Thursday, 2 September 2021

সিলেট জেলা আ.লীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান আর নেই

সিলেট জেলা আ.লীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান আর নেই



সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য এডভোকেট লুৎফুর রহমান আর নেই। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা.সাকির এহমদ শাহিন।

এর আগে ১৫ জুলাই শারিরীক অসুস্থতা বোধ করায় সিলেট সীমান্তিক ল্যাবে শরীরের নমুনা পরিক্ষা দেন। রাতে নমুনার পরীক্ষার ফলাফলে তাঁর করোনা পজেটিভ আসে। এরপর তিনি নগরীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন। 

দুই দিন আগে হঠাৎ করে আবার অসুস্থবোধ করলে তাকে আবারও ক্লিনিকে ভর্তি করা হলে তিনি মুত্যু বরণ করেন।
সড়ক দুর্ঘটনায় ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকের মৃত্যু

সড়ক দুর্ঘটনায় ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকের মৃত্যু



বিয়ানীবাজারের জলঢুপ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন গোলাপগঞ্জের ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আইয়ুব আলী (৫২), ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর বাড়ি পার্শ্ববর্তী বড়লেখা উপজেলার তারাদরম গ্রামে। তিনি তারাদরম এলাকার মৃত আব্দুল মালিকের পুত্র।


নিহত আইয়ুব আলী (৫২) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সিলেট জেলার প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এবং খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সিলেট জোনের সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন। 

বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে জলঢুপের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে অজ্ঞাত যানবাহনের ধাক্কায় তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।লাশের পাশে থাকা লাল রঙের মোটর সাইকেলটি (সিলেট ল১১-৪৮৭০) ধুমড়ে মুচড়ে যায়।


খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। নিহতের মাথা ও মুখ পুরোটাই থেতলে গেছে। সড়কের উপর ছড়িয়ে রয়েছে মস্তিকের ক্ষতবিক্ষত অংশ।

বিয়ানীবাজার থানা পু্লিশ সূত্রে জানা গেছে, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে এ্যাম্বুল্যান্সে করে থানা নেয়া হয়েছে এবং  ময়না তদন্তের জন্য সিলেটের ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে। 
বিয়ানীবাজার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত

বিয়ানীবাজার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত



বিয়ানীবাজারের জলঢুপ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তির নাম মাওলানা আইয়ুব আলী (৫২)। তাঁর বাড়ি পার্শ্ববর্তী বড়লেখা উপজেলার তারাদরম গ্রামে। 

তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সিলেট জেলার প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এবং খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সিলেট জোনের সহকারী পরিচালক। তাঁর বাড়ি বড়লেখা উপজেলা তরাদরম এলাকায়। তিনি গোলাপগঞ্জের ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে জলঢুপের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে অজ্ঞাত যানবাহনের ধাক্কায় তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান।লাশের পাশে থাকা লাল রঙের মোটর সাইকেলটি (সিলেট ল১১-৪৮৭০) ধুমড়ে মুচড়ে গেছে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। নিহতের মাথা ও মুখ পুরোটাই থেতলে গেছে। সড়কের উপর ছড়িয়ে রয়েছে মস্তিকের ক্ষতবিক্ষত অংশ।

বিয়ানীবাজার থানা পু্লিশ সূত্রে জানা গেছে, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে এ্যাম্বুল্যান্সে করে থানা নেয়া হয়েছে এবং  ময়না তদন্তের জন্য সিলেটের ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে।  

Wednesday, 1 September 2021

বিয়ানীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তি নিহত

বিয়ানীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তি নিহত



বিয়ানীবাজারের জলঢুপ এলাকায় মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ (বুধবার) রাত ১০টার দিকে রাস্তার পাশে ওই ব্যক্তির লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।



লাশের কাছাকাছি একটি লাল রঙের রেজিস্ট্রেশন (সিলেট-ল ১১-৪৮৭০) পালসার মোটর সাইকেল রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, বিপরীত দিক থেকে আসা কোন ঘাতক যানবাহন ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে ওই ব্যক্তি মারা যান। তার মাথা থেতলে রাস্তায় রক্ত ও মস্তিকের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে পড়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। একই সাথে ঘাতক অজ্ঞাত যানবাহনেরও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থালে যাচ্ছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ।


নিহতের পরনে ছিল সাদা রঙের পায়জামা ও টিশার্ট। স্থানীয়দের ধারণা তিনি বিয়ানীবাজারের দিক থেকে থানাবাজারের দিকে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুত গতি কোন যানবাহন তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। লাশে কাছাকাছি থাকা লাল রঙের মোটর সাইকেলটির এক পাশ ধুমড়ে-মুচড়ে গেছে।
দক্ষিণ সুরমা ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি গঠন

দক্ষিণ সুরমা ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি গঠন



দক্ষিণ সুরমার আর্ত সামাজিক ও শিক্ষার উন্নয়নমূলক সংগঠন দক্ষিণ সুরমা ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল উপজেলার লালাবাজারস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক জরুরী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়। 


সভায় সংগঠনের ধারা মোতাবেক ৬নং লালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পীর ফয়জুল হক ইকবালকে প্রধান উপদেষ্টা, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডাঃ গিয়াস উদ্দিনকে সভাপতি ও শফিক আহমদ শফিকে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। 


কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ সভাপতি জহিরুল হক শিকদার, সেলিম আহমদ, মনসুর আলম, ডাঃ আজাদ আহমদ, মফিজ খান, আফতাবুল ইসলাম জবর, সহ সাধারন সম্পাদক নোমানুল ইসলাম সাজু, জুনেদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আনহার,  সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছির হামিদ,জুবায়ের আহমদ, কোষাধ্যক্ষ নাজমুল হুদা তারেক, প্রকাশনা সম্পাদক নাইমুর রহমান শাহনুর, প্রচার সম্পাদক খায়রুল ইসলাম সুমেল, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নাছিম হোসাইন হিমু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত আনছার, তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শরিফ আহমদ মুমিন, ক্রীড়া আহমদ মিফতা আহমদ. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মুহিবুর রহমান, ধর্ম সম্পাদক রেজাউল ইসলাম খান।

বিজ্ঞপ্তি
সিলেট-৩ আসনে উপনির্বাচন: ৫ দিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

সিলেট-৩ আসনে উপনির্বাচন: ৫ দিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আর মাত্র দু’দিন পরেই সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এ আসনে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ উপলক্ষে ১ সেপ্টেম্বর সকাল আটটা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণার সুযোগ। সে হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা।


এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে এ আসনের ৩ উপজেলায় (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাঁরা নির্বাচনের আগে দুইদিন, পরে দুইদিন ও নির্বাচনের দিন দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমশিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ, অপরাধ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচার কাজ সম্পন্ন করতে সিলেটের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রজমান ভূঁঞাকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলায়, অঞ্জন কান্তি দাসকে বালাগঞ্জ উপজেলায় এবং সিলেটের মেট্রোপলিট্রন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুমন ভূঁইয়াকে ফেঞ্জুগঞ্জ উপজেলায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিচারকাজ সম্পন্ন করার জন্য তারা ২ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট পাঁচদিন নির্বাচনী মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। বিচার কাজের জন্য তারা একজন বেঞ্চ সহকারী/স্টেনোগ্রাফার/অফিস সহকারীকে সহকারী হিসেবে সঙ্গে নিতে পারবেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের নিজ নিজ অফিস প্রধানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরাকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


এছাড়া সিলেট মেট্রোপলিটন (এসএমপি) কমিশনার এবং সিলেট জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে- দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদেরকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় আদালত পরিচালনার নিমিত্তে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ নিয়োগ করার জন্য।

উল্লেখ্য, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ আসন। যার সংসদীয় নং ২৩১। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫২ হাজার ও ভোটকেন্দ্র ১৪৯টি।

চলতি বছরের ১১ মার্চ করোনায় সংক্রমিত অবস্থায় সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটির সাংসদ আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী মারা যান।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৩ এর দফা (৪) অনুযায়ী, উক্ত শূন্য আসনে ৮ জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও করোনার কারণে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় শূন্য আসনটিতে ৮ জুন পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তফসিল ঘোষণা করে ইসি। সেই তফসিল অনুযায়ী গত ২৮ জুলাই এই আসনের উপনির্বাচন ইভিএম পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এর দুদিন আগে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেন আদালত। পরবর্তীতে ৪ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণের দিন ধার্য্য করে ইলেকশন কমিশন।

তফশিল ঘোষণার পর থেকেই উত্তাপ ছড়াচ্ছিলো সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন। প্রার্থীদের কথার লড়াই একসময় প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে গড়ায় মাঠে। আসনজুড়ে প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দেখা দেয় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা। চলে মিছিল-মিটিং-শোডাউন। সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও শুরু হয় নির্বাচনকেন্দ্রীক আলোচনা-সমালোচনা। কিন্তু আগস্টের শুরুতে করোনার ঢেউ থামিয়ে দেয় সবকিছু।

এর আগে গত ১৫ জুন মনোনয়ন জমা দেন মোট ৬ জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য শফি আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী জুনায়েদ মুহাম্মদ মিয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাহমিদা হোসেন লুমা ও শেখ জাহেদুর রহমান মাসুম।


এর মধ্যে ফাহমিদা ও মাসুম ছাড়া সবার মনোনয়নপত্র ১৭ জুন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন অফিস। দাখিলকৃত মনোনয়নে ভোটারদের তথ্য যথাযথ না পাওয়ায় ফাহমিদা ও মাসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। পরে তারা আপিল করলেও আগের রায় বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন। ফলে তারা দুজন ঝরে পড়েন নির্বাচন থেকে।

বহাল থাকা ৪ প্রার্থীর প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জুন প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান হাবিব নৌকা, জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান আতিক লাঙ্গল, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক বিএনপি নেতা শফি আহমদ চৌধুরী মোটরগাড়ি (কার) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া ডাব প্রতীক পান। এর মধ্যে শফি আহমদ চৌধুরী ছাড়া বাকি ৩ জন পান দলীয় প্রতীক।
পিসিআর মেশিনে আটকে গেল প্রবাসীদের ভাগ্য

পিসিআর মেশিনে আটকে গেল প্রবাসীদের ভাগ্য



ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনা নমুনা পরীক্ষায় র‌্যাপিড পিসিআর মেশিন ও ল্যাব না থাকায় প্রায় ২০ হাজার আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশে আটকা পড়েছেন।

বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিন বিমানবন্দরে পিসিআর মেশিন বসানোর দাবি জানান সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগ।


সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের চট্টগ্রাম বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক ইয়াছিন চৌধুরী বলেন, আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে আটকে পড়া প্রবাসীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরতে পারবে। কিন্তু পিসিআর পরীক্ষার শর্তের জন্য বাংলাদেশি প্রবাসীদের যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কবে পিসিআর মেশিন বসবে সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারছে না সরকার।

তিনি বলেন, আরব আমিরাত সরকারের নিয়মানুযায়ী যেখান থেকে যাত্রীরা বিমানে ফ্লাই করবেন, তার ৬ ঘণ্টা আগে অবশ্যই র্যা পিড পিসিআর টেস্ট করিয়ে নেগেটিভ সনদ নিয়ে সেখানে যেতে হবে। কিন্তু আমাদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ১৭ দিন ধরে চট্টগ্রাম, ঢাকা, সিলেটে আমরা কর্মসূচি পালন করেছি।


ইয়াছিন বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় চিঠি দিলেও উদ্বৃত্ত পিসিআর মেশিন না থাকার বলেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আবার বেবিচক বলছে, পিসিআর মেশিন বসানোর জন্য বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এভাবে মন্ত্রণালয়গুলো একে অপরের উপর দোষ চাপালে দেশে আটকে পড়া অসহায় প্রবাসীরা যাবে কোথায়?

তিনি আরও বলেন, আমাদের বলা হয় রেমিটেন্স যোদ্ধা। দিনরাত পরিশ্রম করে দেশে টাকা পাঠাই। আমাদের প্রশ্ন, আমরা কখন কর্মস্থলে ফিরে যাব?

এই অনিশ্চয়তার অবসানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন প্রবাসীরা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মুছা, রেজাউল করিম, মোজাম্মেল হক, মো. হেলাল ও শাহীদা হামজা প্রমুখ।