Monday, 19 July 2021

যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়



মকিস মনসুর: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে গত ১৬ জুলাই  শুক্রবার বিকাল ৫টায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

যুক্তরাজ‍্য আওয়ামী লীগের সভাপতি ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা  সুলতান মাহমুদ শ‍রীফের সভাপতিত্বে ও যুক্তরাজ‍্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের পরিচালনায় বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার শুরুতেই বাংলাদেশের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুসাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন বৃটেনের  ব্রিকলেইন জামে মসজিদের প্রধান ঈমাম হজরত মাওলানা আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম।

যুক্তরাজ‍্য আওয়ামী লীগের সভাপতি ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা  সুলতান মাহমুদ শ‍রীফ বলেন ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই এক-এগারোর সেনাসমর্থিত অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন মিথ্যা-বানোয়াট, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গণতন্ত্রের মানসকন্যা, বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি মাদার অব হিউমিনিটি দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারা অন্তরীণ ও গণতন্ত্র অবরুদ্ধ দিবস। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি কালো দিন।এই দিনে ওরা শুধু জাতির জনক  বঙ্গবন্ধুর তনয়া শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করেনি;  বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে গ্রেফতার করেছিল, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অপমানিত করেছিল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশকে সত্যিকার অর্থেই দুর্যোগের মেঘে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল।

যুক্তরাজ‍্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক বলেন আজকের এই দিনে দেশে বিদেশে দেশরত্নের মুক্তির আন্দোলনে অবদানকারী সবাইকে আবারও অবিরাম  অভিনন্দ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে বিশেষ করে তৃনমূল নেতা-কর্মীদের আন্দোলনে ফলে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ-সহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন বিশেষ করে  বিভিন্ন দেশের প্রবাসের আওয়ামীলীগ, ষুবলীগ, ছাত্রলীগ-সহ প্রবাসীদের আন্দোলনে আন্তর্জাতিকভাবে জনমত গঠন করা ছাড়াও প্রবাসী কমিউনিটি নেতাদের উদ্যোগে বিশেষ করে বৃটিশ এমপি, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট  ও ওয়েলস এসেম্বলি মেম্বার-সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এর সাথে লবিং করে ক্রমাগত চাপ, আপোষহীন মনোভাব ও অনড় দাবির প্রেক্ষিতে দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা তথা আমাদের প্রিয় নেত্রীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। 

গ্রেফতারের কয়েকদিন আগে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে দেখতে গেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। এরপরই ১৬ জুলাই ভোর রাতে সুধা সদন ঘিরে ফেলে যৌথবাহিনী। শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে ঢাকার নিম্ন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেফতারের আগেই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় ১১ মাস বন্দি জীবন কাটাতে হয় তাঁকে। সেইসময় বিশেষ কারাগারের পাশেই সংসদ ভবন চত্বরে অস্থায়ী আদালত স্থাপন করে বিচার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়।

গ্রেফতার হওয়ার আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলটির প্রবীণ নেতা তৎকালীন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়ে যান। এ ছাড়া গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে দেশের জনগণের কাছে আবেগঘন একটি খোলা চিঠিও লেখেন তিনি।

শেখ হাসিনার অবর্তমানে শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখেন জিল্লুর রহমান ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। নেতাদের মধ্যে দেখা দেয়া দ্বিধা-বিভক্তিও দূর করেন তারা দুজন। পাশাপাশি শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলন চালিয়ে যান আপোষহীনভাবে। কারাবন্দি আওয়ামী লীগ সভাপতির মুক্তির দাবিতে সারাদেশে স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান শুরু করে আওয়ামী লীগ। প্রায় ১ কোটি স্বাক্ষর সংগ্রহ করে শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলন তরান্বিত করা হয় এবং সেনা সমর্থিত সরকারের ভিত নড়বড়ে করে তোলে ওই কর্মসূচি।

ভার্চুয়াল এ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ‍্য আওয়ামী লীগের সিনিয়র-সহ সভাপতি জালাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবুল হাসেম, সহ-সভাপতি হরমুজ আলী, সহ-সভাপতি সাবেক কাউন্সিলার এম এ রহিম সি আই পি, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মারুফ আহমদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উজ্জামান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, যুক্তরাজ‍্য আওয়ামী লীগের প্রবাস বিষয়ক সম্পাদক আনসারুল হক, মানবাধিকার সম্পাদক এম এ সারব আলী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মিসবাহুর রহমান, শ্রম বিয়ক সম্পাদক এম এ সুজন, যুক্তরাজ‍্য আওয়ামী লীগ নেতা ভিপি খসরুজ্জামান খসরু , যুব বিষয়ক সম্পাদক তারিফ  আহমদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাওসার চৌধুরী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ছুরুক আলী, প্রচার সম্পাদক লুৎফুর রহমান সায়েদ, ম্যানচেস্টার আওয়ামী লীগের সভাপতি  আলহাজ্ব সোরাবুর  রহমান, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ মকিস মনসুর.  আহমেদ হাসান. আব্দুল মালিক. এম,এ রৌফ,মাহবুব আলম চৌধুরী মাখন,আবু ইউসুফ চৌধুরী, আব্দুল ওয়ালী, আফসার খান সাদেক,জামাল আহমদ খান,অয়েস কামালী, ফলিক চৌধুরী, মোস্তফা কামাল বাবলু,  দিলওয়ার হোসেন, এডভোকেট তাজুল ইসলাম, মোবারক আলী, ওয়াহিদ মিয়া, আব্দুল হাফিজ,হোসেনে আরা মতিন, কামরুন্নাহার, এলাইস মিয়া মতিন, আহমেদ হাসান,তারাউল ইসলাম, মোজাম্মেল চৌধুরী টিপু, মোহাম্মদ আফজাল মোহিত,মোহাম্মদ শাহজাহান, নজরুল ইসলাম, নিজামুল হক নজমুল, মো সাহিদুর রহমান,খয়রুল রব মূকুল, সাহীন আহমদ চৌধুরী, শেখ জাফর আহমদ, আব্দুল মুকিদ, মাহমুদ আলী, তারেক আহমদ,সাব্বির করিম, শেখ সালামত তালুকদার, মোহিদুর রহমান, সাহেদ মোহাম্মদ ইউনুছ, আব্দুল হান্নান, আলিমুজ্জামান, রুহুল আমিন রুহেল, এ কে নাজিম, মোহাম্মদ শাহ, মোহাম্মদ মোজাহিদ আলী,কবিরুল ইসলাম রিপন, মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন রোজ , গোলাম মোস্তফা, ফজলুল হক,আজিজুল আম্বিয়া,শাহ ইমরান আহমদ,জুবেল আহমদ বেলাল, মোহাম্মদ আহবাব হোসেন,শাহ বেলাল, আব্দুস সালাম সবুজ, মফিকুল ইসলাম, মোজাহিদ আহমদ লিটন, সৈয়দ রফিকুল ইসলাম সুহেল, সানুর খান, মুজিবুর রহমান,ও মাসুম চৌধুরী-সহ যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের বিভিন্ন শাখা, আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠনের সম্মানীত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

Sunday, 18 July 2021

সিলেটের দুই হাসপাতালকে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি প্রদান

সিলেটের দুই হাসপাতালকে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি প্রদান



সিলেটের ২টি হসপিটাল-সহ সারাদেশের ৭৮টি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস শনাক্তে অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হলে সময় এবং খরচ বাঁচবে।

আরও পড়ুনঃ সময় ও খরচ বাঁচাতে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন।

বোরবার (১৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুমতি পাওয়া ৭৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সিলেট নগরীর ২টি হচ্ছে সােবহানীঘাটের ওয়েসিস হসপিটাল ও ইবনে সিনা হাসপাতাল।

রোববার জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উপযুক্ত বিষয় ও সূত্রের আলােকে নিম্নবর্ণিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে (সাতাত্তরটি) নির্ধারিত শর্তাবলী প্রতিপালন সাপেক্ষে কোভিড-১৯ রােগ নির্ণয়ের এ অনুমােদন দেওয়া হলাে।


টেস্ট করার ক্ষেত্রে শর্তসমূহ হচ্ছেঃ

১. কোভিড-১৯ এর উপসর্গ/ লক্ষণযুক্ত (সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, মাথা ব্যাথা, নাকে ঘ্রান না পাওয়ায়, মুখে স্বাদ না পাওয়া, ডায়রিয়া ইত্যাদি) ব্যক্তি এবং বিগত ১০ দিনের মধ্যে কোভিড পজিটিভ রােগীর সরাসরি সংস্পর্শে এসেছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হবে।

২. এন্টিজেন টেস্টের রিপাের্ট পজিটিভ হলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের (DHIS-2) সার্ভারে এন্ট্রি দিতে হবে। লক্ষণযুক্ত ব্যক্তির এন্টিজেন টেস্টের রিপাের্ট নেগেটিভ হলে রিপাের্ট না দিয়ে আরটি-পিসিআর ল্যাব হতে টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে এবং ওই রিপাের্ট DHIS -2 এন্ট্রি দিতে হবে।

৩. অনুমােদিত কীটের নামসমূহ: Standard Q COVID-19 Ag Test kits- SD BIOSENSOR (South Korea) ও PANBIO (USA).

৪. পরীক্ষার সর্বোচ্চ মূল্য: ৭০০/- (সাতশত টাকা)। বিশেষক্ষেত্রে বাসা হতে নমুনা সংগ্রহে অতিরিক্ত চার্জ ৫০০/- (পাচঁশত টাকা) রাখা যেতে পারে। একের অধিক সদস্যের নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রেও চার্জের পরিমাণ ৫০০/- টাকার অধিক হবে না।

আরও পড়ুনঃ সময় ও খরচ বাঁচাতে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন।

৫. রিপাের্টিংয়ের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমআইএস শাখা হতে আইডি, পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ফোকাল পার্সন (ডা. অনুপম, এমআইএস, মােবাইন নম্বর- ০১৩২১১৭৩৮৬০। ই-মেইল- dr.anupom@mis.dghs.gov.bd) এর সঙ্গে যােগাযােগ করার নির্দেশ দেওয়া হলাে। এসব প্রতিষ্ঠানের একজন ফোকাল পার্সন থাকবে যিনি মেডিকেল অফিসার সমমর্যাদার হবেন।

৬. সব বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান (পরিচালক/সিভিল সার্জন/ইউএইচএফপিও) মহােদয়ের সঙ্গে যােগাযােগ করার নির্দেশ দেওয়া হলাে।

সময় ও খরচ বাঁচাতে বেসরকারি ৭৮টি হাসপাতালে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন

সময় ও খরচ বাঁচাতে বেসরকারি ৭৮টি হাসপাতালে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন



সময় ও খরচ বাঁচাতে বেসরকারি ৭৮টি হাসপাতাল ও ক্লিনিককে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ সিলেটের ২ হাসপাতাল-সহ দেশের ৭৮ প্রতিষ্ঠানকে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি প্রদান।

সময় বাঁচাতে অ্যান্টিজেন টেস্টঃ
করোনার আরটিপিসিআর টেস্ট করাতে ৫-৬ ঘণ্টা প্রয়োজন হয়। কিন্তু অ্যান্টিজেন পরীক্ষা মাত্র ৫ মিনিটেই করা যায়।

খরচ বাঁচাতে অ্যান্টিজেন টেস্টঃ
বেসরকারি খাতে আরটিপিসিআর টেস্ট করাতে প্রয়োজন হয় ২,৫০০ টাকা। অন্যদিকে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাতে খরচ হবে ৭০০ টাকা। তবে বিশেষক্ষেত্রে বাসা হতে নমুনা সংগ্রহে অতিরিক্ত চার্জ ৫০০/- (পাচঁশত টাকা) খরচ বাড়বে। একের অধিক সদস্যের নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রেও চার্জের পরিমাণ ৫০০/- টাকার অধিক হবে না।

রোববার জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উপযুক্ত বিষয় ও সূত্রের আলােকে নিম্নবর্ণিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে (সাতাত্তরটি) নির্ধারিত শতাবলী প্রতিপালন সাপেক্ষে কোভিড-১৯ রােগ নির্ণয়ের এ অনুমােদন দেওয়া হলাে।

আরও পড়ুনঃ সিলেটের ২ হাসপাতাল-সহ দেশের ৭৮ প্রতিষ্ঠানকে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি প্রদান।

টেস্ট করার ক্ষেত্রে শর্তসমূহঃ
১. কোভিড-১৯ এর উপসর্গ/ লক্ষণযুক্ত (সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, মাথা ব্যাথা, নাকে ঘ্রান না পাওয়ায়, মুখে স্বাদ না পাওয়া, ডায়রিয়া ইত্যাদি) ব্যক্তি এবং বিগত ১০ দিনের মধ্যে কোভিড পজিটিভ রােগীর সরাসরি সংস্পর্শে এসেছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হবে।

২. এন্টিজেন টেস্টের রিপাের্ট পজিটিভ হলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের (DHIS-2) সার্ভারে এন্ট্রি দিতে হবে। লক্ষণযুক্ত ব্যক্তির এন্টিজেন টেস্টের রিপাের্ট নেগেটিভ হলে রিপাের্ট না দিয়ে আরটি-পিসিআর ল্যাব হতে টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে এবং ওই রিপাের্ট DHIS -2 এন্ট্রি দিতে হবে।

৩. অনুমােদিত কীটের নামসমূহ: Standard Q COVID-19 Ag Test kits- SD BIOSENSOR (South Korea) ও PANBIO (USA).

৪. পরীক্ষার সর্বোচ্চ মূল্য: ৭০০/- (সাতশত টাকা)। বিশেষক্ষেত্রে বাসা হতে নমুনা সংগ্রহে অতিরিক্ত চার্জ ৫০০/- (পাচঁশত টাকা) রাখা যেতে পারে। একের অধিক সদস্যের নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রেও চার্জের পরিমাণ ৫০০/- টাকার অধিক হবে না।

৫. রিপাের্টিংয়ের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমআইএস শাখা হতে আইডি, পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ফোকাল পার্সন (ডা. অনুপম, এমআইএস, মােবাইন নম্বর- ০১৩২১১৭৩৮৬০। ই-মেইল- dr.anupom@mis.dghs.gov.bd) এর সঙ্গে যােগাযােগ করার নির্দেশ দেওয়া হলাে। এসব প্রতিষ্ঠানের একজন ফোকাল পার্সন থাকবে যিনি মেডিকেল অফিসার সমমর্যাদার হবেন।

৬. সব বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান (পরিচালক/সিভিল সার্জন/ইউএইচএফপিও) মহােদয়ের সঙ্গে যােগাযােগ করার নির্দেশ দেওয়া হলাে।

গোলাপগঞ্জে মটর মেকানিকদের ত্রাণ বিতরণ করলেন এলিম চৌধুরী

গোলাপগঞ্জে মটর মেকানিকদের ত্রাণ বিতরণ করলেন এলিম চৌধুরী


সিলেটের গোলাপগঞ্জে মটর মেকানিকদের ত্রাণ বিতরণ করলেন জেলা আওয়ামীলী‌গের কার্য নির্বা‌হি কমিটির সদস‌্য, বারাকা প‌তেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের প‌রিচালক মনজুর সাফি চৌধুরী এলিম।

শনিবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১২টায় সময় উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের দত্তরাইল গ্রামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্কসপ থেকে আগত ৫০ জন মটর মেকানিকদের মাঝে তার ব‌্যক্তিগত অর্থায়‌নে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ আহমদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আবু সুফিয়ান আজম, ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ঢাকাদক্ষিণ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বদরুল ইসলাম জামাল, বিশিষ্ট মুরব্বি ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস শহীদ খান জিলা, ঢাকাদক্ষিণ বাজার বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, সিলেট জেলা মটর মেকানিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমদ, ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বুরহান উদ্দিন , সমাজসেবক আরাফ মহসিন, দৈনিক মিরর গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি ফারহান মাসউদ আফছর, ঢাকাদক্ষিণ মটর মেকানিক শাখার সভাপতি মনির আহমদ, সাংবাদিক মেহেদী হাছান প্রমুখ।

গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণে মাস্টারমাইন্ড'র আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু

গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণে মাস্টারমাইন্ড'র আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু


গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণে ইংরেজি ভাষা শিক্ষা ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার মাস্টারমাইন্ড আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৩টায় সময় উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ বাজারের পুরাতন সাবরেজিস্টার অফিসের পাশে হাজী মনোহর আলী মার্কেটে দোয়া ও মিলাদের মাধ্যমে এ সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন ঢাকাদক্ষিণ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি খায়রুল আমিন মাহমুদী।

বিদেশগামি ছাত্রছাত্রীদের জন্য আইএলটিএস, বিবাহিত  পুরুষ মহিলার জন্য লাইফস্কিল, ইংরেজি ভাষা দক্ষতার জন্য স্পোকেন ইংরেজি সহ গ্রামীণ মানুষকে আন্তর্জাতিক মানের ফ্রিল্যান্সার তৈরি করতে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ের বিভিন্ন কোর্স নিয়ে নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করেছে এ প্রতিষ্ঠান।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাদক্ষিণ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দৌলা আহমদ, গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম শাকিল, সাংবাদিক জাবেদ আহমদ, সুলতান আবু নাসের, তরুণ উদ্যোগতা মাস্টারমাইন্ডের প্রশিক্ষক ও এডমিন আরশাদ উদ্দিন, ফাহাদ  আহমদ। 

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এসময় প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী ও শুভানুধ্যায়ীরাগণ।

Saturday, 17 July 2021

লালাবাজারে জয়তুন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

লালাবাজারে জয়তুন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ


পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার ইউনিয়নের  অসহায় জনসাধারণের মধ্যে জয়তুন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। 

এ উপলক্ষে ১৭ জুলাই শনিবার বেলা ২ টায় লালাবাজার ইউনিয়নের খাজাকালু জামেয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা প্রাঙ্গনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জয়তুন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আহমদ এর সার্বিক তত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং লালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পীর ফয়জুল হক ইকবাল।  

সাংবাদিক ও রোটারিয়ান এস এ শফি’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাজাকালু জামেয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা’র মুহতামিম শায়খ মাওলানা মর্তুজা আহমদ,  বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ লোকমান আহমদ, বিশিষ্ট সমাজসেবী ইঞ্জিনিয়ার সুরমান আলী, জাহেদ আহমদ, ইসলাম উদ্দিন, আব্দুল কাইয়ুম, রাসেল আহমদ, মোঃ রুহুল আমীন, সাহেদ আহমদ প্রমুখ। 

জয়তুন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক লন্ডনপ্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ লাল মিয়া ও উনার সহধর্মিণী জয়তুন হস্তশিল্প সেলাই প্রশিক্ষণ একাডেমী, জয়তুন বয়স্ক নারী শিক্ষা কেন্দ্রের চেয়ারপার্সন মহীয়সী নারী রোটারিয়ান রাবেয়া তাহেরা মজিদ এর অর্থায়নে দক্ষিণ সুরমাসহ সিলেটের বিভিন্ন এলাকার ২ হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। খাদ্যসামগ্রী হচ্ছে (চাল- ৯ কেজি, ডাল- ২ কেজি, পিয়াজ- ৩ কেজি, লবণ- ১ কেজি, সোয়াবিন তেল- ২ লিটার ও আলু- ৮ কেজি) মোট ২৫ কেজি।

উল্লেখ্য, জয়তুন ওয়েলেফেয়ার ট্রাস্ট" ২০০৯ সাল থেকে যেভাবে মানবতার কল্যানে করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের ন্যায় পবিত্র ঈদুল আযহা" উপলক্ষে অসহায় হতদরিদ্র ২ হাজার পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে।

এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ বিষয়ক ৮টি বিকল্প প্রস্তাবনাঃ লেকচারার শরিফুল ইসলাম

এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ বিষয়ক ৮টি বিকল্প প্রস্তাবনাঃ লেকচারার শরিফুল ইসলাম


এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ বিষয়ক ৮টি বিকল্প প্রস্তাবনা কুশিয়ারা নিউজের মুক্তমতে তুলে ধরেছেন ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম।

করোনাকালে পরীক্ষা নেওয়া এখন একটা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িঁয়েছে। সে হিসাবে পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে  পরীক্ষা নেওয়ার কথা রয়েছে। আবার কিছু চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ দল বলছেন এ মহামারি আদৌ যাবে কি- না এ নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়। আন্তঃ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যনবৃন্দ এ লক্ষে মিলিত হয়েছেন। নিঃসন্দেহে এ সংবাদ হাজারো শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য আশার আলো।

আবার এই এইচ,এস,সি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে মেডিকেল, বুয়েট, ইঞ্জিনিয়ারিং-সহ নানা বিষয় নিয়ে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়বে, তাই এই পরীক্ষা ও মূল্যায়ণ যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। ১৯৭২ সালের মত শতভাগ পাশের গ্লানি জাতি আর দেখতে চাই না।

তাই এখন দরকার অল্প দিনে পরীক্ষা শেষ করা, অল্প দিনে ফলাফল ও অল্প সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি। উপরোক্ত ৩টি বিষয় বিবেচনা করলে সকাল বিকাল পরীক্ষা গ্রহন ছাড়া বিকল্প নেই। সে হিসেবে আমি নিম্নোক্ত প্রস্তাবগুলো পেশ করছি।

প্রস্তাব-০১:

পরীক্ষার ১ম দিন- ইংরেজি এই দিন ৩০% শিক্ষার্থী শুধু ১ বিষয়ে দিয়ে থাকে। আবার কিছু শিক্ষার্থীর পরীক্ষা একটু কঠিন হলে রাগে, ক্ষোভে আর পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে না। তাই ইংরেজি পরীক্ষা আগে নিলে প্রথম দিনের পর ৩০% শিক্ষার্থী কমে যাবে।

২য় দিন- আই সি টি+ ১ বিষয়ের ব্যবহারিক। এ দিনেও পুরাতন শিক্ষার্থী থাকে। তাহলে ২ দিন পর দেখা যাবে ৪০% শিক্ষার্থী কমে যাবে।

৩য় দিন- বাংলা ৪র্থ দিন- পদার্থ/ হিসাব/ (পৌরণীতি/……). ৫ম দিন- রসায়ন/ ব্যবসা/( সমাজ/……) ৬ষ্ট দিন- জীব/ ফিন্যন্স/ (ইস. ইতি/ যুক্তি/.. ) ৭ম দিন- মানবিকের কেউ কোন বিষয় বাদ পড়লে যেমন ৬ষ্ঠ দিনে ইস. ইতি পরীক্ষা দিতে গিয়ে যুক্তিবিদ্যা বাদ পড়েছে, সেক্ষেত্রে তার যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষা আলাদা সেটে নেওয়া যেতে পারে ।

* বিজ্ঞান ও বাকী শিক্ষার্থীদের ২ টি বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা।

[ উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মোট ৬টি শাখা রয়েছে। শুধুমাত্র মানবিকে নৈর্বাচনিক বিষয় রয়েছে ৬টি, ভবিষতে গুচ্ছভিত্তিক ৩ টি বিষয়ে আনা যেতে পারে। বাকী ৫টি শাখার জন্য নির্ধারিত ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয় রয়েছে। ]

প্রস্তাব -২: 

একসাথে ১ম ও ২য় পত্রের সৃজনশীল প্রশ্নপত্র আগে দিয়ে শিক্ষার্থীর পছন্দমত এক পত্রে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে ।

প্রস্তাব -৩:

১ম পত্রে ৫০% প্রশ্নোত্তর ও ২য় পত্রে ৫০% প্রশ্নোত্তরের ব্যবস্থা করা যেতে পারে ।

প্রস্তাব -৪:

নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে লটারী করে অর্ধেক শিক্ষার্থী সকালে ও বাকী শিক্ষার্থী বিকালে আলাদা সেটে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে ।

প্রস্তাব -৫:

নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে আবশ্যিক বিষয়ের পরে মানবিকের শিক্ষার্থী সকালে ও বাকী শিক্ষার্থী বিকালে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে । এক্ষেত্রে ১/২ টি বিষয়  ছাড়া আলাদা সেটের দরকার নেই।

প্রস্তাব -৬:

৩০% এর মত শিক্ষার্থী পুরাতন। তারা “আদু ভাই” হতে চলেছে। শুধু এদেরকে প্রতি বেঞ্চে ১ জন করে নিরাপদ দূরত্বে বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। বাকীদের এভাবে ২ ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে।

প্রস্তাব -৭:

রেড জোন চিহ্নিত জায়গার পরীক্ষা পরবতীতে নেওয়া যেতে পারে ।

প্রস্তাব-৮

 যে চাইবে সে নিজ দায়িত্বে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পরীক্ষা দিতে পারবে। অন্যথায় পরবর্তীতে বা পরের বছর সুযোগ রাখা যেতে পারে।

ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম,
লেকচারার, আইসিটি
দুবাগ স্কুল এন্ড কলেজ
বিয়ানীবাজার, সিলেট।