কুলাউড়ার সেই দুর্ঘটনায় গোলাপগঞ্জের ২ জন গুরুত্বর আহত

কুলাউড়ার সেই দুর্ঘটনায় গোলাপগঞ্জের ২ জন গুরুত্বর আহত



মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা হোসেনপুর নামক স্থানে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পারাবত ট্রেনের সাথে একটি মাইক্রোবাসের (নোহা) সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরোও ৬জন।

নিহতরা হলেন সিলেটের আম্বরখানা এলাকার লোহার পাড়ার বাসিন্দা ফরিদ মিয়া (৪৮) ও তার ভাতিজা আফিফ (৮)।

এছাড়া আহত কয়েকজনের অবস্থায়ও গুরুত্বর। আহত ৬জনের মধ্যে ৪জন নিহতদের একই পরিবারের সদস্য এবং অপর ২ জন নিহত ফরিদ মিয়ার বোন ও ভাগ্নি। তাদের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারীবাজার ইউনিয়নের চন্দরপুর এলাকার বনগ্রামে।


বনগ্রামের নুরুদ্দিন দলা মাস্টারের ছেলে কামরুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান আমার মা ও বোন এ দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়েছেন। বর্তমানে আহত সকলেই সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এ দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে ওসমানী হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরার হোসেনপুর নামক স্থানে একটি মাইক্রোবাসে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।


কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষণ জানান, ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসছিলো পারাবত এক্সপ্রেস। কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা হোসেনপুর বাস্ট্যান্ডের কাছে রেলটি পৌঁছালে বেখেয়ালে রেল ক্রসিংয়ে উঠে যায় নোহা গাড়িটি। তখন দ্রুত গতির পারাবত নোহা গাড়িটিকে ধাক্কা দিয়ে টেনে অন্তত অর্ধেক কিলোমিটার নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কিছু সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও দেড়টার দিকে ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
Previous Post Next Post
>
>