সিলেটের নুবায়শা তাক লাগিয়ে দিলো বিশ্ববাসীকে

সিলেটের নুবায়শা তাক লাগিয়ে দিলো বিশ্ববাসীকে



সিলেটের নুবায়শা তাক লাগিয়ে দিলো বিশ্ববাসীকে। বিশ্বপত্র লিখন প্রতিযোগিতায় নগরীর আনন্দ নিকেতনের ছাত্রী নুবায়শা ইসলাম বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কিশোর-কিশোরীকে পরাজিত করে বিশ্ব জয় করেছে। বিশ্ব ডাক সংস্থার (ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন-ইউপিইউ) আয়োজিত ৫০ তম পত্র লিখন প্রতিযোগিতায় নুবায়শা প্রথম পুরস্কার লাভ করেছে।


পত্র লেখার বিষয় ছিলো কোভিড-১৯। নুবায়শা তার অনাগত বোনকে উদ্দেশ্য করে লেখা চিঠিতে করোনাকালে মৃত্যুভয়, স্বজন হারানোর ভয়ের কথা উল্লেখ করেও প্রচন্ড আশাবাদ ব্যক্ত করে একটি ভালো সময়ের জন্যে প্রত্যাশা করেছে। সিলেটের আনন্দ নিকেতন স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী চৌদ্দ বছর বয়েসী নুবায়শা ইসলাম সুইজারল্যান্ডে গিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করবে। তার সাফল্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার নিজের ফেইসবুক আইডিতে সবাইকে চিঠিটি পড়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে লিখেছেন, ‘নুবায়শাকে অভিনন্দন।


পাশাপাশি আমরা তার পিতা-মাতা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও অভিনন্দন জানাই। জয় বাংলা। ভালো থাকো আমাদের স্বর্ণকিশোরী।’ নুবায়শা বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট-এর যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং সিলেট গ্রামার স্কুলের সিনিয়র শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার দম্পতির একমাত্র কন্যা। নুবায়শার শখ বই পড়া এবং তার পছন্দের রং কালো। এদিকে, মাধবপুর অ্যাসোসিয়েশন সিলেট-এর পক্ষ থেকে নুবায়শাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। নুবায়শার বাবা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মাধবপুর অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
Previous Post Next Post
>
>