছে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স ও এনবিসি
সিলেটে দুই বোনের আত্মহত্যা: নেপথ্যে ধুম্রজাল

সিলেটে দুই বোনের আত্মহত্যা: নেপথ্যে ধুম্রজাল




সিলেট সিলেট নগরীর ৪নং ওয়ার্ডের আম্বরখানা মজুমদাররি এলাকায় ৩১নং বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাদের স্বজনরা বলছেন, দুই বোন ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। পুলিশ বলছে, এ নিয়ে তদন্ত চলছে।

নিহত দুই বোন হলেন- মজুমদারির ওই বাসার মৃত কলিমউল্লাহর মেয়ে রাণী বেগম (৩৮) ও ফাতেমা বেগম (২৭)।


এ দুই বোন ঠিক কী কারণে ‘আত্মহত্যা’ করলেন, তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এটি ‘হত্যা’ কিনা, সে আলোচনাও আছে। তবে তাদের ভাই শেখ রাজন বলছেন, বিয়ের আলাপ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ‘রাগ ও ক্ষোভ’ থেকে এই চূড়ান্ত পথ বেছে নিতে পারেন তারা। এর মধ্যে রাণীর প্ররোচনায় ফাতেমা আত্মহত্যা করেছেন বলে মনে করছেন তিনি। অন্যদিকে স্থানীয় কাউন্সিলর ঘটনাটিকে ‘সন্দেহজনক’ বলে মনে করছেন।

আম্বরখানা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মফিজুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ভবনের ছাদের উপর থাকা পিলারের রডের সাথে ঝুলন্ত ছিল তাদের মরদেহ।

মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘এই পরিবারের সদস্যদের কিছুটা অ্যাবনরমাল (অপ্রকৃতস্থ, অস্বাভাবিক) মনে হচ্ছে। তারা চাপা স্বভাবের। আত্মীয়স্বজনদের সাথেও তাদের তেমন যোগাযোগ নেই।’

দুই বোনের ‘আত্মহত্যার’ বিষয়ে কথা বলেছেন তাদের ভাই শেখ রাজন।


তিনি বলেন, ‘যে কারণে সমস্যা হয়েছে, একটা বিয়ের প্রস্তাব এসেছিল গত রোববারে। বরের বয়স একটু বেশি, পঞ্চাশ। লন্ডনী, দুই বাচ্চার বাবা। সে (রাণী) বিয়েতে রাজি নয়, ঘরে ঝগড়া করছিল। আমরা তাকে বলি, বিয়ের প্রস্তাব মাত্র এসেছে, বিয়ে তো আর হয়ে যায়নি। আস্তে আস্তে কনে দেখাবো; হলে হলো, না হলে নাই।’

রাজন বলেন, ‘এ নিয়ে সে ঝগড়া করে মায়ের সাথে। বোনের সাথেও ঝগড়া করে। কাল সোমবার ঝগড়া করে সে চাচার বাসায় (একই এলাকায়) চলে যায়। প্রায়ই ঝগড়া হলে এভাবে চাচার বাসায় চলে যায়, সেখানে থেকে আসে। আমরা ভেবেছি, চাচার বাসা থেকে  সে সকালে আসবে। এইপর্যন্ত আমাদের শেষ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ ভোর ৫টায় পাশের বাসা থেকে ডাকাডাকি করে বলে, আমাদের ছাদে মানুষ লটকে আছে। তখন আমরা দৌড়ে ছাদে যাই। গিয়ে দেখি দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ। আমি মরদেহ নিচে নামাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সবাই বলেন, পুলিশ আসুক।’

এক প্রশ্নের জবাবে রাজন বলেন, ‘তারা রাগ করে এমন কাজ করেছে। আমার যে বড় বোন রাণী, তার খুব বেশি রাগ। তার মাথায় সমস্যা আছে। সে ভালো মানুষ এলেও ঝগড়া করে, আত্মীয়স্বজন এলে ঝগড়া করে। ডাক্তার বলেছে, তার মাথায় সমস্যা, তাকে নিয়ে কেউ কোথাও যেও না।’


‘সে (রাণী) আমার আরেক বোনকে (ফাতেমা) নিয়ে মরার কথা বলেছিল। সে বলেছিল, মরবো যখন গা-ঘর জ্বালিয়ে মরবো। বিয়ের আলাপ আসায় তার হিংসে ঢুকেছে যে, আমি বিয়ে করবো কেন। তার মাথা গরম হয়ে যায়। সে নিজে নিজে ফাঁসি লাগিয়ে আমার বোনকে নিয়ে মরেছে।’

দুই বোনের ‘আত্মহত্যার’ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, “তাদের চাচাতো ভাই আমাকে যেটা বললেন যে, কাল রাতে নাকি দুই বোন দা নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে চাচার বাসায় যান। তখন তিনি জিজ্ঞেস করেন, তাদের সমস্যা কী হয়েছে? চলো, আমিও তোমাদের বাসায় যাবো। তখন ওই দুই বোন নাকি বলেছে, তুমি যেও না; গেলে তোমাকেও তারা মারবে। এই ‘তারা’ আসলে কারা? কে তাদেরকে মারতে চেয়েছিল?”

লোদী বলেন, ‘এই বাসায় কাল রাতে আসলে কী হয়েছিল, কেনইবা তারা আশ্রয়ের জন্য বেরিয়ে গিয়েছিল, তাদের হাতে দা কেন ছিল, এরপর আশপাশের লোকজন ভোরে তাদেরকে ঝুলন্ত অবস্থায় ছাদে দেখতে পায়.....এ বিষয়টি আসলে আমি বলতে পারবো না, বলাটা সমীচীনও হবে না। ময়নাতদন্তের পরই জানা যাবে, আসলে কী হয়েছিল। তদন্তসাপেক্ষে আসলে বেরিয়ে আসবে, এই ঘটনার সাথে কারা জড়িত, কী কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, কারাইবা তাদেরকে কাল রাতে বাসা থেকে বের হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, কেনইবা তাদের হাতে দা ছিল, তা পরিষ্কার হবে।’


কাউন্সিলর লোদী বলেন, ‘পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য পরস্পরবিরোধী মনে হয়েছে। তারা তাদের বক্তব্যে একই জায়গায় থাকছেন না। তারা এই এলাকার আদি বাসিন্দা, কিন্তু এলাকায় তাদের সেরকম কোনো সামাজিক সম্পর্ক নেই। একধরনের আইসোলেটেড জীবনযাপন করে তারা। ঘটনাটি শুনে আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে।’

রাণী বেগম নবম শ্রেণি অবধি এবং ফাতেমা বেগম মাস্টার্স পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন বলে জানা গেছে। তাদের পরিবারে পারিবারিক কলহ ‘লেগেই থাকতো’ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানতে চাইলে নগরীর বিমানবন্দর থানার ওসি খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির বলেন, ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এটি আত্মহত্যা কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।


সূত্রঃ সিলেট ভিউ২৪
আল-এমদাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৩ শিক্ষার্থীর সহকারী কৃষি অফিসার পদে নিয়োগ

আল-এমদাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৩ শিক্ষার্থীর সহকারী কৃষি অফিসার পদে নিয়োগ



গোলাপগঞ্জের চন্দরপুর আল-এমদাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের (বর্তমান ডিগ্রী) প্রাক্তন ৩ শিক্ষার্থী একসঙ্গে নিয়োগ পেয়েছেন সহকারী কৃষি অফিসার পদে। কৃষি মন্ত্রণালয় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অদিধপ্তরের নিয়োগপত্রে তাদেরকে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। 

নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন আল-এমদাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১০ এসএসসি ব্যাচের মারজান হোসাইন ও তার সহপাঠী একই ব্যাচের নাজমুল হোসাইন এবং ২০১২ ব্যাচের সেলিনা বেগম।

তাদের প্রত্যেকের বাড়িও একই এলাকায়। মারজান হোসাইনের বাড়ি চন্দরপুর এলাকার বানিগাজী গ্রামে, তার পিতার নাম মুফজ্জিল আলী। একই গ্রামের নাজমুল হোসাইনের পিতার নাম মতিন মিয়া এবং সেলিনা বেগম একই এলাকার কালিডহর গ্রামের উস্তার আলীর মেয়ে।


এদিকে, একই প্রতিষ্ঠানের তিনজন একসঙ্গে নিয়োগ পাওয়ায় বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তারা। তাদের প্রত্যেকের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি এলাকাবাসী এবং শিক্ষকগণও বেশ আনন্দিত।
ছবিতে দেখুন গোলাপগঞ্জে ডাকাত আতঙ্কের একটি রাত

ছবিতে দেখুন গোলাপগঞ্জে ডাকাত আতঙ্কের একটি রাত

ডাকাত আতঙ্কে কেটেছে গোলাপগঞ্জবাসীর পুরো রাত। কুখ্যাত একটি ডাকাতদলকে ধরতেই গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার থানার একাধিক পুলিশ টিম সারারাতব্যাপী নিজেদের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়েছেন। তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার লোকজনও সারারাতব্যাপী দলবদ্ধভাবে নিজেদের এলাকার সুরক্ষায় কাজ করেছেন। অনেকে পুলিশের সাথে থেকে করেছেন সর্বাত্মক সহযোগিতা।


ছবিতে দেখুন বিভিন্ন এলাকাবাসীর তৎপরতাঃ

বিয়ানীবাজার থেকে ডাকাতদল পুলিশের তাড়া খেয়ে চন্দরপুর এসে নিখোঁজ হওয়ায় পুলিশের সাথে এলাকাবাসীও ডাকাতদের খুঁজতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।




পরে খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে চন্দরপুর এলাকার বানিগাজী, কালীডহর, বনগ্রামের যুবকগণ পাহারা দিতে এলাকার বিভিন্ন রাস্তা টহল দেন।



এসময় পুলিশকে সহযোগিতা করতে দেখা গেছে তাদের।


এদিকে উপজেলাব্যাপী ডাকাত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ঢাকাদক্ষিণের দত্তরাইল গ্রামের সচেতন মহল রাত জেগে নিজেদের এলাকায় অবস্থান নেন।


ডকাতদলকে প্রতিহত করতে তারা সদা তৎপর ছিলেন।



ঢাকাদক্ষিণের বাইপাস রোডেও অবস্থান নেন এলাকার সচেতন মহল।


এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রাত জেগে পাহারা দিয়েছেন নিজ নিজ এলাকার সচেতন লোকজন।

জানা গেছে, পুলিশের তাড়া খেয়ে একদল ডাকাত গোলাপগঞ্জের চন্দরপুরের দিকে আসে। পরে তাদের আর খুঁজে পাচ্ছে না গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার থানা পুলিশে টিম। তাদের খুজতে অব্যাহত অভিযান চালাচ্ছে দুই থানার পুলিশ টিম।


গোলাপগঞ্জ থানার এসআই হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের তাড়া খেয়ে নোহা গাড়ি ভর্তি কুখ্যাত একদল ডাকাত চন্দরপুরের দিকে আসে। তাদের পেছন পেছন বিয়ানীবাজার পুলিশ দল আসলেও চন্দরপুর এসে ডাকাতদলের আর হদিস মিলে নি। পরে সারারাতব্যাপী দুই থানার একাধিক পুলিশ টিম ডাকাতদলের সন্ধানে টহল চালায়। কিন্তু তাদের আর খোঁজ পাওয়া যায় নি।

সিলেট নগরীতে আপন দুই বোনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

সিলেট নগরীতে আপন দুই বোনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার



সিলেট নগরীর বিমানবন্দর থানার আম্বরখানা মজুমদারী এলাকার ৩১ নং বাসার ছাদ থেকে রাণী জমিদার (৩৮) ও ফাতেমা বেগম (২৭) নামে আপন দুই বোনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।


মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬ টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা দুইজন ওই বাসার কলিমউল্লাহর মেয়ে।

লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের।

এদিকে দুই বোনের লাশ উদ্ধারের ব্যাপারে বিমানবন্দর থানার আম্বরখানা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মফিজুল ইসলাম বলেন, সকাল ৬ টার দিকে আশপাশের লোকজন জানালা দিয়ে তাদের দুই বোনের লাশ বাসার ছাদের রডে ঝুলে থাকতে দেখে চিল্লাচিল্লি শুরু করেন। তখন আমাদের খবর দেওয়া হয়। আমরা গিয়ে তাদের ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় লাশগুলো উদ্ধার করি।


প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবেই মনে হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
গোলাপগঞ্জে আটক ২ যুবক ডাকাত নয়

গোলাপগঞ্জে আটক ২ যুবক ডাকাত নয়



গোলাপগঞ্জে মধ্যরাতে উপজেলা জুড়ে হঠাৎ ডাকাত আতঙ্ক দেখা দেয়। এসময় ডাকাত সন্দেহে উপজেলার আমুড়া ইউনিয়ন থেকে দুই যুবককে আটক করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। তবে তারা দুজন ডাকাত নয়।


জানা যায়, পাশ্ববর্তী উপজেলা বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ নোহা গাড়ি ভর্তি একটি ডাকাত দলকে তাড়া করলে তারা গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারীবাজার ইউনিয়নের চন্দরপুরের দিকে প্রবেশ করে।

এখবর বুধবারীবাজার ইউনিয়নের চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকার মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলার সবত্র মানুষ পাহাড়ায় নেমে পড়েন। 

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশও ডাকাত দলকে ধরতে অভিযানে নামে। এসময় আমুড়া থেকে সন্দেহজনকভাবে দুইজনকে আটক করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। তবে তারা দুইজন ডাকাত নয় বলে জানিয়েছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।


তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হয়েছি যাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয় তারা ডাকাত নয়।