গোলাপগঞ্জে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গতকালের (১৫ জুলাই) নমুনা পরীক্ষায় উপজেলাজুড়ে নতুন করে আরও ৭ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
Friday, 16 July 2021
চন্দরপুরে একসাথে স্বামী-স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল নিয়ে সংঘর্ষঃ আহত ৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের খেওয়াই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে ৫জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
আহতরা হলেন- মিনার মিয়া, মো. আলম, রবিউল, জালাল মুন্সি ও ফুরকান মুন্সি। তাদের মধ্যে মিনার মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মাছিহাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিনুল হক পাভেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খেওয়াই গ্রামের সর্দার বাড়ির শিপন (১৯) ও মুন্সি বাড়ির হৃদয়ের (১৮) মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। হৃদয় আর্জেন্টিনা ও শিপন ব্রাজিল দলের সমর্থক। এ ঘটনার জেরে রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে সকালে এলাকায় পুলিশ আসে। তবে এখন এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম জানান, ‘সকালে খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ এখনও পাওয়া যায়নি।’
এর আগে কোপা আমেরিকার ফাইনালের এ ম্যাচকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে জেলা পুলিশ। ফলে ফাইনালের দিন এ জেলায় কোনও অঘটন ঘটেনি।
Thursday, 15 July 2021
ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারঃ সেলিম উদ্দিনের দাফন সম্পন্ন
গোলাপগঞ্জের উত্তর বাদেপাশা ইউনিয়নের খাগাইল গ্রাম থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা সেলিম উদ্দিনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) বাদ সন্ধ্যায় আছিরগঞ্জ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
তার জানাজার নামাজে আছিরগঞ্জ এবং বৃহত্তর কুশিয়ারা পাড়ের রাজনৈতিক, সমাজকর্মী, ব্যবসায়ী সাংবাদিক ও বিভিন শ্রেণীপেশার সহস্রাধিক মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ আছিরগঞ্জের পরিচিত মুখ সেলিম উদ্দিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
এর আগে গতকাল (বুধবার) সকালে খাগাইল গ্রাম থেকে সেলিম উদ্দিনের (৪৫) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেলিম উদ্দিনের বাড়ী থেকে প্রায় ২ শত ফুট দূরে নির্মাণাধীন একটি ভবনের পিছনে তার লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।
তবে এটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায় নি। এলাকাবাসী বলছেন বিষয়টি খুবই রহস্যজনক। সেলিম উদ্দিনের ভাই নাজিম উদ্দিন এ ঘটনার তদন্তপূর্বক সুষ্টু বিচার দাবী করেন।
আরও পড়ুনঃ সেলিম উদ্দিনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের
নাজিম উদ্দিন জানান, খাগাইল গ্রামের আখলুছ হাজীর বাড়িতে কেয়ারটেকারের দায়িত্ব পালন করতেন সেলিম উদ্দিন। বেশ কিছুদিন থেকে একটি মহল প্রবাসী আখলুছ হাজীর বাড়ির কেয়ারটেকারের দায়িত্ব থেকে তাকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। সম্প্রতি তিনি সেখান থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। গত ৩/৪দিন আগে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে তিনি সেই দায়িত্ব থেকে সরে আসেন। কিন্তু দায়িত্ব ছাড়লেও একটি মহল তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। সেই আতঙ্কে তিনি বাজারে যাওয়া বন্ধ করে দেন, এমনকি রাস্তাঘাটেও বের হতেন না। আতঙ্কে নিজের সিগারেট পর্যন্ত ছোট ভাইকে দিয়ে বাজার থেকে আনাতেন।
এঘটনায় নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা (নং-০৭/১৪.০৭.২০২১) দায়ের করেছেন।
এব্যাপারের গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, সেলিম উদ্দিন নিহতের ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে তদন্ত কাজ চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাধারণত ময়না তদন্ত রিপোর্ট আসতে এক সপ্তাহ সময় লাগে। রিপোর্ট আসার পর এ ঘটনার আসল রহস্য উন্মোচিত হবে বলে এলাকাবাসীর বিশ্বাস।
সিলেটে ২৪ ঘন্টায় ৫৩৮ করোনা রোগী শনাক্ত
সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় ৫৩৮ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয় থেকে প্রেরিত কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া ৫৩৮ জনের মধ্যে সিলেট জেলায় ২৩১ জন, সুনামগঞ্জে ৬৫, হবিগঞ্জে ৯৯ ও মৌলভীবাজারে ৯১ জন। এছাড়াও সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫২ জনের শরীরে ধরা পড়েছে করোনাভাইরাস।
একই সময়ে র্যাপিড এন্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে সিলেট বিভাগে আরও ৭৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সিলেটের ২২, সুনামগঞ্জের ৩১, হবিগঞ্জের ১৬ ও মৌলভীবাজারের ১০ জন।
একই সময়ে বিভাগে মহামারি করোনায় মারা গেছেন আরও ৩ জন। এর মধ্যে সিলেটে ১, সুনামগঞ্জে ১ ও হবিগঞ্জে ১ জন।
এদিকে, সিলেট বিভাগের চার জেলায় বর্তমানে হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তি আছেন ৪৫২ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৩৪১, সুনামগঞ্জে ৪০, হবিগঞ্জে ৩১ ও মৌলভীবাজারে ৪০ জন।
মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনামুক্ত হয়েছেন ২৭৭জন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ১৬৭ জন, হবিগঞ্জ জেলার ২৪ জন ও মৌলভীবাজার জেলায় ৮১ জন। এছাড়াও এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ৫ জন করোনামুক্ত হয়েছে।
এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ৩১ হাজার ৪২৯ জন। অন্যদিকে, সিলেট বিভাগে করোনামুক্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ৮৯৫ জন।
আর এ পর্যন্ত সিলেটে করোনার ছুবলে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৫৪৬ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৪৩৮, সুনামগঞ্জে ৪০, হবিগঞ্জে ২৫ ও মৌলভীবাজারে ৪২ জন।
সেলিম উদ্দিনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের
সেলিম উদ্দিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ভাই নাজিম উদ্দিন। এঘটনায় নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা (নং-০৭/১৪.০৭.২০২১) দায়ের করেছেন।
এব্যাপারের গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, সেলিম উদ্দিন নিহতের ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে তদন্ত কাজ চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে গতকাল (বুধবার) সকালে উপজেলার বাদেপাশা ইউনিয়নের খাগাইল গ্রাম থেকে সেলিম উদ্দিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তার লাশ ময়না তদন্তের জন্যে মর্গে প্রেরণ করা হয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে সেলিম উদ্দিনের বাড়ী থেকে প্রায় ২ শত ফুট দূরে নতুন একটি ভবনের পিছনে তার লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।
তবে এটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায় নি। এলাকাবাসী বলছেন বিষয়টি খুবই রহস্যজনক। সেলিম উদ্দিনের ভাই নাজিম উদ্দিন এ ঘটনার তদন্তপূর্বক সুষ্টু বিচার দাবী করেন।
আরও পড়ুনঃ ময়না তদন্ত শেষে বাড়ির পথে সেলিম উদ্দিনের লাশঃ জানাজার সময় ঘোষণা
ময়না তদন্ত শেষে বাড়ির পথে সেলিম উদ্দিনের লাশঃ জানাজার সময় ঘোষণা
ময়না তদন্ত শেষে সেলিম উদ্দিনের লাশ নিয়ে বাড়ির পথে রওয়ানা দিয়েছেন তার স্বজনরা। গতকাল গোলাপগঞ্জের বাদেপাশা ইউনিয়নের খাগাইল গ্রাম থেকে রহস্যজনকভাবে ঝুলন্ত অবস্থায় সেলিম উদ্দিনের (৪৫) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়। ময়না তদন্ত শেষে লাশ নিয়ে বর্তমানে বাড়ির পথে রওয়ানা দিয়েছেন তার স্বজনরা।
আরও পড়ুনঃ সেলিম উদ্দিনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের
এদিকে বাড়ি নিয়ে আসার পর তার লাশ দাফনকাজের প্রস্তুতি চলছে। জানা গেছে আজ (বৃহস্পতিবার) বাদ মাগরিব তার জানাজার নামাজ আছিরগঞ্জ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার লাশ পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুনঃ আছিরগঞ্জের পরিচিত মুখ সেলিম উদ্দিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
প্রসঙ্গত, গতকাল (বুধবার) সকালে সেলিম উদ্দিনের বাড়ির পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে তার ঝুলন্ত লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন এলাকাবাসী। পরে থানা পুলিশ ও কুশিয়ারা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশদল এসে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় সেলিম উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করে।
সেলিম উদ্দিন খাগাইল গ্রামের মরহুম আলাউদ্দিন দর্জির বড় ছেলে। তার স্ত্রী, ১ছেলে ও ১মেয়ে রয়েছেন।
তবে এটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায় নি। এলাকাবাসী বলছেন বিষয়টি খুবই রহস্যজনক। এলাকাবাসী এবং সেলিম উদ্দিনের ভাই নাজিম উদ্দিন এ ঘটনার তদন্তপূর্বক সুষ্টু বিচার দাবী করেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে সেলিম উদ্দিনের বাড়ী থেকে প্রায় ২ শত ফুট দূরে নতুন একটি ভবনের পিছনে তার লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।
আরও পড়ুনঃ আছিরগঞ্জের পরিচিত মুখ সেলিম উদ্দিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
আরও পড়ুনঃ সেলিম উদ্দিনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের
নিহতের ভাই নাজিম উদ্দিন জানান, খাগাইল গ্রামের আখলুছ হাজীর বাড়িতে কেয়ারটেকারের দায়িত্ব পালন করতেন সেলিম উদ্দিন। বেশ কিছুদিন থেকে একটি মহল প্রবাসী আখলুছ হাজীর বাড়ির কেয়ারটেকারের দায়িত্ব থেকে তাকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। সম্প্রতি তিনি সেখান থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। গত ৩/৪দিন আগে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে তিনি সেই দায়িত্ব থেকে সরে আসেন। কিন্তু দায়িত্ব ছাড়লেও একটি মহল তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। সেই আতঙ্কে তিনি বাজারে যাওয়া বন্ধ করে দেন, এমনকি রাস্তাঘাটেও বের হতেন না। আতঙ্কে নিজের সিগারেট পর্যন্ত ছোট ভাইকে দিয়ে বাজার থেকে আনাতেন।
নাজিম উদ্দিনের দাবি হয়তো এর জের ধরে আমার ভাইকে হত্যা করা হতে পারে। তিনি এঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি করেন।
